শেয়ারFacebookWhatsApp

"অতিথি ভবনটি ছিল স্থাপত্য ও শিল্পকলার নিদর্শন" আলজোহরা প্রাসাদের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর: বৈদেশিক অতিথিদের জন্য ব্যবহৃত প্রাসাদটির সাথে আলজোহরা প্রাসাদের যথেষ্ট মিল রয়েছে। বহু প্রশংসিত আল-জোহরা প্রাসাদ ৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বর মাসে সিয়েরার মারনার নাব্য অঞ্চলে কডোর্ভার তিন মাইল পশ্চিমে জাবানুল উত্তুসে নির্মিত হয়। খলিফা তৃতীয় আবদুর রহমান তার প্রিয়তম উপপত্নী সুন্দরী শ্রেষ্ঠা আল-জোহরার স্মরণে প্রাসাদটি নির্মাণ করেন এবং তার নামানুসারে নাম দেন 'আল-জোহরা প্রাসাদ'। এর প্রধান অংশ নির্মাণে সময় লাগে পনের বছর। অবশিষ্ট অংশের নির্মাণ কাজ সমাধান করতে আরও পঁচিশ বছর সময় লাগে। অর্থাৎ তৃতীয় আবদুর রহমান কর্তৃক এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে এবং ৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে দ্বিতীয় আল-হাকামের শাসনামলে সমাপ্ত হয়। আল-জোহরা। প্রাসাদ ২৮০ একর জুড়ে বিস্তৃত এক স্থানে গড়ে ওঠে। এর নির্মাণ কাজে ১০,০০০ শ্রমিক, ১,৮০০ ভারবাহী জানোয়ার প্রতিদিন ব্যবহৃত হতো। এটি নির্মাণে খলিফা তৃতীয় আবদুর রহমান ৫০,০০,০০০। দিনার ব্যয় করেন। গড়ে প্রতিবছর এর নির্মাণ কাজে ১,২০,০০০ দিনার ব্যয় হতো। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান হতে সংগৃহীত সাদা, মণি রং, গোলাপি, সবুজ প্রভৃতি বিভিন্ন বর্গের মার্বেল দ্বারা এটি প্রস্তুত করা হয়। আল-জোহরা প্রাসাদ তিনটি নিম্নগামী ছাদ দ্বারা বিভক্ত ছিল। উপরের ছাদে একটি হেরেমখানা, একটি অন্দর মহল এবং একটি দুর্গ ছিল। এছাড়াও আল-হামরা জামে মসজিদ ও অভ্যর্থনা কক্ষ এ ছাদে অবস্থিত ছিল। দাসদাসীদের বসবাসের জন্য নিম্ন ছাদে গৃহ ছিল। মধ্য ছাদে বাগান, ছায়াঘেরা কুঞ্জবন ও জলকেলির জলাশয় ছিল। এ প্রাসাদের প্রবেশ পথ ছিল ৭৫০টি এবং খাম্বা ছিল ৪,৩১৬টি। এর ভেতরের ছোট স্নানাগারটি বহু মূল্যবান রত্ন ও মণিমুক্তাখচিত বারটি স্বর্ণমূর্তি পরিবেষ্টিত ছিল। এর উপরে চিত্রিত ছিল সিংহ, হরিণ, কুমির, ঈগল, ড্রাগন, ঘুঘু, বাজপাখি, মুরগি প্রভৃতির মূর্তি যাদের মুখ হতে অনবরত পানি নির্গত হতো। উপরিউক্ত আলোচনায় বলা যায়, ইতিহাসে আল-জোহরা প্রাসাদ একটি ব্যয়বহুল প্রাসাদ নামে খ্যাতি অর্জন করলেও এটি তৎকালীন আমলের শিল্প নিদর্শনের এক অমর কীর্তি।

HSC Islamic History 1st paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · সৃজনশীল

"অতিথি ভবনটি ছিল স্থাপত্য ও শিল্পকলার নিদর্শন" আলজোহরা প্রাসাদের বি…

উদ্দীপক

রহিম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চাকরি করে। প্রায় সময়ে সে দেখতে পায় অভ্যন্তরীণ কর্মকান্ডের সাথে বৈদেশিক বিষয়ক কর্মকান্ড এক রকম হয় না। সরকার আসে সরকার যায় কিন্তু রহিমের কাজের তেমন পরিবর্তন হয় না। বৈদেশিক কূটনৈতিকদের আতিথেয়তার জন্য যে প্রাসাদ বানানো হয়েছে তা অত্যন্ত চমৎকার। রাতের বেলা আলোকসজ্জার কারণে এই প্রাসাদটির সৌন্দর্য বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।

উত্তর

মুসা বিন নুসাইর ৬৪০ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।

উত্তর

প্রথম আবদুর রহমানের উত্তরাধিকারীদের দ্বারা সুসমৃদ্ধ কর্ডোভা ছিল সমসাময়িক যুগের জগৎমণি, অনুপম ও ঐশ্বর্যশালী এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী নগরী। মূর সভ্যতার প্রাণকেন্দ্র কর্ডোভার গৌরব ও বৈভব ছিল অতুলনীয়। এ নগরী ছিল সৌন্দর্যমন্ডিত ও সুরক্ষিত। উমাইয়া শাসনকালে কর্ডোভার দৈর্ঘ্য ২৪ মাইল, প্রশ্ন ৬ মাইল এবং ১৪ মাইল। পরিধিবিশিষ্ট ছিল। লোকসংখ্যা ছিল ১০ লক্ষ। এসময় কর্ডোভায় ৩০০ মসজিদ, ১০০ প্রাসাদ, ১৩,০০০ তাঁত শিল্প এবং ৩৮০টি হাম্মামখানা গড়ে উঠেছিল। অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, জমকালো আল-জোহরা প্রাসাদ, সমর প্রস্রবণ, পুষ্পোদ্যান ইত্যাদি কর্ডোভাকে এক অপরূপা নগরীতে পরিণত করেছিল। যার ফলে কর্ডোভা নগরীকে ইউরোপের বাতিঘর বলা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের রহিমের যাবতীয় কর্মকান্ড বৈদেশিক বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে। তাকে পররাষ্ট্রনীতি মেনে চলতে হয়। তার কার্যক্রমের সাথে তৃতীয় আবদুর রহমানের বৈদেশিক নীতির যথেষ্ট মিল রয়েছে। তৃতীয় আব্দুর রহমানের বৈদেশিক নীতির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল স্পেনের খ্রিস্টানদের ক্রমবর্ধমান শক্তিকে ধ্বংস করা। তার মনে সর্বদাই ভীতি সঞ্চারিত ছিল যে খ্রিষ্টানদের শক্তি তার রাজ্যে ধ্বংস ডেকে আনবে। তাই তিনি খ্রিষ্টানদের সকল আন্দোলন কঠোর হস্তে দমন করেন। তার আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক নীতি হলো ভূমধ্যসাগরে ফাতেমি নৌবহরের প্রভাব খর্ব করা। তিনি রাজ্যের শান্তিশৃঙ্খলা ধ্বংসকারী যেকোনো অপশক্তিকে সমুচিত শিক্ষা দিতে কুণ্ঠিত হতেন না। তবে তিনি তার স্বীয় সাম্রাজ্যে শান্তি ও সমৃদ্ধি আনয়নের লক্ষ্যে সকল রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করেন। তিনি ঐসব দেশের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করতেন যেসব দেশ কোনোদিন তার দেশের স্বার্থে আঘাত করবে না। তবে স্বীয় রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার জন্য তিনি অপর রাষ্ট্রকে আঘাত করতেও কুণ্ঠিত হতেন না। তাছাড়া তার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল ইউরোপীয় রাজন্যবর্গের সাথে মিত্রতা বজায় রাখা। তাই এতদুদ্দেশ্যে তিনি পার্শ্ববর্তী দেশের সাথে দূত বিনিময় করেন। তিনি শত্রুভাবাপন্ন নাভারি ও লিওঁবাসীদের আক্রমণ করে বশ্যতা স্বীকারে বাধ্য করেন। তার বৈদেশিক নীতিতে কূটনৈতিক দূরদর্শিতা প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি বহির্বিশ্বের সাথে মৈত্রীবন্ধন স্থাপনের লক্ষ্যে শক্তির ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করেন। তার মৈত্রীবন্ধন আহ্বানে সাড়া দিয়ে কনস্টান্টিনোপলের সম্রাট, জার্মান নৃপতি এবং ফ্রান্স ও ইতালির রাজাগণ তার দরবারে দূত প্রেরণ করেন।

উত্তর

বৈদেশিক অতিথিদের জন্য ব্যবহৃত প্রাসাদটির সাথে আলজোহরা প্রাসাদের যথেষ্ট মিল রয়েছে। বহু প্রশংসিত আল-জোহরা প্রাসাদ ৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বর মাসে সিয়েরার মারনার নাব্য অঞ্চলে কডোর্ভার তিন মাইল পশ্চিমে জাবানুল উত্তুসে নির্মিত হয়। খলিফা তৃতীয় আবদুর রহমান তার প্রিয়তম উপপত্নী সুন্দরী শ্রেষ্ঠা আল-জোহরার স্মরণে প্রাসাদটি নির্মাণ করেন এবং তার নামানুসারে নাম দেন 'আল-জোহরা প্রাসাদ'। এর প্রধান অংশ নির্মাণে সময় লাগে পনের বছর। অবশিষ্ট অংশের নির্মাণ কাজ সমাধান করতে আরও পঁচিশ বছর সময় লাগে। অর্থাৎ তৃতীয় আবদুর রহমান কর্তৃক এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে এবং ৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে দ্বিতীয় আল-হাকামের শাসনামলে সমাপ্ত হয়। আল-জোহরা। প্রাসাদ ২৮০ একর জুড়ে বিস্তৃত এক স্থানে গড়ে ওঠে। এর নির্মাণ কাজে ১০,০০০ শ্রমিক, ১,৮০০ ভারবাহী জানোয়ার প্রতিদিন ব্যবহৃত হতো। এটি নির্মাণে খলিফা তৃতীয় আবদুর রহমান ৫০,০০,০০০। দিনার ব্যয় করেন। গড়ে প্রতিবছর এর নির্মাণ কাজে ১,২০,০০০ দিনার ব্যয় হতো। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান হতে সংগৃহীত সাদা, মণি রং, গোলাপি, সবুজ প্রভৃতি বিভিন্ন বর্গের মার্বেল দ্বারা এটি প্রস্তুত করা হয়। আল-জোহরা প্রাসাদ তিনটি নিম্নগামী ছাদ দ্বারা বিভক্ত ছিল। উপরের ছাদে একটি হেরেমখানা, একটি অন্দর মহল এবং একটি দুর্গ ছিল। এছাড়াও আল-হামরা জামে মসজিদ ও অভ্যর্থনা কক্ষ এ ছাদে অবস্থিত ছিল। দাসদাসীদের বসবাসের জন্য নিম্ন ছাদে গৃহ ছিল। মধ্য ছাদে বাগান, ছায়াঘেরা কুঞ্জবন ও জলকেলির জলাশয় ছিল। এ প্রাসাদের প্রবেশ পথ ছিল ৭৫০টি এবং খাম্বা ছিল ৪,৩১৬টি। এর ভেতরের ছোট স্নানাগারটি বহু মূল্যবান রত্ন ও মণিমুক্তাখচিত বারটি স্বর্ণমূর্তি পরিবেষ্টিত ছিল। এর উপরে চিত্রিত ছিল সিংহ, হরিণ, কুমির, ঈগল, ড্রাগন, ঘুঘু, বাজপাখি, মুরগি প্রভৃতির মূর্তি যাদের মুখ হতে অনবরত পানি নির্গত হতো। উপরিউক্ত আলোচনায় বলা যায়, ইতিহাসে আল-জোহরা প্রাসাদ একটি ব্যয়বহুল প্রাসাদ নামে খ্যাতি অর্জন করলেও এটি তৎকালীন আমলের শিল্প নিদর্শনের এক অমর কীর্তি।
HSCIslamic History 1st paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা আরোহণের পশ্চাতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন ফুয়াদ পাশা। পরবর্তীতে ফুয়াদ পাশার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা সুলতানের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়। অবশেষে তিনি কৌশলে ফুয়াদ পাশাকে হত্যা করেন।Q. উদ্দীপকে নির্দেশিত উত্ত হত্যাকাণ্ডের পশ্চাতে নিহিত ছিল-
i. ক্ষমতা লিন্সা
ii. প্রতিহিংসা
iii. প্রতিদ্বন্দ্বিতানিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা আরোহণের পশ্চাতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন ফুয়াদ পাশা। পরবর্তীতে ফুয়াদ পাশার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা সুলতানের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়। অবশেষে তিনি কৌশলে ফুয়াদ পাশাকে হত্যা করেন।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত ফুয়াদ পাশার সাথে হত্যাকান্ডের শিকার কোন চরিত্রের মিল রয়েছে?

Dhaka · 2017

  • আবু মুসলিম খোরাসানি
  • হাজ্জাজ বিন ইউসুফ
  • মুসা বিন নুসায়ের
  • আল আমিন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'কুব্বাতুস সাখরা' কে নির্মাণ করেন?

Dhaka · 2017

  • মুয়াবিয়া (রা)
  • ইয়াজিদ
  • আব্দুল মালিক
  • উমর বিন আব্দুল আজিজ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী কোথায় ছিল?

Dhaka · 2017

  • মদিনা
  • দামেস্ক
  • কুফা
  • বাগদাদ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.আরব দেশকে 'জাজিরাতুল আরব' বলার কারণ কী?

Dhaka · 2017

  • মরুভূমির দেশ বলে
  • আরব সাগরের তীরে অবস্থিত বলে
  • আরব পবিত্র তুমি হওয়ার জন্য
  • তিন দিক জলবেষ্টিত হওয়ার কারণে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.কত খ্রিষ্টাব্দে স্পেনে উমাইয়া খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?

Dhaka · 2017

  • ৭৫০
  • ৯০৯
  • ৯২৯
  • ১০৩১

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মদিনায় হিজরত মুসলমানদের জীবনে যে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছিল তা হলো-
i. মর্যাদা প্রতিষ্ঠা
ii. উম্মাহ গঠন
iii. রাষ্ট্রগঠননিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কোন উমাইয়া খলিফাকে 'সাধুপুরুষ' বলা হয়?

Dhaka · 2018

  • মুয়াবিয়া
  • আব্দুল মালিক
  • আল ওয়ালিদ
  • উমর বিন আব্দুল আজিজ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.উমাইয়া শাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল-
i. সাম্রাজ্য বিস্তার
ii. জ্ঞান-বিজ্ঞানের সম্প্রসারণ
iii. স্থাপত্য শিল্পের বিকাশনিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

  • i
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.জুমাতুল জন্দলের সালিস বৈঠকের ফলে-
i. মুসলিম ঐক্য বিনষ্ট হয়
ii. খলিফার মর্যাদা ক্ষুণœ হয়
iii. খারিজিদের উৎপত্তি হয়নিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

  • i ও iiii ও iii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উদ্দীপকটি পড়ে উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি ভালো আচরণ করা হয়েছিল এবং মুক্তিপণের মাধ্যমে তাদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।Q.বন্দিদের প্রতি উক্ত যুদ্ধের শিক্ষা হচ্ছে-
i. মানবিক আচরণ করা
ii. সহজশর্তে মুক্তি দেওয়া
iii. সারা জীবন বন্দি রাখানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি ভালো আচরণ করা হয়েছিল এবং মুক্তিপণের মাধ্যমে তাদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনাটির ইসলামের ইতিহাসের কোন যুদ্ধের মিল আছে?

Combined · 2019

  • বদরের যুদ্ধ
  • ওহুদের যুদ্ধ
  • খন্দকের যুদ্ধ
  • মুতার যুদ্ধ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা 'কুব্বাতুস সাখরা' কে নির্মাণ করেন?উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী কোথায় ছিল?আরব দেশকে 'জাজিরাতুল আরব' বলার কারণ কী?কত খ্রিষ্টাব্দে স্পেনে উমাইয়া খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মদিনায় হিজরত মুসলমানদের জীবনে যে ইতিবাচক পরিবর্তন কোন উমাইয়া খলিফাকে 'সাধুপুরুষ' বলা হয়?উমাইয়া শাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল-i. সাম্রাজ্য বিস্তারii. জ্ঞান-বিজ্ঞানের সম্প্জুমাতুল জন্দলের সালিস বৈঠকের ফলে-i. মুসলিম ঐক্য বিনষ্ট হয়ii. খলিফার মর্যাদা ক্ষউদ্দীপকটি পড়ে উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখ

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।