T ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করে উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় উপাদানটির চিত্র অঙ্কন করো এবং ধাপে ধাপে পালস গণনা পদ্ধতি বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: পর্যায়ক্রমিকভাবে পালস সংখ্যা গণনা করার জন্য সাধারণত রিপল কাউন্টার ব্যবহৃত হয়। আমরা জানি, n বিট রিপল কাউন্টার [গণিত] টি পালস সংখ্যা গণনা করতে পারে। উদ্দীপকের সিস্টেমটি যেহেতু [গণিত] পর্যন্ত মোট 8 বা [গণিত] টি পালস গণনা করতে পারে। তাই বলা যায় এখানে ৩ বিট রিপল কাউন্টার ব্যবহৃত হয়েছে। নিচে চিত্রসহ ৩ বিট রিপল কাউন্টার T ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করে যেভাবে ধাপে ধাপে পালস গণনা করে তা বিশ্লেষণ করা হলো- 3 বিট রিপল কাউন্টার মূলত তিনটি T ফ্লিপ-ফ্লপ দিয়ে তৈরি একটি সার্কিট যা 0 থেকে 7 পর্যন্ত মোট 8টি পালস গুণতে পারে। এখানে প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপের ইনপুট সবসময় 1 রাখা হয় । ফলে ক্লক প্রালস পাওয়া মাত্রই এরা এদের বর্তমান অবস্থার পরিবর্তন বা টগল করে। সার্কিটটিতে প্রথম ফ্লিপ-ফ্লপ [গণিত] এর আউটপুট দ্বিতীয় ফ্লিপ-ফ্লপ [গণিত] এর ক্লক হিসেবে কাজ করে। আবার দ্বিতীয়টির আউটপুট তৃতীয় ফ্লিপ-ফ্লপ [গণিত] এর ক্লক হিসেবে কাজ করে। যখন বাইরে থেকে প্রথম পালস দেওয়া হয়, তখন [গণিত] তার অবস্থার পরিবর্তন করে আউটপুট 0 থেকে 1 করে। এরপর যখন দ্বিতীয় পালস আসে তখন, [গণিত] থেকে আবার 0 তে ফিরে আসে। এই 1 থেকে 0 তে নামার সময় এটি পরবর্তী ফ্লিপ-ফ্লপ [গণিত] কে একটি সংকেত দেয়, যার ফলে [গণিত] অবস্থার পরিবর্তন করে 1 হয়। একইভাবে যখন [গণিত] তার মান 1 থেকে 0 তে নামিয়ে আনে, তখন সেটি [গণিত] কে ট্রিগার করে। এভাবে পালসগুলো একটি পরবর্তীটির উপর প্রভাব ফেলে বলে একে রিপল কাউন্টার বলা হয়। এই পদ্ধতিতে [গণিত] থেকে শুরু করে 7(111) পর্যন্ত গণনা করার পর অষ্টম পালসে কাউন্টারটি আবার আগের অবস্থায় (000) ফিরে আসে বা রিসেট হয়।
HSC ICT CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
T ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করে উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় উপাদানটির চিত্র …
উদ্দীপক
রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ · 2026
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর