উদ্দীপকের ওসমানীয় সুলতান আব্দুল মজিদের ঘোষণার সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের মুহাম্মদ (সা.)-এর মদিনা জীবনের কোন ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: উদ্দীপকের ওসমানীয় সুলতান আব্দুল মজিদের ঘোষণার সাথে আমার পাঠবইয়ের মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের বিদায় হজের ভাষণের সাদৃশ্য রয়েছে। উদ্দীপকে সুলতান আব্দুল মজিদ রাজপ্রাসাদ গুলহান থেকে জনগণের অধিকার সংবলিত একটি রাজকীয় ফরমান ঘোষণা করেন। এতে ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে সকলের ধর্মের স্বাধীনতা, জানমালের নিরাপত্তা বিধান করা হয়। অনুরূপ মহানবি (সা.) ৬৩২ সালে আরাফাতের ময়দান থেকে বিদায় হজের ভাষণ প্রদান করেন যা আন্তর্জাতিক সনদ হিসেবে অভিহিত। মহানবি (সা.)-এর জীবনের শেষ হজকে বিদায় হজ বলা হয়। তিনি ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ ফেব্রুয়ারি লক্ষাধিক মুসলমানকে সাথে' নিয়ে মক্কায় যাত্রা করে জিলহজ মাসের ৮ তারিখ সেখানে হাজির হন। এটিই তার জীবনের শেষ হজ বিধায় একে হুজ্জাতুল বিদা বলা হয়। তিনি ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ ফেব্রুয়ারি লক্ষাধিক মুসলমানকে সাথে নিয়ে মক্কায় যাত্রা করে জিলহজ মাসের ৮ তারিখ সেখানে হাজির হন। এটিই তার জীবনের শেষ হজ বিধায় একে হুজ্জাতুল বিদা বলা হয়। এ হজ উপলক্ষ্যে হযরত মুহাম্মদ (সা.) আরাফাতের পর্বত শীর্ষে দাঁড়িয়ে উপস্থিত জনসমুদ্রকে লক্ষ করে যে অভিভাষণ প্রদান করেন তা বিদায় হজের ভাষণ নামে পরিচিত। তাঁর এ-ভাষণ অন্ধকার ও অসাম্যের চির অবসান করে দুনিয়ার বুকে শান্তির আদর্শ এবং এক নতুন আলোকময় যুগের সূচনা করে। এ ভাষণে মানবজাতির সামগ্রিক মুক্তির ও কল্যাণের প্রতিটি দিক ফুটে উঠেছে। বিদায় হজের ভাষণ লক্ষাধিক মানুষের সামনে কুফর ও শিরকে নিমজ্জিত, শোষিত, বঞ্চিত, নিপীড়িত, ও নিষ্পেষিত, অনাগত ভবিষ্যতের সকল মানুষের মুক্তির উদ্দেশ্য যে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ভাষণ দেন তাকে অনায়াসে মানবতার মুক্তির সনদ বলা যায়। সুলতান আব্দুল মজিদ যেমন তার ভাষণে দাসপ্রথার বিলোপ, বর্ণ বৈষম্যের অবসান ও জনসাধারণের ঐক্যের কথা বলেন তেমনি মহানবি (সা.) মানুষে মানুষে বৈষম্য দূর করে সকল মানুষের সমর্যাদা দান করেন। তিনি দাসপ্রথার চির অবসান ঘটান।
HSC Islamic History 1st paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 1st paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকের ওসমানীয় সুলতান আব্দুল মজিদের ঘোষণার সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের…
উদ্দীপক
সরকারি সিটি কলেজ, চট্টগ্রাম · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর