শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লেখিত বিচার ব্যবস্থার চেয়ে ওমর (রা)-এর বিচার ব্যবস্থা আরো অধিক ন্যায়ভিত্তিক ছিল— বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লেখিত বিচার ব্যবস্থার চেয়ে ওমর (রা)-এর বিচার ব্যবস্থা অধিক ন্যায়ভিত্তিক ছিল। নিরপেক্ষভাবে বিচার কাজ পরিচালনা করার জন্য রাসুল (স.)-এর সময় থেকেই বিচার বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। হযরত ওমর (রা)-এর সময় বিচার বিভাগ দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়। বিচার প্রক্রিয়া, বিচারক নিয়োগ ও রায় প্রদানের ক্ষেত্রে সুষ্ঠু নীতি প্রণয়ন করা হয়। উদ্দীপকে এ বিচারব্যবস্থার কিছুটা প্রতিচ্ছবি পড়লেও ওমর (রা)-এর বিচার ছিল সর্বকালের সেরা ন্যায়ভিত্তিক বিচার ব্যবস্থা। উদ্দীপকে দেখা যায়, রাষ্ট্রপ্রধান বিচার বিভাগ থেকে স্বাধীন করেন। হযরত ওমর (রা)ও এ কাজ করেছিলেন অধিকতর দৃঢ়তার সাথে। কেন্দ্রে খলিফা নিজেই দায়িত্ব পালন করতেন । বিচারালয় হিসেবে মসজিদকে ব্যবহার করা হতো। বাদী ও বিবাদীকে আইনি পরামর্শ দেওয়ার জন্য খলিফা ওমর (রা) মুফতি বা আইন বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেন। বিচার করার ক্ষেত্রে খলিফার নির্দেশ ছিল— যেসব মুসলমানকে কোনো দিন শাস্তি দেওয়া হয়নি এবং যার সাক্ষ্য মিথ্যা প্রমাণিত হয়নি। কেবল তাদের সাক্ষ্য গৃহীত হবে। ওয়ালি, আমিল, কাজি প্রমুখ উচ্চপদস্থ কর্মচারীদের নিয়োগের সময় তাদের বিষয়- সম্পত্তির তালিকা নেওয়া হতো। উৎকোচ গ্রহণের প্রমাণ মিললে তাদের বরখাস্ত করা হতো এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হতো। বিচারের জন্য বিচারপ্রার্থীর কোনো ফি লাগত না। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় তিনি ছিলেন আপসহীন। তার কাছে ধনী-দরিদ্র, মুসলিম-অমুসলিম, আপন-পর সবাই ছিল আইনের চোখে সমান। বিচারে নিজ পুত্র আবু শাহমা মদপান ও ব্যভিচারের অপরাধে দায়ী প্রমাণিত হয়। আইন অনুসারে তিনি নিজ হাতে তাকে দোররা মেরে হত্যা করেন। সামান্য অপরাধে তিনি দিগ্বিজয়ী সেনানায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদকে সেনাপতির পদ থেকে অপসারণ করে সামান্য সৈনিক পদে নামিয়ে আনেন । উপরের আলোচনা থেকে বোঝা যায়, উদ্দীপকের বিচার ব্যবস্থার চেয়ে ওমর (রা)-এর বিচার ব্যবস্থা অধিক ন্যায়ভিত্তিক ছিল।

HSC Islamic History 1st paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লেখিত বিচার ব্যবস্থার চেয়ে ওমর (রা)-এর বিচার ব্যবস্থা …

উদ্দীপক

নবগঠিত টোগো রাষ্ট্র যাতে সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয় সেজন্য সেখানে রাষ্ট্রপ্রধান তার শাসন কার্যের স্বচ্ছতা ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্রের যোগ্য লোকদের নিয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করেন। উক্ত পরিষদ রাষ্ট্রপ্রধানকে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মকাণ্ডে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেন। তাছাড়া বিচার বিভাগকে শাসন বিভাগ থেকে স্বাধীন করা তার শাসনামল ইতিহাসে প্রসিদ্ধ হয়ে আছে ।

বিএএফ শাহীন কলেজ, ঢাকা · 2024

উত্তর

ওমর (রা) তার সাম্রাজ্যকে ১৪টি প্রদেশে বিভক্ত করেন ।

উত্তর

হযরত ওমর (রা) ইসলাম গ্রহণের পর তার তেজস্বিতা ও বীরত্বের কারণে ইসলামের শক্তি অনেক বেড়ে যায় ৷ হযরত ওমর (রা) এর ইসলাম গ্রহণের আগে ইসলামের বিধানসমূহ গোপনে পালন করতে হতো। তিনি মুসলিম হওয়ার পর তার প্রভাব প্রতিপত্তির কারণে কুরাইশরা মুসলমানদেরকে কাবা শরিফে নামাজ আদায় করতে বাধা দিতে পারেনি। হিজরতের পর তার পরামর্শে রাসুল (স) মদিনা মসজিদে নামাজের আগে আজান দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করেন। বদর, উহুদ, খন্দক, হুনায়ুন, খাইবারসহ অনেকগুলো যুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করে ওমর (রা) ইসলামের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও তিনি তার অর্থ-সম্পদ প্রচুর পরিমাণে ইসলামের সেবায় উৎসর্গ এরেন। এতে ইসলামের শক্তি অনেকগুণ বেড়ে যায় ও ইসলামের উত্তরোত্তর প্রসার ঘটে।

উত্তর

খুলাফায়ে রাশেদিনের খলিফা হযরত ওমর (রা)-এর রাষ্ট্র পরিচালনার সাথে উদ্দীপকে উল্লেখিত উপদেষ্টা পরিষদের সামঞ্জস্য আছে । খলিফা ওমর (রা) ছিলেন প্রজাদরদি শাসক। খিলাফতের কাজের যেকোনো বিষয়ে তিনি জনগণের মতামতের বিষয়টিতে গুরুত্বের সাথে প্রাধান্য দিতেন । জনগণের ইচ্ছাই শাসনক্ষমতার মূলমন্ত্র-এই নীতির ওপর অটল থেকে আল্লাহ ও রাসুলের বিধান অনুযায়ী ওমর (রা) খিলাফত পরিচালনা করেছেন । উদ্দীপকের শাসনব্যবস্থার ক্ষেত্রেও এমনটি লক্ষণীয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, নবগঠিত টোগো রাষ্ট্র যাতে সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয় সেজন্য সেখানে রাষ্ট্রপ্রধান তার শাসন কার্যের স্বচ্ছতা ও নাগরিক সুযোগ- সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য সচেষ্ট হন। এ লক্ষ্যে তিনি রাষ্ট্রের যোগ্য লোকদের নিয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করেন। উক্ত পরিষদ রাষ্ট্রপ্রধানকে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মকাণ্ডে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেন। উদ্দীপকে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। এ ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপ্রধান তার সিদ্ধান্ত কারও ওপর চাপিয়ে দেবেন না । এজন্য রাষ্ট্রপ্রধান পরামর্শ গ্রহণের লক্ষ্যে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করেন। খলিফা ওমর (রা)-এর ক্ষেত্রেও এমনটি চোখে পড়ে। তিনি ঘোষণা করেন যে, “পরামর্শ ছাড়া কোনো খিলাফত চলতে পারে না।” তাই তিনি জনসাধারণের ইচ্ছানুযায়ী শাসনকার্যাদি পরিচালনার জন্য একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন মন্ত্রণা পরিষদ গঠন করেন। এটাই 'মজলিশ-উস-শুরা' নামে পরিচিত। এই পরিষদ আবার দুভাগে বিভক্ত ছিল, যথা— মজলিশ-উল-আম এবং মজলিশ-উল-খাস। রাসুল (স)-এর সাহাবিগণ, মদিনার বিশিষ্ট নাগরিক এবং বিশিষ্ট বেদুইন প্রধানগণকে নিয়ে মজলিশ-উল-আম গঠিত হতো। মদিনার মসজিদে এর অধিবেশন অনুষ্ঠিত হতো। এজন্য অধিবেশনকালে মসজিদে উপস্থিত যে কোনো মুসলমান মজলিশ-উল-আমের আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারত। দৈনন্দিন কার্যাদি সম্পাদনের জন্য খলিফা মজলিশ-উল-খাসের পরামর্শ গ্রহণ করতেন। অতি অল্পসংখ্যক বিশিষ্ট মোহাজিরীন নিয়ে মজলিশ-উল-খাস গঠিত ছিল। হযরত আলি, ওসমান, তালহা, যুবায়ের প্রমুখ সদস্যের সমন্বয়ে এটা গঠিত ছিল। কর্মচারী, সৈনিক, শাসনকর্তা, বিচারক প্রভৃতি নিয়োগ ও বদলি ইত্যাদি রাষ্ট্রের খুঁটিনাটি ব্যাপারে খলিফা মজলিশ-উস-শুরার মতামত গ্রহণ করতেন এবং সে মোতাবেক শাসন কার্যাদি পরিচালনা করতেন। খলিফা ওমর (রা) নিজের ইচ্ছানুযায়ী কিছুই করতেন না। সুতরাং দেখা যায়, খলিফা ওমর (রা)-এর রাষ্ট্র পরিচালনার সাথে উদ্দীপকের রাষ্ট্র পরিচালনার সাদৃশ্য আছে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত বিচার ব্যবস্থার চেয়ে ওমর (রা)-এর বিচার ব্যবস্থা অধিক ন্যায়ভিত্তিক ছিল। নিরপেক্ষভাবে বিচার কাজ পরিচালনা করার জন্য রাসুল (স.)-এর সময় থেকেই বিচার বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। হযরত ওমর (রা)-এর সময় বিচার বিভাগ দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়। বিচার প্রক্রিয়া, বিচারক নিয়োগ ও রায় প্রদানের ক্ষেত্রে সুষ্ঠু নীতি প্রণয়ন করা হয়। উদ্দীপকে এ বিচারব্যবস্থার কিছুটা প্রতিচ্ছবি পড়লেও ওমর (রা)-এর বিচার ছিল সর্বকালের সেরা ন্যায়ভিত্তিক বিচার ব্যবস্থা। উদ্দীপকে দেখা যায়, রাষ্ট্রপ্রধান বিচার বিভাগ থেকে স্বাধীন করেন। হযরত ওমর (রা)ও এ কাজ করেছিলেন অধিকতর দৃঢ়তার সাথে। কেন্দ্রে খলিফা নিজেই দায়িত্ব পালন করতেন । বিচারালয় হিসেবে মসজিদকে ব্যবহার করা হতো। বাদী ও বিবাদীকে আইনি পরামর্শ দেওয়ার জন্য খলিফা ওমর (রা) মুফতি বা আইন বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেন। বিচার করার ক্ষেত্রে খলিফার নির্দেশ ছিল— যেসব মুসলমানকে কোনো দিন শাস্তি দেওয়া হয়নি এবং যার সাক্ষ্য মিথ্যা প্রমাণিত হয়নি। কেবল তাদের সাক্ষ্য গৃহীত হবে। ওয়ালি, আমিল, কাজি প্রমুখ উচ্চপদস্থ কর্মচারীদের নিয়োগের সময় তাদের বিষয়- সম্পত্তির তালিকা নেওয়া হতো। উৎকোচ গ্রহণের প্রমাণ মিললে তাদের বরখাস্ত করা হতো এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হতো। বিচারের জন্য বিচারপ্রার্থীর কোনো ফি লাগত না। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় তিনি ছিলেন আপসহীন। তার কাছে ধনী-দরিদ্র, মুসলিম-অমুসলিম, আপন-পর সবাই ছিল আইনের চোখে সমান। বিচারে নিজ পুত্র আবু শাহমা মদপান ও ব্যভিচারের অপরাধে দায়ী প্রমাণিত হয়। আইন অনুসারে তিনি নিজ হাতে তাকে দোররা মেরে হত্যা করেন। সামান্য অপরাধে তিনি দিগ্বিজয়ী সেনানায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদকে সেনাপতির পদ থেকে অপসারণ করে সামান্য সৈনিক পদে নামিয়ে আনেন । উপরের আলোচনা থেকে বোঝা যায়, উদ্দীপকের বিচার ব্যবস্থার চেয়ে ওমর (রা)-এর বিচার ব্যবস্থা অধিক ন্যায়ভিত্তিক ছিল।
HSCIslamic History 1st paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা আরোহণের পশ্চাতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন ফুয়াদ পাশা। পরবর্তীতে ফুয়াদ পাশার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা সুলতানের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়। অবশেষে তিনি কৌশলে ফুয়াদ পাশাকে হত্যা করেন।Q. উদ্দীপকে নির্দেশিত উত্ত হত্যাকাণ্ডের পশ্চাতে নিহিত ছিল-
i. ক্ষমতা লিন্সা
ii. প্রতিহিংসা
iii. প্রতিদ্বন্দ্বিতানিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা আরোহণের পশ্চাতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন ফুয়াদ পাশা। পরবর্তীতে ফুয়াদ পাশার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা সুলতানের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়। অবশেষে তিনি কৌশলে ফুয়াদ পাশাকে হত্যা করেন।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত ফুয়াদ পাশার সাথে হত্যাকান্ডের শিকার কোন চরিত্রের মিল রয়েছে?

Dhaka · 2017

  • আবু মুসলিম খোরাসানি
  • হাজ্জাজ বিন ইউসুফ
  • মুসা বিন নুসায়ের
  • আল আমিন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'কুব্বাতুস সাখরা' কে নির্মাণ করেন?

Dhaka · 2017

  • মুয়াবিয়া (রা)
  • ইয়াজিদ
  • আব্দুল মালিক
  • উমর বিন আব্দুল আজিজ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী কোথায় ছিল?

Dhaka · 2017

  • মদিনা
  • দামেস্ক
  • কুফা
  • বাগদাদ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.আরব দেশকে 'জাজিরাতুল আরব' বলার কারণ কী?

Dhaka · 2017

  • মরুভূমির দেশ বলে
  • আরব সাগরের তীরে অবস্থিত বলে
  • আরব পবিত্র তুমি হওয়ার জন্য
  • তিন দিক জলবেষ্টিত হওয়ার কারণে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.কত খ্রিষ্টাব্দে স্পেনে উমাইয়া খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?

Dhaka · 2017

  • ৭৫০
  • ৯০৯
  • ৯২৯
  • ১০৩১

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মদিনায় হিজরত মুসলমানদের জীবনে যে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছিল তা হলো-
i. মর্যাদা প্রতিষ্ঠা
ii. উম্মাহ গঠন
iii. রাষ্ট্রগঠননিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কোন উমাইয়া খলিফাকে 'সাধুপুরুষ' বলা হয়?

Dhaka · 2018

  • মুয়াবিয়া
  • আব্দুল মালিক
  • আল ওয়ালিদ
  • উমর বিন আব্দুল আজিজ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.উমাইয়া শাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল-
i. সাম্রাজ্য বিস্তার
ii. জ্ঞান-বিজ্ঞানের সম্প্রসারণ
iii. স্থাপত্য শিল্পের বিকাশনিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

  • i
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.জুমাতুল জন্দলের সালিস বৈঠকের ফলে-
i. মুসলিম ঐক্য বিনষ্ট হয়
ii. খলিফার মর্যাদা ক্ষুণœ হয়
iii. খারিজিদের উৎপত্তি হয়নিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

  • i ও iiii ও iii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উদ্দীপকটি পড়ে উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি ভালো আচরণ করা হয়েছিল এবং মুক্তিপণের মাধ্যমে তাদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।Q.বন্দিদের প্রতি উক্ত যুদ্ধের শিক্ষা হচ্ছে-
i. মানবিক আচরণ করা
ii. সহজশর্তে মুক্তি দেওয়া
iii. সারা জীবন বন্দি রাখানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

  • i ও ii
  • ii ও iii
  • i ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি ভালো আচরণ করা হয়েছিল এবং মুক্তিপণের মাধ্যমে তাদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনাটির ইসলামের ইতিহাসের কোন যুদ্ধের মিল আছে?

Combined · 2019

  • বদরের যুদ্ধ
  • ওহুদের যুদ্ধ
  • খন্দকের যুদ্ধ
  • মুতার যুদ্ধ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা 'কুব্বাতুস সাখরা' কে নির্মাণ করেন?উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী কোথায় ছিল?আরব দেশকে 'জাজিরাতুল আরব' বলার কারণ কী?কত খ্রিষ্টাব্দে স্পেনে উমাইয়া খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মদিনায় হিজরত মুসলমানদের জীবনে যে ইতিবাচক পরিবর্তন কোন উমাইয়া খলিফাকে 'সাধুপুরুষ' বলা হয়?উমাইয়া শাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল-i. সাম্রাজ্য বিস্তারii. জ্ঞান-বিজ্ঞানের সম্প্জুমাতুল জন্দলের সালিস বৈঠকের ফলে-i. মুসলিম ঐক্য বিনষ্ট হয়ii. খলিফার মর্যাদা ক্ষউদ্দীপকটি পড়ে উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখ

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।