উদ্দীপকে উল্লেখিত সভ্যতার লিখন পদ্ধতির সাথে প্রাচীন মিসরীয়দের উদ্ভাবিত লিখন পদ্ধতির সাদৃশ্য কতটুকু? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লেখিত সভ্যতার লিখনপদ্ধতির সাথে প্রাচীন মিসরীয়দের উদ্ভাবিত লিখন পদ্ধতির পুরোপুরি সাদৃশ্য রয়েছে। মানব সভ্যতায় মিসরীয়দের গুরুত্বপূর্ণ অবদান হলো লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন। তাদের উদ্ভাবিত লিখন পদ্ধতি হায়ারোগ্লিফিক নামে পরিচিত। গ্রিক ভাষা থেকে আসা হায়ারোগ্লিফিক শব্দটির অর্থ পবিত্র লিপি। এটি এক ধরনের চিত্রভিত্তিক লিখন পদ্ধতি। উদ্দীপকে বর্ণিত লিখন পদ্ধতিতে এ লিপিরই ইঙ্গিত রয়েছে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, উত্তরায়ন রাজ্যে একটি প্রাচীন সভ্যতার সন্ধান পাওয়া গেছে। ঐ সভ্যতার মানুষ চিত্রভিত্তিক লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার করে । তাদের এ লিখন পদ্ধতি কয়েকটি ধাপে বিকশিত হয়। অনুরূপভাবে প্রাক-রাজবংশীয় যুগে (খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০০ থেকে ৩২০০ অব্দ) মিসরীয় লিপির উদ্ভব হয়। তখন মিসরীয়রা তাদের বক্তব্য ছবি এঁকে প্রকাশ করত। যেমন—সূর্যকে বোঝাতে গোল বৃত্তের মাঝখানে তারা একটি বিন্দু বসিয়ে দিত। হ্রদ বোঝাতে পানির ঢেউ আঁকত। অবশ্য এই ছবির সাহায্যে মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করা যেত না। তাই পরবর্তী সময়ে ছবি বা চিত্রের আরো উন্নয়ন ঘটে এবং সম্পূর্ণ মনের ভাব প্রকাশের জন্য একটি বিশেষ চিহ্নের ব্যবহার শুরু হয়। ছবি বা চিত্রভিত্তিক এ লিখন পদ্ধতিই হায়ারোগ্লিফিক লিপি। হায়ারোগ্লিফিক লিখন পদ্ধতি বিবর্তনের মাধ্যমে চূড়ান্ত রূপে পৌছতে তিনটি পর্যায় পার করেছে, যথা— চিত্রভিত্তিক (Pictographic), অক্ষরভিত্তিক (Syllabic) এবং বর্ণভিত্তিক (Alphabatic)। উদ্দীপকে উল্লেখিত লিখন পদ্ধতিও বিবর্তনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ রূপ লাভ করেছে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের লিখন পদ্ধতির সাথে মিসরীয়দের হায়ারোগ্লিফিক লিখন পদ্ধতির পুরোপুরি মিল রয়েছে।
HSC Islamic History 1st paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 1st paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকে উল্লেখিত সভ্যতার লিখন পদ্ধতির সাথে প্রাচীন মিসরীয়দের উদ্ভ…
উদ্দীপক
Dhaka · 2018
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর