উদ্দীপকের আলোকে আমির মুয়াবিয়ার রাষ্ট্রীয় পত্রাদি সংরক্ষণ ও আদান-প্রদানের কার্যক্রম বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: আমির মুয়াবিয়ার রাষ্ট্রীয় পত্রাদি সংরক্ষণ ও আদান-প্রদানের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য দিওয়ান-আল-খাতাম বা রেজিস্ট্রি বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। ইলখানি সুলতান গাজান খান যেমন সরকারি পত্রাবলি প্রস্তুত ও প্রেরণের জন্য একটি পৃথক দপ্তর সৃষ্টি করেছিলেন। মূলত সরকারি পত্রাদির জাল প্রতিরোধ করার জন্যই তার ব্যবস্থা কার্যকর ছিল। তেমনি খলিফা মুয়াবিয়া শাসনব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনয়ন এবং শাসনকে গতিশীল করার জন্য 'দিওয়ান-আল-খাতাম' বা রেজিস্ট্রি বিভাগ' নামে একটি বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। এ বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার পদবি ছিল সাহিব-উল-খাতাম। খলিফার সকল আদেশ এ বিভাগে রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হতো। আবার প্রদেশ থেকে যত সরকারি দলিলপত্র আসত এ বিভাগে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর খলিফার নিকট পৌঁছাত। এতে খলিফার আদেশপত্র বিকৃতি করার সুযোগ রহিত হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে প্রাদেশিক সরকারের লিখিত সংযোগ সাধনের জন্য এ বিভাগ কাজ করে। কেন্দ্রীয় সরকার যেসব হুকুমনামা প্রাদেশিক সরকারকে প্রদান করত সেগুলো যেন জাল না হয় এবং ভালোভাবে সংরক্ষণ করা যায় সেজন্য মুয়াবিয়া এ বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। এর ফলে সরকারি হুকুমনামা ও চিঠিপত্রাদির জালিয়াতি ও বিকৃতি রোধ করা সম্ভব হয়। তাই আমি মুয়াবিয়া ইলখানি সুলতান গাজান খানের মতো রাষ্ট্রীয় পত্রাদি সংরক্ষণ ও আদান-প্রদান কার্যক্রমে গতি আনেন দিওয়ান-আল-খাতাম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।
HSC Islamic History 1st paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 1st paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকের আলোকে আমির মুয়াবিয়ার রাষ্ট্রীয় পত্রাদি সংরক্ষণ ও আদান-প্র…
উদ্দীপক
Rajshahi · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর