আরবি ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধিতে আবদুল মালিকের অবদান উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন করো।
উত্তর: আরবি ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধিতে আবদুল মালিক অসামান্য অবদান রাখেন ৷ আবদুল মালিকের খিলাফতে আরোহণের আগে ইরাক ও অন্যান্য প্রাচ্য দেশে ফারসি বা পাহলভি ভাষায় সিরিয়া, ট্রান্সজর্ডান ও অন্যান্য, উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে গ্রিক ও সিরিয়া এবং মিসর ও উত্তর আফ্রিকার অন্যান্য এলাকাতে কোবতি ভাষায় প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হতো। খলিফা বিজাতীয় প্রভাব থেকে সাম্রাজ্যকে মুক্ত করা এবং আরবি ভাষার মর্যাদা ঊর্ধ্বে তুলে ধরার মানসে আরবিকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। উদ্দীপকেও এ বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। উদ্দীপকে বাংলা ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধির স্বার্থে সরকারি অফিস-আদালতের দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা প্রদানের কথা বলা হয়েছে। অনুরূপভাবে উমাইয়া খলিফা আবদুল মালিকও আরবি ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন। তিনি রাষ্ট্রে চালুকৃত বিভিন্ন ভাষার পরিবর্তে আরবি ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দান করেন। ফলে আঞ্চলিক ভাষাসমূহের পরিবর্তে অফিস-আদালতে দলিলপত্রাদি আরবি ভাষায় রক্ষিত হওয়ার নিয়ম চালু হয়। সমগ্র মুসলিম সাম্রাজ্যে একই ধরনের শাসনব্যবস্থা প্রচলিত হয় এবং বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন ভাষা প্রচলিত হওয়ায় শাসনকার্যে যে সমস্যা দেখা দিত তার অবসান ঘটে । বিশুদ্ধ আরব শাসন প্রচলিত হওয়ায় আরবি ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। এ ব্যবস্থায় অনারব মুসলমানরা চাকরিচ্যুত হন এবং তাদের জায়গায় আরব মুসলমানরা নিযুক্ত হন । উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, খলিফা আবদুল মালিক আরবি ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য রাষ্ট্রের সকল পর্যায়ে আরবি ভাষা প্রচলনের মাধ্যমে অসামান্য অবদান রাখেন।
HSC Islamic History 1st paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 1st paper · সৃজনশীল
আরবি ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধিতে আবদুল মালিকের অবদান উদ্দীপকের আলোকে মূল…
উদ্দীপক
বিএএফ শাহীন কলেজ, ঢাকা · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর