শেয়ারFacebookWhatsApp

তোমার পঠিত উক্ত 'ক' বংশের পতন কোন আন্দোলনের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছিল ? উক্ত আন্দোলনের নিয়ামকগুলো আলোচনা করো ।

উত্তর: আব্বাসি আন্দোলনের মাধ্যমে উক্ত বংশের বা উমাইয়া বংশের পতন হয়। বিভিন্ন কারণে আব্বাসি আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল । ইমাম হাসানের প্রতি মুয়াবিয়ার বিশ্বাসঘাতকতা, কারবালার মর্মান্তিক ঘটনা ইত্যাদি আলির সমর্থকদের ক্ষুব্ধ করে। তাছাড়া আরব ও অনারব মুসলমানদের মধ্যে বৈষম্যমূলক নীতি, বিজিত জাতির সদস্যদের, বিশেষ করে পারসিকদের সরকারি চাকরির বড় বড় পদ ও সামাজিক অনুষ্ঠান থেকে অপসারিত করা, হিমারীয় ও মুদারীয় দ্বন্দ্ব এবং সর্বোপরি উমাইয়া খলিফাদের রাষ্ট্রের প্রতি অবহেলা প্রভৃতি কারণে আব্বাসি আন্দোলন গড়ে ওঠে । আন্দোলনকারীরা মুহাম্মদ বিন আলির মাধ্যমে খিলাফতে হাশেমি বংশের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য 'আব্বাসি মতবাদ' নামে একটি মতবাদ প্রচার করতে থাকেন। এ মতবাদ অনুযায়ী খিলাফতের দায়িত্ব আলি বংশীয়দের হাতে প্রদান করা উচিত এবং হযরত আলির ঔরসজাত পুত্র আল হানিফার ওপর ইমামতির দায়িত্ব অর্পিত হওয়া উচিত। কারণ, ইমাম হুসাইনের নাবালক পুত্র জয়নুল আবেদিন ইমামতি করার অনুপযুক্ত। এরপর আব্বাসিরা সর্বদলীয় প্রচারণা শুরু করে কুরাইশদের হাশেমি গোত্রের পক্ষে খিলাফতের দাবি করতে থাকে। এরপর ইবনে আব্বাসের পুত্র আলির মৃত্যুর পর মুহাম্মদ বিন আলি নেতৃত্ব গ্রহণ করে আব্বাসিদের প্রচারণা এগিয়ে নিতে থাকেন এবং এ লক্ষ্যে তিনি হযরত ফাতেমার বংশধরদের নিজ দলে আনতে সক্ষম হন। কিন্তু তার উদ্দেশ্য সফল হওয়ার আগেই তিনি ৭৪৪ খ্রিষ্টাব্দে মারা যান। মৃত্যুর আগে মুহাম্মদ বিন আলি ইব্রাহিম, আবুল আব্বাস এবং আবু জাফর নামে তিন পুত্রকে পর্যায়ক্রমে উত্তরাধিকারী করে যান। এ সময় আবু মুসলিম নামে একজন দাঈ (প্রচারক) খোরাসানে আব্বাসি আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহণ করে ব্যাপক প্রচার চালান। আবু মুসলিম রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সেনাপতি কাহতাবার মাধ্যমে খোরাসান ও ফারগনা দখল করতে সক্ষম হন । ইতোমধ্যে ইব্রাহিম উমাইয়াবিরোধী কাজের জন্য বন্দি হন এবং পরে তাকে হত্যা করা হয়। কিন্তু আবু মুসলিম আন্দোলন চালিয়ে যান এবং সেনাপতি কাহতাবা ও খালিদ বিন বার্মাককে ইরাকে প্রেরণ করেন। এখানে তুমুল যুদ্ধের পর সেনাপতি কাহতাবা মৃত্যুবরণ করেন। কাহতাবার পুত্র হাসান বিন কাহতাবা ইরাকের শাসনকর্তাকে পরাজিত করে কুফা অধিকার করেন। এরপর আব্বাসি বাহিনী নিহাওয়ান্দ ও মেসোপটেমিয়া জয় করে ইব্রাহিমের মনোনয়ন অনুসারে ৭৪৯ খ্রিষ্টাব্দে কুফার এক মসজিদে আবুল আব্বাসকে খলিফা বলে ঘোষণা করা হয়। আবুল আব্বাস ভ্রাতৃহত্যা এবং উমাইয়া নৃশংসতার প্রতিশোধ নেবেন বলে শপথ গ্রহণ করেন এবং 'আস- সাফফাহ' (রক্তপিপাসু) উপাধি গ্রহণ করেন। এ সময়ই আবু মুসলিমের সেনাপতি আবু আয়ুন মারওয়ানের পুত্রকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করেন। এরপর জাবের যুদ্ধের মাধ্যমে উমাইয়াদের চূড়ান্ত পরাজয় হয়। উপরের আলোচনা থেকে বোঝা যায়, আব্বাসি আন্দোলনের মাধ্যমে উমাইয়া বংশের পতন হয় ।

HSC Islamic History 1st paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · সৃজনশীল

তোমার পঠিত উক্ত 'ক' বংশের পতন কোন আন্দোলনের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছিল …

উদ্দীপক

'ক' নামক রাজবংশের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল রাজতন্ত্র। অধিকন্তু এ যুগে উত্তরাধিকার নির্বাচনেরও কোন সুনির্দিষ্ট আইন-কানুন না থাকায় সাম্রাজ্যে বহু গোলযোগ দেখা দেয়। এ যুগের শেষ দিকে শাসকগণ সুন্দরী দাসী ও রমনী নিয়ে এত ব্যস্ত থাকতেন যে তারা জুমুআর জামায়াতেও যোগদান করত না। এসব কারণ ছাড়াও আরো বিভিন্ন কারণে তরবারির জোরে প্রতিষ্ঠিত 'ক' রাজবংশ ৯০ বছর পর আরেক নতুন তরবারির জোরেই তা বিধ্বস্ত হয়ে যায় ।

দিনাজপুর সরকারি কলেজ · 2024

উত্তর

উমাইয়া খলিফা হিশামের শাসনামলে টুরস্ত্রে যুদ্ধ সংঘটিত হয় ।

উত্তর

ইয়াজিদ উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা মুয়াবিয়ার পুত্র এবং কুরাইশ নেতা আবু সুফিয়ানের পৌত্র ছিলেন। ৬৮০ খ্রিষ্টাব্দের এপ্রিল মাসে মুয়াবিয়া ইন্তেকাল করলে ইয়াজিদ নিজেকে খলিফা হিসেবে ঘোষণা দেন। তিনি ৬৮০ থেকে ৬৮৩ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সিংহাসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন। সিরিয়া ও ইরাক ইয়াজিদের আনুগত্য স্বীকার করে। ঐতিহাসিকদের মতে; ইয়াজিদ ছিল পাপাসক্ত, অত্যাচারী, মদ্যপায়ী ও হৃদয়হীন। এই ইয়াজিদের সাথেই কারবালার প্রান্তরে ইমাম হুসাইন (রা) এর ভয়াবহ যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।

উত্তর

উদ্দীপকের 'ক' রাজবংশের পতন দামেস্কের উমাইয়া বংশের পতনের বিষয়টিকে ইঙ্গিত করে। উমাইয়া যুগে গণতন্ত্রের পরিবর্তে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় কোনো সুনির্দিষ্ট উত্তরাধিকার নীতি ছিল না। খলিফারা যোগ্যতার ভিত্তি চিন্তা না করে নিজ নিজ পুত্রদের পরবর্তী খলিফা নিয়োগ করতেন। ফলে সাম্রাজ্যে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিত, যা এ বংশের পতনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে কাজ করে। এছাড়া শাসকদের বিলাসবহুল জীবনযাপন ও অনৈসলামিক কর্মকাণ্ড এ বংশের পতনকে ত্বরান্বিত করে। উদ্দীপকেও এ কারণসমূহের প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। উদ্দীপকে 'ক' নামের একটি রাজবংশের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ফলে এ বংশের পতন ঘটে। একই ঘটনা দামেস্কের উমাইয়া বংশের পতনের ক্ষেত্রেও লক্ষ করা যায়। এ বংশেরও উত্তরাধিকার নির্বাচনের কোনো সুনির্দিষ্ট আইন-কানুন না থাকায় সাম্রাজ্যে বহু গোলযোগ দেখা দিয়েছিল । খলিফাগণ কখনো জ্যেষ্ঠ পুত্রকে, কখনো পর্যায়ক্রমে সকল পুত্রকে, আবার কখনো বা পিতৃব্যপুত্র ও ভ্রাতুষ্পুত্রকে উত্তরাধিকারী মনোনীত করে রাজপরিবারের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্বের বীজ বপন করতেন। এই বংশের ১৪ জন খলিফার মধ্যে কেবল ৪ জন খলিফার পুত্রগণ তাদের উত্তরাধিকারী হতে পেরেছিলেন । উত্তরাধিকার মনোনয়নের এ অস্থিতিশীলতা উমাইয়া শাসনের পতনকে ত্বরান্বিত করে । সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি ও সম্পদ বৃদ্ধির ফলে পরবর্তী দুর্বল খলিফারা অন্তঃপুরে নপুংশক নিয়োগ করেন এবং সুন্দরী দাসী ও রমণী নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন। এসব অনাচার ও ব্যভিচারে শাসক পরিবারের রক্তে অবিমিশ্র ধারা ঢুকে পড়ে। এমনকি তৃতীয় ইয়াজিদ ও তার উত্তরাধিকারী দাসীপুত্র ছিল। তাছাড়া তারা জুমুআর নামাজ পড়ত না এবং রমজান মাসে রোজা রাখত না। এরূপ আচরণে মুসলমানগণ তাদের ওপর অসন্তুষ্ট হয়ে ওঠে। ফলে উমাইয়া বংশের পতন ঘটে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক' রাজবংশ ও উমাইয়া বংশের পতনের কারণ একইসূত্রে গাথা।

উত্তর

আব্বাসি আন্দোলনের মাধ্যমে উক্ত বংশের বা উমাইয়া বংশের পতন হয়। বিভিন্ন কারণে আব্বাসি আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল । ইমাম হাসানের প্রতি মুয়াবিয়ার বিশ্বাসঘাতকতা, কারবালার মর্মান্তিক ঘটনা ইত্যাদি আলির সমর্থকদের ক্ষুব্ধ করে। তাছাড়া আরব ও অনারব মুসলমানদের মধ্যে বৈষম্যমূলক নীতি, বিজিত জাতির সদস্যদের, বিশেষ করে পারসিকদের সরকারি চাকরির বড় বড় পদ ও সামাজিক অনুষ্ঠান থেকে অপসারিত করা, হিমারীয় ও মুদারীয় দ্বন্দ্ব এবং সর্বোপরি উমাইয়া খলিফাদের রাষ্ট্রের প্রতি অবহেলা প্রভৃতি কারণে আব্বাসি আন্দোলন গড়ে ওঠে । আন্দোলনকারীরা মুহাম্মদ বিন আলির মাধ্যমে খিলাফতে হাশেমি বংশের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য 'আব্বাসি মতবাদ' নামে একটি মতবাদ প্রচার করতে থাকেন। এ মতবাদ অনুযায়ী খিলাফতের দায়িত্ব আলি বংশীয়দের হাতে প্রদান করা উচিত এবং হযরত আলির ঔরসজাত পুত্র আল হানিফার ওপর ইমামতির দায়িত্ব অর্পিত হওয়া উচিত। কারণ, ইমাম হুসাইনের নাবালক পুত্র জয়নুল আবেদিন ইমামতি করার অনুপযুক্ত। এরপর আব্বাসিরা সর্বদলীয় প্রচারণা শুরু করে কুরাইশদের হাশেমি গোত্রের পক্ষে খিলাফতের দাবি করতে থাকে। এরপর ইবনে আব্বাসের পুত্র আলির মৃত্যুর পর মুহাম্মদ বিন আলি নেতৃত্ব গ্রহণ করে আব্বাসিদের প্রচারণা এগিয়ে নিতে থাকেন এবং এ লক্ষ্যে তিনি হযরত ফাতেমার বংশধরদের নিজ দলে আনতে সক্ষম হন। কিন্তু তার উদ্দেশ্য সফল হওয়ার আগেই তিনি ৭৪৪ খ্রিষ্টাব্দে মারা যান। মৃত্যুর আগে মুহাম্মদ বিন আলি ইব্রাহিম, আবুল আব্বাস এবং আবু জাফর নামে তিন পুত্রকে পর্যায়ক্রমে উত্তরাধিকারী করে যান। এ সময় আবু মুসলিম নামে একজন দাঈ (প্রচারক) খোরাসানে আব্বাসি আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহণ করে ব্যাপক প্রচার চালান। আবু মুসলিম রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সেনাপতি কাহতাবার মাধ্যমে খোরাসান ও ফারগনা দখল করতে সক্ষম হন । ইতোমধ্যে ইব্রাহিম উমাইয়াবিরোধী কাজের জন্য বন্দি হন এবং পরে তাকে হত্যা করা হয়। কিন্তু আবু মুসলিম আন্দোলন চালিয়ে যান এবং সেনাপতি কাহতাবা ও খালিদ বিন বার্মাককে ইরাকে প্রেরণ করেন। এখানে তুমুল যুদ্ধের পর সেনাপতি কাহতাবা মৃত্যুবরণ করেন। কাহতাবার পুত্র হাসান বিন কাহতাবা ইরাকের শাসনকর্তাকে পরাজিত করে কুফা অধিকার করেন। এরপর আব্বাসি বাহিনী নিহাওয়ান্দ ও মেসোপটেমিয়া জয় করে ইব্রাহিমের মনোনয়ন অনুসারে ৭৪৯ খ্রিষ্টাব্দে কুফার এক মসজিদে আবুল আব্বাসকে খলিফা বলে ঘোষণা করা হয়। আবুল আব্বাস ভ্রাতৃহত্যা এবং উমাইয়া নৃশংসতার প্রতিশোধ নেবেন বলে শপথ গ্রহণ করেন এবং 'আস- সাফফাহ' (রক্তপিপাসু) উপাধি গ্রহণ করেন। এ সময়ই আবু মুসলিমের সেনাপতি আবু আয়ুন মারওয়ানের পুত্রকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করেন। এরপর জাবের যুদ্ধের মাধ্যমে উমাইয়াদের চূড়ান্ত পরাজয় হয়। উপরের আলোচনা থেকে বোঝা যায়, আব্বাসি আন্দোলনের মাধ্যমে উমাইয়া বংশের পতন হয় ।
HSCIslamic History 1st paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা আরোহণের পশ্চাতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন ফুয়াদ পাশা। পরবর্তীতে ফুয়াদ পাশার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা সুলতানের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়। অবশেষে তিনি কৌশলে ফুয়াদ পাশাকে হত্যা করেন।Q. উদ্দীপকে নির্দেশিত উত্ত হত্যাকাণ্ডের পশ্চাতে নিহিত ছিল-
i. ক্ষমতা লিন্সা
ii. প্রতিহিংসা
iii. প্রতিদ্বন্দ্বিতানিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা আরোহণের পশ্চাতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন ফুয়াদ পাশা। পরবর্তীতে ফুয়াদ পাশার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা সুলতানের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়। অবশেষে তিনি কৌশলে ফুয়াদ পাশাকে হত্যা করেন।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত ফুয়াদ পাশার সাথে হত্যাকান্ডের শিকার কোন চরিত্রের মিল রয়েছে?

Dhaka · 2017

  • আবু মুসলিম খোরাসানি
  • হাজ্জাজ বিন ইউসুফ
  • মুসা বিন নুসায়ের
  • আল আমিন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'কুব্বাতুস সাখরা' কে নির্মাণ করেন?

Dhaka · 2017

  • মুয়াবিয়া (রা)
  • ইয়াজিদ
  • আব্দুল মালিক
  • উমর বিন আব্দুল আজিজ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী কোথায় ছিল?

Dhaka · 2017

  • মদিনা
  • দামেস্ক
  • কুফা
  • বাগদাদ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.আরব দেশকে 'জাজিরাতুল আরব' বলার কারণ কী?

Dhaka · 2017

  • মরুভূমির দেশ বলে
  • আরব সাগরের তীরে অবস্থিত বলে
  • আরব পবিত্র তুমি হওয়ার জন্য
  • তিন দিক জলবেষ্টিত হওয়ার কারণে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.কত খ্রিষ্টাব্দে স্পেনে উমাইয়া খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?

Dhaka · 2017

  • ৭৫০
  • ৯০৯
  • ৯২৯
  • ১০৩১

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মদিনায় হিজরত মুসলমানদের জীবনে যে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছিল তা হলো-
i. মর্যাদা প্রতিষ্ঠা
ii. উম্মাহ গঠন
iii. রাষ্ট্রগঠননিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কোন উমাইয়া খলিফাকে 'সাধুপুরুষ' বলা হয়?

Dhaka · 2018

  • মুয়াবিয়া
  • আব্দুল মালিক
  • আল ওয়ালিদ
  • উমর বিন আব্দুল আজিজ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.উমাইয়া শাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল-
i. সাম্রাজ্য বিস্তার
ii. জ্ঞান-বিজ্ঞানের সম্প্রসারণ
iii. স্থাপত্য শিল্পের বিকাশনিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

  • i
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.জুমাতুল জন্দলের সালিস বৈঠকের ফলে-
i. মুসলিম ঐক্য বিনষ্ট হয়
ii. খলিফার মর্যাদা ক্ষুণœ হয়
iii. খারিজিদের উৎপত্তি হয়নিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

  • i ও iiii ও iii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উদ্দীপকটি পড়ে উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি ভালো আচরণ করা হয়েছিল এবং মুক্তিপণের মাধ্যমে তাদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।Q.বন্দিদের প্রতি উক্ত যুদ্ধের শিক্ষা হচ্ছে-
i. মানবিক আচরণ করা
ii. সহজশর্তে মুক্তি দেওয়া
iii. সারা জীবন বন্দি রাখানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি ভালো আচরণ করা হয়েছিল এবং মুক্তিপণের মাধ্যমে তাদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনাটির ইসলামের ইতিহাসের কোন যুদ্ধের মিল আছে?

Combined · 2019

  • বদরের যুদ্ধ
  • ওহুদের যুদ্ধ
  • খন্দকের যুদ্ধ
  • মুতার যুদ্ধ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা 'কুব্বাতুস সাখরা' কে নির্মাণ করেন?উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী কোথায় ছিল?আরব দেশকে 'জাজিরাতুল আরব' বলার কারণ কী?কত খ্রিষ্টাব্দে স্পেনে উমাইয়া খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মদিনায় হিজরত মুসলমানদের জীবনে যে ইতিবাচক পরিবর্তন কোন উমাইয়া খলিফাকে 'সাধুপুরুষ' বলা হয়?উমাইয়া শাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল-i. সাম্রাজ্য বিস্তারii. জ্ঞান-বিজ্ঞানের সম্প্জুমাতুল জন্দলের সালিস বৈঠকের ফলে-i. মুসলিম ঐক্য বিনষ্ট হয়ii. খলিফার মর্যাদা ক্ষউদ্দীপকটি পড়ে উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখ

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।