শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের ভক্ত শ্রেণির সাথে কুফার 'অনুশোচনাকারী' দলটির সামঞ্জস্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের ভক্ত শ্রেণির সাথে কুফার 'অনুশোচনাকারী' দলটির সামঞ্জস্য রয়েছে। কুফাবাসীরা হযরত হোসাইনকে কারবালা প্রান্তরে একাকী ছেড়ে দেয় এবং ইমাম হোসাইন কারবালা প্রান্তরে শহিদ হন। পরবর্তীকালে এ অস্থিরমতি অবিশ্বাসী কুফাবাসীগণ খুবই অনুতপ্ত হন। তাই তাদের তাওয়াবুন বা অনুশোচনাকারী বলা হয়। পরে তারা একদিন কারবালা প্রান্তরে ইমাম হোসাইনের সমাধিতে একত্রিত হয়ে সারারাত্রি চরম অনুশোচনার সাথে বিলাপ করেন। অতঃপর তারা সিরিয়াবাসীগণকে আক্রমণ করলে খলিফার সৈন্যবাহিনী তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেন। এ দলের নেতৃত্বে ছিলেন মুখতার, অসংখ্য মানুষ তার দলে যোগদান করে। এভাবে কুফা তারই করতলগত হয়। তিনি কুফার শাসনকর্তার মর্যাদা লাভ করেন। আল মুখতার ছিলেন আবু বকর (রা.)-এর সেনাপতি আবু উবায়দার পুত্র। তিনি শিয়া মতাবলম্বী এবং ইমাম হাসানের সহচর ছিলেন। তিনি কারবালা হত্যাকান্ডের প্রতিশোধ গ্রহণকারী হিসেবে 'প্রায়শ্চিত্তকারী' দলে যোগ দেন। মুখতার এ দলের সাহায্যে ইরাক ও পারস্য নিজের প্রভাব বিস্তার করতে থাকেন। একসময় তিনি মক্কায় নিজেকে খলিফা ঘোষণাকারী আবদুল্লাহ ইবনে জুবায়েরের সাথে সম্ভাব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। কিন্তু আবদুল্লাহ তাকে ফন্দিবাজ ভেবে তার সাথে ঘনিষ্ঠতা করেননি। খলিফা আবদুল মালিক এ পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য 'ওবায়দুল্লাহ ইবন জিয়াদকে মুখতারের বিরুদ্ধে পাঠান। ৬৮৬ খ্রিস্টাব্দে জাব নদীর তীরে উভয়পক্ষের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধ প্রথম জাবের যুদ্ধ নামে পরিচিত। এ যুদ্ধে আবদুল মালিকের সেনাপতি ওবায়দুল্লাহ নিহত হন এবং সীমার ও ওবায়দুল্লাহকে হত্যা করে ইমাম হোসেনের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হয়। জাবের যুদ্ধে জয়লাভের পর মুখতার মেসোপটেমিয়া দখল করলে আবদুল্লাহ ভ্রাতা মুসাবকে মুখতারের বিরুদ্ধে পাঠালে ৬৮৭ খ্রিষ্টাব্দে মুসাব তাকে পরাজিত ও হত্যা করেন। ফলে অনুশোচনাকারী দল নিঃশেষ হয়ে যায়।

HSC Islamic History 1st paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকের ভক্ত শ্রেণির সাথে কুফার 'অনুশোচনাকারী' দলটির সামঞ্জস্য ব্…

উদ্দীপক

যোগ্যতম একজন সাধু যখন একটি শহরে এসে ক্ষমতাসীনদের রোষানলে পড়ে নিহত হন তখন ঐ শহরের তাঁর ভক্ত শ্রেণির অধিকাংশ তাকে ত্যাগ করেন। অথচ শাসক বদল হলে পরবর্তীতে এই ভক্ত শ্রেণি ঐ সাধু ব্যক্তির নামে দল গঠন করে এবং হত্যার প্রতিশোধ নেয়। নতুন শাসক উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাদের কঠোর হাতে দমন করেন। শাসক নিজ বংশের ক্ষমতা স্থায়ীকরণ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে সমগ্র দেশে একই মুদ্রা ও একই ভাষা প্রবর্তনের ব্যবস্থা করেন। তিনি রাজস্ব নীতিতেও পরিবর্তন এনে রাজকোষ সমৃদ্ধ করেন।

Dhaka · 2025

উত্তর

ইসলামের ইতিহাসে আব্দুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বা 'Father of KingsKings^{\prime} বলা হয়।

উত্তর

হাজ্জাজ বিন ইউসুফ একজন শ্রেষ্ঠতম উমাইয়া প্রশাসক। তিনি আব্দুল মালিক ও ওয়ালিদের খিলাফতকালে উমাইয়া শাসন সুরক্ষায় অনন্য অবদান রাখেন। এ খ্যাতিমান পুরুষ মক্কার পার্শ্ববর্তী তায়েফ নগরীর অধিবাসী ছিলেন। তিনি সম্ভবত ৬৬১ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি স্বীয় যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার ফলে উমাইয়া বংশকে বিপদমুক্ত করেন এবং বিভিন্ন সময়ে তিনি হিজাজ, ইরাক ও পূর্বাঞ্চলের শাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ভারতসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল জয় করেন। তিনি রাজস্বব্যবস্থা সংস্কার ও কৃষি উন্নয়নে ভূমিকা পালন করেন। তার পৃষ্ঠপোষকতায় শিল্প, শিক্ষা ও সংস্কৃতির যথেষ্ট উন্নতি সাধিত হয়েছিল। তার শাসনব্যবস্থা ও চিন্তা উমাইয়া সাম্রাজ্যে এক নবযুগের সূচনা করে।

উত্তর

উদ্দীপকের ভক্ত শ্রেণির সাথে কুফার 'অনুশোচনাকারী' দলটির সামঞ্জস্য রয়েছে। কুফাবাসীরা হযরত হোসাইনকে কারবালা প্রান্তরে একাকী ছেড়ে দেয় এবং ইমাম হোসাইন কারবালা প্রান্তরে শহিদ হন। পরবর্তীকালে এ অস্থিরমতি অবিশ্বাসী কুফাবাসীগণ খুবই অনুতপ্ত হন। তাই তাদের তাওয়াবুন বা অনুশোচনাকারী বলা হয়। পরে তারা একদিন কারবালা প্রান্তরে ইমাম হোসাইনের সমাধিতে একত্রিত হয়ে সারারাত্রি চরম অনুশোচনার সাথে বিলাপ করেন। অতঃপর তারা সিরিয়াবাসীগণকে আক্রমণ করলে খলিফার সৈন্যবাহিনী তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেন। এ দলের নেতৃত্বে ছিলেন মুখতার, অসংখ্য মানুষ তার দলে যোগদান করে। এভাবে কুফা তারই করতলগত হয়। তিনি কুফার শাসনকর্তার মর্যাদা লাভ করেন। আল মুখতার ছিলেন আবু বকর (রা.)-এর সেনাপতি আবু উবায়দার পুত্র। তিনি শিয়া মতাবলম্বী এবং ইমাম হাসানের সহচর ছিলেন। তিনি কারবালা হত্যাকান্ডের প্রতিশোধ গ্রহণকারী হিসেবে 'প্রায়শ্চিত্তকারী' দলে যোগ দেন। মুখতার এ দলের সাহায্যে ইরাক ও পারস্য নিজের প্রভাব বিস্তার করতে থাকেন। একসময় তিনি মক্কায় নিজেকে খলিফা ঘোষণাকারী আবদুল্লাহ ইবনে জুবায়েরের সাথে সম্ভাব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। কিন্তু আবদুল্লাহ তাকে ফন্দিবাজ ভেবে তার সাথে ঘনিষ্ঠতা করেননি। খলিফা আবদুল মালিক এ পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য 'ওবায়দুল্লাহ ইবন জিয়াদকে মুখতারের বিরুদ্ধে পাঠান। ৬৮৬ খ্রিস্টাব্দে জাব নদীর তীরে উভয়পক্ষের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধ প্রথম জাবের যুদ্ধ নামে পরিচিত। এ যুদ্ধে আবদুল মালিকের সেনাপতি ওবায়দুল্লাহ নিহত হন এবং সীমার ও ওবায়দুল্লাহকে হত্যা করে ইমাম হোসেনের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হয়। জাবের যুদ্ধে জয়লাভের পর মুখতার মেসোপটেমিয়া দখল করলে আবদুল্লাহ ভ্রাতা মুসাবকে মুখতারের বিরুদ্ধে পাঠালে ৬৮৭ খ্রিষ্টাব্দে মুসাব তাকে পরাজিত ও হত্যা করেন। ফলে অনুশোচনাকারী দল নিঃশেষ হয়ে যায়।

উত্তর

খলিফা আব্দুল মালিকের শাসন সংস্কার তথা আরবি ভাষার উন্নয়ন, ডাক বিভাগের সংস্কার, আরবি মুদ্রার প্রচলন, রাজস্ব সংস্কার প্রভৃতি কর্মকাণ্ড উমাইয়া বংশের ভিত মজবুতকরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন। আব্দুল মালিক ভাষা সংস্কার করার জন্য প্রথমে সরকারি অফিসে আরবি ভাষা প্রবর্তন করেন। তিনি ৬৯৬-৯৭ সালে সরকারি সকল কাজে আরবি ভাষা ব্যবহার করার নির্দেশ দেন। যার ফলে সকল কাগজপত্র আরবি ভাষায় সংরক্ষণ করা হয়। সমগ্র খিলাফতে একই রূপ শাসনব্যবস্থা পরিচালনা এবং ভাষার ভিন্নতার কারণে যেসব অসুবিধা ছিল তা দূরীভূত হয়। আবুল মালিকের সময়ে আরবি লিপির উৎকর্ষ সাধন করা হয়। তিনি হাজ্জাজ-বিন ইউসুফের সহযোগিতায় আরবি হরফে নোকতার প্রচলন করেন। আবুল মালিক মুদ্রাব্যবস্থার ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন এবং সর্বপ্রথম খাঁটি আরবি মুদ্রা প্রচলন করেন। জাতীয় মুদ্রা প্রচলনের জন্য তিনি ৬৯৫ সালে দামেস্কে একটি কেন্দ্রীয় টাকশাল স্থাপন করেন। তার সময়ে দিনার, দিরহাম ও ফালস নামের স্বর্ণ, রৌপ্য ও তাম্রমুদ্রার প্রচলন করা হয়। মুদ্রাগুলোকে জাতীয়করণের জন্য ক্রসের পরিবর্তে আরবি বর্ণমালা লেখা হয়। আবুল মালিক রাজস্বব্যবস্থার ব্যাপক সংস্কার করেন। তিনি মাওয়ালিদের ওপর খারাজ ও জিজিয়া কর ধার্য করেন। তিনি ডাক বিভাগের সংস্কার করেন এবং ডাকচৌকি নির্মাণ করেন। তাছাড়া তিনি দামেস্কে মহাফেজখানা প্রতিষ্ঠা করে রেজিস্ট্রি বিভাগের সংস্কার করেন। দিওয়ানুল রাসায়েলে সকল চিঠিপত্র সংরক্ষিত থাকত। তিনি বিচার বিভাগের সংস্কার হিসেবে দিওয়ানুল কাফ প্রতিষ্ঠা করেন। পরিশেষে বলা যায়, আবুল মালিক শাসন সংস্কার, রাজস্ব সংস্কার, ভাষা ও মুদ্রা সংস্কারের মাধ্যমে অমরত্ব লাভ করেন।
HSCIslamic History 1st paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা আরোহণের পশ্চাতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন ফুয়াদ পাশা। পরবর্তীতে ফুয়াদ পাশার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা সুলতানের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়। অবশেষে তিনি কৌশলে ফুয়াদ পাশাকে হত্যা করেন।Q. উদ্দীপকে নির্দেশিত উত্ত হত্যাকাণ্ডের পশ্চাতে নিহিত ছিল-
i. ক্ষমতা লিন্সা
ii. প্রতিহিংসা
iii. প্রতিদ্বন্দ্বিতানিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা আরোহণের পশ্চাতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন ফুয়াদ পাশা। পরবর্তীতে ফুয়াদ পাশার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা সুলতানের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়। অবশেষে তিনি কৌশলে ফুয়াদ পাশাকে হত্যা করেন।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত ফুয়াদ পাশার সাথে হত্যাকান্ডের শিকার কোন চরিত্রের মিল রয়েছে?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'কুব্বাতুস সাখরা' কে নির্মাণ করেন?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী কোথায় ছিল?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.আরব দেশকে 'জাজিরাতুল আরব' বলার কারণ কী?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.কত খ্রিষ্টাব্দে স্পেনে উমাইয়া খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মদিনায় হিজরত মুসলমানদের জীবনে যে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছিল তা হলো-
i. মর্যাদা প্রতিষ্ঠা
ii. উম্মাহ গঠন
iii. রাষ্ট্রগঠননিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কোন উমাইয়া খলিফাকে 'সাধুপুরুষ' বলা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.উমাইয়া শাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল-
i. সাম্রাজ্য বিস্তার
ii. জ্ঞান-বিজ্ঞানের সম্প্রসারণ
iii. স্থাপত্য শিল্পের বিকাশনিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.জুমাতুল জন্দলের সালিস বৈঠকের ফলে-
i. মুসলিম ঐক্য বিনষ্ট হয়
ii. খলিফার মর্যাদা ক্ষুণœ হয়
iii. খারিজিদের উৎপত্তি হয়নিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উদ্দীপকটি পড়ে উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি ভালো আচরণ করা হয়েছিল এবং মুক্তিপণের মাধ্যমে তাদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।Q.বন্দিদের প্রতি উক্ত যুদ্ধের শিক্ষা হচ্ছে-
i. মানবিক আচরণ করা
ii. সহজশর্তে মুক্তি দেওয়া
iii. সারা জীবন বন্দি রাখানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি ভালো আচরণ করা হয়েছিল এবং মুক্তিপণের মাধ্যমে তাদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনাটির ইসলামের ইতিহাসের কোন যুদ্ধের মিল আছে?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা 'কুব্বাতুস সাখরা' কে নির্মাণ করেন?উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী কোথায় ছিল?আরব দেশকে 'জাজিরাতুল আরব' বলার কারণ কী?কত খ্রিষ্টাব্দে স্পেনে উমাইয়া খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মদিনায় হিজরত মুসলমানদের জীবনে যে ইতিবাচক পরিবর্তন কোন উমাইয়া খলিফাকে 'সাধুপুরুষ' বলা হয়?উমাইয়া শাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল-i. সাম্রাজ্য বিস্তারii. জ্ঞান-বিজ্ঞানের সম্প্জুমাতুল জন্দলের সালিস বৈঠকের ফলে-i. মুসলিম ঐক্য বিনষ্ট হয়ii. খলিফার মর্যাদা ক্ষউদ্দীপকটি পড়ে উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখ

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।