উদ্দীপকে উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যে উক্ত খলিফার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য আংশিক ফুটে উঠেছে— তোমার উত্তরের পক্ষে মতামত দাও।
উত্তর: হ্যাঁ, আমি মনে করি উদ্দীপকে উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যে উক্ত খলিফার অর্থাৎ আল মুইজের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য আংশিক ফুটে উঠেছে। :উদ্দীপকে উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যাবলি ছাড়াও খলিফা আল মুইজের মাঝে আরও অনেক অনন্য বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান ছিল। খলিফা আল মুইজ 'ছিলেন অমায়িক, দয়ালু এবং মার্জিত রুচিসম্পন্ন। তিনি খলিফা হবার পর পরই সাম্রাজ্যের সর্বত্র পরিভ্রমণ করে দেশের অবস্থা সম্বন্ধে সম্যক উপলব্ধি করে শান্তি প্রতিষ্ঠার সুচিন্তিত পরিকল্পনা ও দৃঢ় নীতি গ্রহণ করেন। তিনি একদিকে ছিলেন সুদক্ষ শাসক, বলিষ্ঠের নেতৃত্বের অধিকারী, অন্যদিকে ছিলেন সুশিক্ষিত, সুবক্তা ও বহু ভাষাবিদ। আরবি ও সুদানি ভাষায় তিনি পণ্ডিত ছিলেন। আল মুইজ আরবি ভাষায় সুন্দর কবিতা রচনা করতেন। আল মুইজের সুদক্ষ শাসনে এবং বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ফাতেমি শক্তি বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়। লেনপুল বলেন, “মিশর বিজয় তাঁর জীবনের লক্ষ্য ছিল এবং মিশরকে একটি সমৃদ্ধশালী নগরে পরিণত করাই ছিল তার জীবনের স্বপ্ন।” ৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে আল মুইজের নেতৃত্বে মিশর বিজয় হয়। শুধু তাই নয়, তিনি ৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে মরক্কো এবং ৯৬৬ খ্রিস্টাব্দে সিসিলি জয় করেন। সুদীর্ঘ ২৩ বছর গৌরবময় রাজত্বের পর খলিফা আল মুইজ ৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।আল মুইজের বংশের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন ঐতিহাসিকগণও তাকে জ্ঞান উৎসাহী, বীর রাজা, বিজ্ঞান ও দর্শনে পারদর্শী এবং শিল্প ও বিদ্যার উদার পৃষ্ঠপোষক বলে বর্ণনা করেছেন। ঐতিহাসিক আমীর আলী বলেন, “তিনি নিঃসন্দেহে পাশ্চাত্যের মামুন ছিলেন এবং তাঁর শাসনকালে উত্তর আফ্রিকা সভ্যতা ও সমৃদ্ধির উচ্চশিখরে আরোহণ করে।” পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যে আল মুইজের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য আংশিক ফুটে উঠেছে। এছাড়া আল মুইজের চরিত্রে উপরিউক্ত বৈশিষ্ট্যাবলি লক্ষ করা যায়।
HSC Islamic History 1st paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 1st paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকে উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যে উক্ত খলিফার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য আংশিক …
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর