উদ্দীপকে উল্লেখিত বাংলাভাষার দাপ্তরিক ব্যবহার আবদুল মালিকের কোন কার্যক্রমটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লেখিত বাংলা ভাষার দাপ্তরিক ব্যবহার আবদুল মালিকের রাষ্ট্রীয় কাজে আরবি ভাষা প্রচলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ । খলিফা আবদুল মালিক রাষ্ট্রকে জাতীয়করণ এবং সুষ্ঠু শাসনব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য আগে থেকে চালুকৃত ফারসি, সিরীয় ও গ্রিকসহ প্রচলিত বিভিন্ন ভাষার পরিবর্তে আরবিকে রাষ্ট্র ভাষার মর্যাদা দেন। এর বাস্তবায়ন ও সর্বত্র আরবির প্রচলন সহজসাধ্য ছিল না। কেননা আরবি ছিল বেদুইনদের ভাষা। তারপরও আরবি ভাষায় উৎকর্ষ সাধন, আরবিকে বিশ্বজনীন ভাষায় রূপান্তরের কঠিন কাজটি তিনি দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করেন । উদ্দীপকেও এ ঘটনার দৃশ্যপট অঙ্কিত হয়েছে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার বাংলা ভাষাকে অফিস- আদালতের দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা দেয়। তাছাড়া বাংলা ভাষার উন্নয়নের জন্য একাডেমি প্রতিষ্ঠা করে। অনুরূপভাবে আবদুল মালিকও সালেহ বিন আবদুর রহমান নামে জনৈক পারসিক মুসলমানের পরামর্শে সরকারি কাজে আরবি ভাষা ব্যবহারের নির্দেশ দেন। ফলে সিরিয়া ও ইরাকের প্রদেশসমূহে আরবি ভাষায় সরকারি কার্য ও হিসাবপত্র লিপিবদ্ধ রাখার নিয়ম প্রবর্তিত হয়। পরে মিসর ও পারস্যেও আরবি ভাষা সরকারি ভাষার মর্যাদা লাভ করে। এতে সাম্রাজ্যে অনারব অমুসলমানরা কর্মচ্যুত হলে তাদের জায়গায় রাষ্ট্রের বিভিন্ন বিভাগে আরব মুসলমানরা নিয়োগপ্রাপ্ত হন। এতে আরব মুসলমানদের প্রশাসনিক প্রতিভা বিকাশের পথ সুগম হয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লেখিত বাংলা ভাষার দাপ্তরিক ব্যবহারের সাথে আবদুল মালিকের আরবি ভাষার জাতীয়করণের মিল রয়েছে।
HSC Islamic History 1st paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 1st paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকে উল্লেখিত বাংলাভাষার দাপ্তরিক ব্যবহার আবদুল মালিকের কোন কার…
উদ্দীপক
বিএএফ শাহীন কলেজ, ঢাকা · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর