শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে বর্ণিত চুক্তিটি মুহাম্মদ (স.)-এর সময়ে স্বাক্ষরিত কোন চুক্তির প্রতি ইঙ্গিত করে? তার শর্তসমূহ বর্ণনা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত চুক্তিটি মুহাম্মদ (সা.)-এর সময়ে স্বাক্ষরিত হুদাইবিয়ার চুক্তির প্রতি ইঙ্গিত করে।উদ্দীপকে দেখা যায়, দীর্ঘ আলোচনার পর ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে ১৯১৯ সালে মিত্র শক্তি ও জার্মানির মধ্যে একটি সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়। ইতিহাসে যা ভার্সাই সন্ধি নামে পরিচিত। ৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে মহানবি (সা.) কুরাইশদের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন, যা ইতিহাসে হুদাইবিয়ার চুক্তি নামে পরিচিত। এ চুক্তির প্রধান প্রধান শর্ত হলো-১. এ বছর অর্থাৎ সন্ধির বছর মুসলমানগণ হজ না করে মদিনায় প্রত্যাবর্তন করবে।২. পরবর্তী বছর মুসলমানগণ হজ করতে পারবে। কিন্তু তিন দিনের বেশি মক্কায় অবস্থান করতে পারবে না।।৩. হজের উদ্দেশ্যে মুসলমানদের মক্কায় আগমনকালে তারা কেবল নিজ নিজ আত্মরক্ষার জন্য কোষবদ্ধ তরবারি ব্যতীত অন্য কোনো মরণাস্ত্র সাথে আনতে পারবে না।৪. মুসলমান ও কুরাইশদের মধ্যে পরবর্তী দশ বছর যুদ্ধ বন্ধ থাকবে।৫. কোনো কুরাইশ মদিনায় গেলে মুসলমানগণ তাকে ফেরত দিতে বাধ্য থাকবে।৬. আরবের যেকোনো গোত্র ইচ্ছা করলে মুসলমান বা কুরাইশদের সাথে সন্ধিসূত্রে আবদ্ধ হতে পারবে।৭. হজের সময় কুরাইশগণ মুসলমানদের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করবে।৮. মক্কার কোনো নাবালক তার অভিভাবকের পূর্ণ অনুমতি ছাড়া মুসলমানদের দলে যোগদান করলে তাকে ফেরত দিতে হবে । ৯. চুক্তির মেয়াদকালে জনসাধারণের পূর্ণ নিরাপত্তা রক্ষিত হবে এবং একে অপরের কোনো প্রকার ক্ষতিসাধন করতে পারবে না।১০. সন্ধির শর্তাবলি উভয় পক্ষকেই পরিপূর্ণভাবে পালন করতে হবে। সন্ধিটি লেখা শেষ হলে মুসলমানদের পক্ষে সাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষর করেন আবু বকর (রা), ওমন বিন খাত্তাব, আব্দুর রহমান বিন আউফ, সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস এবং কুরাইশদের পক্ষে সুহায়েল বিন আমর, মুকাররাম বিন হাফাস, হযরত আলী (রা) লেখক হিসেবে স্বাক্ষর করেন।পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকের ভার্সাই সন্ধির মাধ্যমে হুদাইবিয়ার সন্ধির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।

HSC Islamic History 1st paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকে বর্ণিত চুক্তিটি মুহাম্মদ (স.)-এর সময়ে স্বাক্ষরিত কোন চুক্ত…

উদ্দীপক

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষদিকে ১৯১৯ সালে ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে মিত্র শক্তি ও জার্মানির মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা শেষে একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ইতিহাসে এ চুক্তি ভার্সাই সন্ধি নামে পরিচিত। সন্ধিতে এমন কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছিল, যা ছিল অসম এবং জার্মানির জন্য অপমানজনক। কিন্তু তারপরও শান্তির স্বার্থে জার্মানি তা মেনে নেয়। চুক্তিটি জার্মানির ইতিহাসে অনেক তাৎপর্যপূর্ণ ছিল।

ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, কুমিল্লা · 2026

উত্তর

মহানবি হযরত মুহাম্মদ (সা.) ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেন।

উত্তর

২৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে হুদাইবিয়ার সন্ধির পূর্ব মুহূর্তে হযরত মুহাম্মদ (সা.) সমবেত সকল সাহাবিদের নিয়ে একটি বাবলা গাছের নিচে যে শপথ করেন তাকে বাইতুশ শাজারা। হযরত মুহাম্মদ (সা.) হিজরতের ৬ বছর পর ৬২৮ খ্রিস্টাব্দে ওমরা হজ পালনের জন্য মক্কাভিমুখে রওয়ানা হন। মক্কার কুরাইশরা এ সংবাদ পেয়ে মুসলমানদের বাধা প্রদান করলে তারা মক্কার ৯ মাইল দূরে হুদায়বিয়া নামক স্থানে শিবির স্থাপন করে। এ সময় সমঝোতার নিমিত্তে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা করার জন্য হযরত উসমান (রা.)-কে প্রেরণ করা হলে তার হত্যার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় হযরত উসমান (রা.)-এর হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণ ও মক্কায় ইসলাম প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সকল মুসলমানদের নিয়ে হযরত মুহাম্মদ (সা.) ইসলামের জন্য জীবন উৎসর্গের শপথ নেন, যা ইতিহাস বাইতুর রিজওয়ান বা বাইতুশ শাজারা নামে পরিচিত।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত চুক্তিটি মুহাম্মদ (সা.)-এর সময়ে স্বাক্ষরিত হুদাইবিয়ার চুক্তির প্রতি ইঙ্গিত করে।উদ্দীপকে দেখা যায়, দীর্ঘ আলোচনার পর ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে ১৯১৯ সালে মিত্র শক্তি ও জার্মানির মধ্যে একটি সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়। ইতিহাসে যা ভার্সাই সন্ধি নামে পরিচিত। ৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে মহানবি (সা.) কুরাইশদের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন, যা ইতিহাসে হুদাইবিয়ার চুক্তি নামে পরিচিত। এ চুক্তির প্রধান প্রধান শর্ত হলো-১. এ বছর অর্থাৎ সন্ধির বছর মুসলমানগণ হজ না করে মদিনায় প্রত্যাবর্তন করবে।২. পরবর্তী বছর মুসলমানগণ হজ করতে পারবে। কিন্তু তিন দিনের বেশি মক্কায় অবস্থান করতে পারবে না।।৩. হজের উদ্দেশ্যে মুসলমানদের মক্কায় আগমনকালে তারা কেবল নিজ নিজ আত্মরক্ষার জন্য কোষবদ্ধ তরবারি ব্যতীত অন্য কোনো মরণাস্ত্র সাথে আনতে পারবে না।৪. মুসলমান ও কুরাইশদের মধ্যে পরবর্তী দশ বছর যুদ্ধ বন্ধ থাকবে।৫. কোনো কুরাইশ মদিনায় গেলে মুসলমানগণ তাকে ফেরত দিতে বাধ্য থাকবে।৬. আরবের যেকোনো গোত্র ইচ্ছা করলে মুসলমান বা কুরাইশদের সাথে সন্ধিসূত্রে আবদ্ধ হতে পারবে।৭. হজের সময় কুরাইশগণ মুসলমানদের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করবে।৮. মক্কার কোনো নাবালক তার অভিভাবকের পূর্ণ অনুমতি ছাড়া মুসলমানদের দলে যোগদান করলে তাকে ফেরত দিতে হবে । ৯. চুক্তির মেয়াদকালে জনসাধারণের পূর্ণ নিরাপত্তা রক্ষিত হবে এবং একে অপরের কোনো প্রকার ক্ষতিসাধন করতে পারবে না।১০. সন্ধির শর্তাবলি উভয় পক্ষকেই পরিপূর্ণভাবে পালন করতে হবে। সন্ধিটি লেখা শেষ হলে মুসলমানদের পক্ষে সাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষর করেন আবু বকর (রা), ওমন বিন খাত্তাব, আব্দুর রহমান বিন আউফ, সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস এবং কুরাইশদের পক্ষে সুহায়েল বিন আমর, মুকাররাম বিন হাফাস, হযরত আলী (রা) লেখক হিসেবে স্বাক্ষর করেন।পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকের ভার্সাই সন্ধির মাধ্যমে হুদাইবিয়ার সন্ধির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।

উত্তর

ইসলামের ইতিহাসে ৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে সম্পাদিত হুদাইবিয়ার সন্ধির গুরুত্ব অপরিসীম।আরবে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ও ইসলামের প্রসারে হুদাইবিয়ার সন্ধির গুরুত্ব ব্যাপক। এ সন্ধির মাধ্যমেই মক্কার কুরাইশরা ইসলামকে ধর্ম এবং মহানবি (সা.) কে মুসলমানদের অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। হুদাইবিয়ার সন্ধির ফলে সমগ্র আরবের মানুষ মুসলমানদের সাথে মেলামেশার সুযোগ পেলে ইসলাম দ্রুত প্রসার লাভ করে। এ সন্ধির পরই দুজন বীরশ্রেষ্ঠ সেনাপতি আমর বিন আল আস ও খালিদ বিন ওয়ালিদ ইসলাম গ্রহণ করেন। ঐতিহাসিক ইবনে হিশাম বলেন, মুহাম্মদ (সা.) যেখানে ১৪০০ সাহাবি নিয়ে হুদাইবিয়া গিয়েছিলেন। সেখানে দুই বছর ১০ হাজার সাহাবি নিয়ে মক্কা বিজয় করেন। হুদাইবিয়া থেকে ফিরে এসে মহানবি (সা.) পারস্য, মিশর, আবিসিনিয়া, ইয়ামেন, ওমানসহ বিভিন্ন দেশের রাজাদের নিকট ইসলামের দাওয়াতপত্র প্রেরণ করে। ফলে ইসলামের পরিচিতি বিশ্বময়তা লাভ করে। হযরত আবু বকর (রা.) বলেন, "হুদাইবিয়া সন্ধির ফলে আমরা যেরূপ জয়ী হয়েছিলাম, সেরূপ কখনো হয়নি।” সৈয়দ আমীর আলী বলেন, বিশ্বাসীদের গভীর আত্মসংযম ও সন্ধির প্রতি পূর্ণ সম্মান প্রদর্শন ইসলামের শত্রুদের মনে গভীর রেখাপাত করে। তাই আল্লাহ এ সন্ধির গুরুত্ব ও তাৎপর্য এবং সুদূরপ্রসারী ফলাফল বর্ণনা করে পবিত্র কুরআনে একে ফাতহুম মুবিন বা মহাবিজয় বলে আখ্যায়িত করেছেন।পরিশেষে বলা যায়, আপাতত স্বার্থবিরোধী হলেও হুদাইবিয়ার সন্ধি মুসলমানদের জন্য ব্যাপক সুফল বয়ে এনেছিল।
HSCIslamic History 1st paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা আরোহণের পশ্চাতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন ফুয়াদ পাশা। পরবর্তীতে ফুয়াদ পাশার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা সুলতানের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়। অবশেষে তিনি কৌশলে ফুয়াদ পাশাকে হত্যা করেন।Q. উদ্দীপকে নির্দেশিত উত্ত হত্যাকাণ্ডের পশ্চাতে নিহিত ছিল-
i. ক্ষমতা লিন্সা
ii. প্রতিহিংসা
iii. প্রতিদ্বন্দ্বিতানিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা আরোহণের পশ্চাতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন ফুয়াদ পাশা। পরবর্তীতে ফুয়াদ পাশার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা সুলতানের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়। অবশেষে তিনি কৌশলে ফুয়াদ পাশাকে হত্যা করেন।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত ফুয়াদ পাশার সাথে হত্যাকান্ডের শিকার কোন চরিত্রের মিল রয়েছে?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'কুব্বাতুস সাখরা' কে নির্মাণ করেন?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী কোথায় ছিল?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.আরব দেশকে 'জাজিরাতুল আরব' বলার কারণ কী?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.কত খ্রিষ্টাব্দে স্পেনে উমাইয়া খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মদিনায় হিজরত মুসলমানদের জীবনে যে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছিল তা হলো-
i. মর্যাদা প্রতিষ্ঠা
ii. উম্মাহ গঠন
iii. রাষ্ট্রগঠননিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কোন উমাইয়া খলিফাকে 'সাধুপুরুষ' বলা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.উমাইয়া শাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল-
i. সাম্রাজ্য বিস্তার
ii. জ্ঞান-বিজ্ঞানের সম্প্রসারণ
iii. স্থাপত্য শিল্পের বিকাশনিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.জুমাতুল জন্দলের সালিস বৈঠকের ফলে-
i. মুসলিম ঐক্য বিনষ্ট হয়
ii. খলিফার মর্যাদা ক্ষুণœ হয়
iii. খারিজিদের উৎপত্তি হয়নিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উদ্দীপকটি পড়ে উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি ভালো আচরণ করা হয়েছিল এবং মুক্তিপণের মাধ্যমে তাদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।Q.বন্দিদের প্রতি উক্ত যুদ্ধের শিক্ষা হচ্ছে-
i. মানবিক আচরণ করা
ii. সহজশর্তে মুক্তি দেওয়া
iii. সারা জীবন বন্দি রাখানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি ভালো আচরণ করা হয়েছিল এবং মুক্তিপণের মাধ্যমে তাদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনাটির ইসলামের ইতিহাসের কোন যুদ্ধের মিল আছে?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা 'কুব্বাতুস সাখরা' কে নির্মাণ করেন?উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী কোথায় ছিল?আরব দেশকে 'জাজিরাতুল আরব' বলার কারণ কী?কত খ্রিষ্টাব্দে স্পেনে উমাইয়া খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মদিনায় হিজরত মুসলমানদের জীবনে যে ইতিবাচক পরিবর্তন কোন উমাইয়া খলিফাকে 'সাধুপুরুষ' বলা হয়?উমাইয়া শাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল-i. সাম্রাজ্য বিস্তারii. জ্ঞান-বিজ্ঞানের সম্প্জুমাতুল জন্দলের সালিস বৈঠকের ফলে-i. মুসলিম ঐক্য বিনষ্ট হয়ii. খলিফার মর্যাদা ক্ষউদ্দীপকটি পড়ে উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখ

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।