উদ্দীপকের আলোকে খলিফা আবদুল মালিকের ভাষা সংস্কারের উদ্দেশ্য ও ফলাফলের বৈসাদৃশ্য নিরূপণ কর।
উত্তর: উদ্দীপকের সাথে খলিফা আবদুল মালিকের ভাষা সংস্কারের উদ্দেশ্য ও ফলাফলের বৈসাদৃশ্য রয়েছে। উদ্দীপকের ব্রিটিশ সরকার রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম পরিচালনায় মূলত তারা ভারতের প্রচলিত ভাষার পরিবর্তে তাদের নিজস্ব জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে ভাষা সংস্কার করেন। ব্রিটিশদের ইংরেজি ভাষা প্রচলনের ফলে ইংরেজি না জানা অনেকে চাকরি হারালেও আব্দুল মালিকের সময়ে তা হয়নি। কেননা তিনি সরকারি চাকরিজীবীদের আরবি ভাষা শেখার প্রশিক্ষণ দেন এবং তারা দ্রুত আরবি ভাষা শিক্ষা লাভ' করে চাকরিতে বহাল থাকে। আব্দুল মালিক সমগ্র রাজ্যে শাসনব্যবস্থাকে সুসামঞ্জস্যভাবে পরিচালিত 'করার জন্য একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করলেন। তিনি অনুধাবন করেছিলেন সমগ্র সাম্রাজ্যে একটি কেন্দ্রীয় ভাষা থাকা প্রয়োজন, যার মাধ্যমে শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হবে। এ কেন্দ্রীয় ভাষারূপে তিনি তার মাতৃভাষা আরবিকে গ্রহণ করেন এবং আরবি ভাষার মাধ্যমে সমগ্র দেশের শাসনব্যবস্থাকে পরিচালনা করার জন্য উপযুক্ত যোগ্য ব্যক্তিদের দ্বারা একটি প্রশিক্ষণ শিবির, খোলেন। যে প্রশিক্ষণ শিবির অসংখ্য যোগ্য প্রশাসকের জন্ম দেয়। অতঃপর ৬৯৬-৯৭ খ্রিষ্টাব্দে আরবি ভাষাকে সমগ্র সাম্রাজ্যের সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা করেন। ব্রিটিশরা ভারতে তাদের ভাষা চাপিয়ে দেয় এবং অনেক মুসলমান ইংরেজি না জানায় চাকরি হারায়। কিন্তু আব্দুল মালিক আরব জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠার জন্য সমগ্র খিলাফতে আরবি ভাষা চালু করেন। তার সময়ে কেউ আরবি না জানায় চাকরি হারায়নি। পরিশেষে বলা যায়, ব্রিটিশদের ভাষা সংস্কারের উদ্দেশ্য ও ফলাফলে বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।
HSC Islamic History 1st paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 1st paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকের আলোকে খলিফা আবদুল মালিকের ভাষা সংস্কারের উদ্দেশ্য ও ফলাফল…
উদ্দীপক
Rajshahi · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর