উক্ত প্রচারকের করুণ পরিণতির যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উক্ত প্রচারক অর্থাৎ আবু আবদুল্লাহ আস-শিয়ীর কর্মকান্ডের দরুন তার করুণ পরিণতির (মৃত্যুর) যৌক্তিকতা রয়েছে। উত্তর আফ্রিকার ফাতেমি খিলাফত প্রতিষ্ঠায় আবু আব্দুল্লাহ ও তার ভাই আব্বাসের সবচেয়ে বেশি অবদান ছিল। আবু আবদুল্লাহর উদ্দেশ্য ছিল মানব জাতিকে ধর্মীয় বন্ধন থেকে মুক্ত করে নরনারীর অবাধ মিলন প্রতিষ্ঠা করা এবং মাহদীকে, পুতুল খলিফা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে নিজের উদ্দেশ্য হাসিল করা। কিন্তু মাহদীর পক্ষে এরূপ অন্যায় আচরণ সমর্থন না করা সম্ভব হয়নি। তাছাড়া তার আধিপত্য দেখে তিনি মাহদীকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। দূরদর্শী মাহদী তা বুঝতে পেরে আবু আবদুল্লাহ ও তার ভাই আব্বাসকে হত্যা করেন। তাদের হত্যাকে কেন্দ্র করে কায়রোয়ানে বিদ্রোহ দেখা দেয়। তিনি কঠোর হস্তে বিদ্রোহীদের দমন করেন। আবদুল্লাহ বিদ্রোহ দমনের পরেই তিহরাতের পার্বত্য অঞ্চলের একাধিক জায়গায় খারিজিরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। মাহদী কাতামা গোত্রের সুযোগ্য সেনাপতি আবুবা বিন ইউসুফের সাহায্যে তাদের কঠোর হস্তে দমন করে সাম্রাজ্যে শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন। পরিশেষে বলা যায়, যদিও ফাতেমি খিলাফত প্রতিষ্ঠায় আবু আব্দুল্লাহ ও তার ভাই ব্যাপক অবদান রাখেন, কিন্তু সাম্রাজ্যে বিদ্রোহ দমন করে শান্তি আনয়ন, সাম্রাজ্যের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা প্রভৃতির জন্য খলিফার এরূপ সিন্ধান্ত অত্যন্ত যৌক্তিক ছিল।
HSC Islamic History 1st paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 1st paper · সৃজনশীল
উক্ত প্রচারকের করুণ পরিণতির যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর