শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহামানবের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকের সাথে মহানবি (স)-এর নবুয়ত লাভের পর ইসলাম প্রচার এবং এ কাজে নির্যাতনের শিকার হয়ে হিজরত করার সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়। সত্য ও ন্যায়ের পথে চলতে গেলে অনেক বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়। সত্যের পথে থাকা এবং এ পথে মানুষকে আহ্বান করতে গিয়ে যুগে যুগে মহামানবেরা নানা অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হযরত মুহাম্মদ (স) তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আর সত্যের পথে অবিচল থেকে ধৈর্য ও হিজরতের মাধ্যমে রাসুল (স)-এর পরিস্থিতি মোকাবিলার আংশিক প্রতিফলন লক্ষ করা যায় আব্দুস সামাদের কর্মকাণ্ডে। উদ্দীপকে দেখা যায়, আব্দুস সামাদকে এলাকাবাসী সবাই শ্রদ্ধা করত। তিনি মসজিদের ইমাম নিযুক্ত হওয়ার পর সবাইকে অনৈতিকতা পরিহার করে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার আহ্বান জানান। কিন্তু তার এ কাজে সমাজের এক শ্রেণির স্বার্থান্বেষীরা বিরোধিতা শুরু করে এবং তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে। ফলে তিনি বাধ্য হয়ে দেশ ত্যাগ করেন। একই ঘটনা পরিলক্ষিত হয় হযরত মুহাম্মদ (স)-এর জীবনে। ৬১০ খ্রিষ্টাব্দে নবুয়ত লাভের পর মহানবি (স) গোপনে নিকট আত্মীয়দের মধ্যে এবং পরবর্তীতে ৬১৩ খ্রিষ্টাব্দে মক্কাবাসীদের কাছে তাওহিদের বাণী প্রচার শুরু করেন। এতে মক্কার পৌত্তলিক, কুরাইশসহ মূর্তিপূজার দিশারি সকল গোত্র মুহাম্মদ (স)-এর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। মহানবি (স) এর ওপর তারা অত্যাচার-নির্যাতন শুরু করে; তাঁকে পাগল বলে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করতে থাকে। কুরাইশদের অত্যাচার যখন চরম আকার ধারণ করে তখন মহানবি (স) আল্লাহর নির্দেশে তাঁর শিষ্যদের আবিসিনিয়ায় হিজরতের পরামর্শ দেন। তাছাড়া মহানবি (স) মক্কায় অবস্থান করলে তাঁর বিরুদ্ধে কুরাইশদের ষড়যন্ত্রের মাত্রা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। এমনকি তারা রাসুল (স) কে হত্যার ষড়যন্ত্র করে। এ প্রেক্ষিতে মহান আল্লাহ তাঁকে মদিনায় হিজরতের নির্দেশ দেন। কারণ তখন মদিনায় ইসলাম প্রচারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। তাই মহানবি (স) মহান আল্লাহর নির্দেশে ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মদিনায় হিজরত করেন এবং মদিনায় ইসলামি রাষ্ট্রের ভিত প্রতিষ্ঠা করেন। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, রাসুল (স)-এর ইসলাম প্রচার, নির্যাতন সহ্য করা এবং হিজরতের ঘটনার সাথে আব্দুস সামাদের কর্মকাণ্ড আংশিক সাদৃশ্যপূর্ণ।

HSC Islamic History 1st paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 1st paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন মহামানবের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য ল…

উদ্দীপক

আব্দুস সামাদ নামক ব্যক্তিটি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের নিকট শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। তিনি এলাকার মসজিদের ইমাম নিযুক্ত হওয়ার পর সমাজের সকল অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে বলেন। এতে সমাজের এক শ্রেণির মানুষের কাছে তিনি শত্রু হয়ে যান। এক পর্যায়ে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয় এবং তিনি দেশ ত্যাগে বাধ্য হন।

Rajshahi · 2017

উত্তর

হযরত মুহাম্মদ (স)-এর মাতার নাম আমিনা বেগম।

উত্তর

হিলফুল ফুজুল বলতে কিশোর বয়সে মহানবি (স) এর প্রতিষ্ঠিত একটি শান্তিসংঘকে বোঝায়। মহানবি (স) ছিলেন শান্তির দূত। তাই বালক বয়সে যখন তিনি পাঁচ বছর স্থায়ী 'হারবুল ফুজ্জার' যুদ্ধের (৫৮৪-৫৮৮ খ্রি.) ভয়াবহতা দেখলেন তখন তাঁর অন্তর মানবতার জন্য কেঁদে উঠল। এ প্রেক্ষিতেই তিনি সমমনা কয়েকজন উৎসাহী যুবক ও পিতৃব্য যুবাইরকে নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন হিলফুল ফুজুল নামের শান্তিসংঘটি। সংগঠনটি গোত্রীয় যুদ্ধের অবসানসহ সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করত। এটি প্রায় ৫০ বছর স্থায়ী ছিল।

উত্তর

উদ্দীপকের সাথে মহানবি (স)-এর নবুয়ত লাভের পর ইসলাম প্রচার এবং এ কাজে নির্যাতনের শিকার হয়ে হিজরত করার সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়। সত্য ও ন্যায়ের পথে চলতে গেলে অনেক বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়। সত্যের পথে থাকা এবং এ পথে মানুষকে আহ্বান করতে গিয়ে যুগে যুগে মহামানবেরা নানা অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হযরত মুহাম্মদ (স) তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আর সত্যের পথে অবিচল থেকে ধৈর্য ও হিজরতের মাধ্যমে রাসুল (স)-এর পরিস্থিতি মোকাবিলার আংশিক প্রতিফলন লক্ষ করা যায় আব্দুস সামাদের কর্মকাণ্ডে। উদ্দীপকে দেখা যায়, আব্দুস সামাদকে এলাকাবাসী সবাই শ্রদ্ধা করত। তিনি মসজিদের ইমাম নিযুক্ত হওয়ার পর সবাইকে অনৈতিকতা পরিহার করে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার আহ্বান জানান। কিন্তু তার এ কাজে সমাজের এক শ্রেণির স্বার্থান্বেষীরা বিরোধিতা শুরু করে এবং তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে। ফলে তিনি বাধ্য হয়ে দেশ ত্যাগ করেন। একই ঘটনা পরিলক্ষিত হয় হযরত মুহাম্মদ (স)-এর জীবনে। ৬১০ খ্রিষ্টাব্দে নবুয়ত লাভের পর মহানবি (স) গোপনে নিকট আত্মীয়দের মধ্যে এবং পরবর্তীতে ৬১৩ খ্রিষ্টাব্দে মক্কাবাসীদের কাছে তাওহিদের বাণী প্রচার শুরু করেন। এতে মক্কার পৌত্তলিক, কুরাইশসহ মূর্তিপূজার দিশারি সকল গোত্র মুহাম্মদ (স)-এর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। মহানবি (স) এর ওপর তারা অত্যাচার-নির্যাতন শুরু করে; তাঁকে পাগল বলে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করতে থাকে। কুরাইশদের অত্যাচার যখন চরম আকার ধারণ করে তখন মহানবি (স) আল্লাহর নির্দেশে তাঁর শিষ্যদের আবিসিনিয়ায় হিজরতের পরামর্শ দেন। তাছাড়া মহানবি (স) মক্কায় অবস্থান করলে তাঁর বিরুদ্ধে কুরাইশদের ষড়যন্ত্রের মাত্রা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। এমনকি তারা রাসুল (স) কে হত্যার ষড়যন্ত্র করে। এ প্রেক্ষিতে মহান আল্লাহ তাঁকে মদিনায় হিজরতের নির্দেশ দেন। কারণ তখন মদিনায় ইসলাম প্রচারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। তাই মহানবি (স) মহান আল্লাহর নির্দেশে ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মদিনায় হিজরত করেন এবং মদিনায় ইসলামি রাষ্ট্রের ভিত প্রতিষ্ঠা করেন। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, রাসুল (স)-এর ইসলাম প্রচার, নির্যাতন সহ্য করা এবং হিজরতের ঘটনার সাথে আব্দুস সামাদের কর্মকাণ্ড আংশিক সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর

রাসুল (স)-এর মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের ঘটনা তাঁর জীবনের জন্য ছিল মোড় পরিবর্তনকারী এবং ইসলামের ভিত প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স)-এর ওপর কুরাইশদের অত্যাচারের মাত্রা যখন বেড়ে যায় তখন তিনি মহান আল্লাহর আদেশে হযরত আবু বকর (রা)-কে সাথে নিয়ে মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেন এবং এখানেই মুহাম্মদ (স)-এর জীবনের মোড় ঘুরে যায়। মদিনাবাসীর সহযোগিতায় ইসলামের বিস্তৃতি সহজ হয়ে যায়। এই হিজরতের ফলে মদিনায় ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়, যা পরবর্তীকালে মক্কা বিজয় তথা অর্ধেক পৃথিবী বিজয় করার দ্বার উন্মোচন করে। হিজরতের ফলে মহানবি (স)-এর জীবনধারায় পরিবর্তন আসে এবং তিনি সুস্থ পরিবেশে বসবাস করার সুযোগ লাভ করেন। ঐতিহাসিক P.K. Hitti বলেন, 'হিজরতের সাথে সাথে হযরতের মক্কা জীবনের অবসান ও মদিনা জীবনের সূচনা হয় এবং এখানেই মুহাম্মদ (স)-এর জীবনের মোড় ঘুরে যায়।' মহানবি (স) মদিনায় হিজরত করলে মদিনাবাসী তাঁকে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বরণ করে নেয়। এরপর মদিনায় ইসলাম দ্রুতগতিতে প্রসার লাভ করে এবং অল্প সময়ের মধ্যে সমগ্র আরবজাহান মুসলমানদের অধীনে আসে। হিজরতের পরপরই মুহাম্মদ (স) মদিনাতে মুসলমানদের মিলনকেন্দ্র হিসেবে মসজিদে নববি প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়াও মদিনাবাসী মহানবির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্যে তাদের নগরীর নাম রাখেন 'মদিনাতুন্নবি' বা নবির শহর। এতে মদিনাবাসীর সম্মান অনেক বেড়ে যায়। মহানবি (স)-এর হিজরতের ফলে মদিনার লোকজন দলে দলে ইসলাম গ্রহণ করে এবং মদিনাবাসী দীর্ঘদিনের ভেদাভেদ ও শত্রুতা ভুলে গিয়ে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়। হিজরতের ফলেই মহানবি (স) বিশ্বের প্রথম লিখিত সংবিধান 'মদিনা সনদ' প্রণয়ন করেন। সার্বিক আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, মহানবি (স)-এর হিজরতের ফলে ইসলামের প্রচার ও প্রসার অনেকগুণ বৃদ্ধি পায়।
HSCIslamic History 1st paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা আরোহণের পশ্চাতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন ফুয়াদ পাশা। পরবর্তীতে ফুয়াদ পাশার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা সুলতানের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়। অবশেষে তিনি কৌশলে ফুয়াদ পাশাকে হত্যা করেন।Q. উদ্দীপকে নির্দেশিত উত্ত হত্যাকাণ্ডের পশ্চাতে নিহিত ছিল-
i. ক্ষমতা লিন্সা
ii. প্রতিহিংসা
iii. প্রতিদ্বন্দ্বিতানিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা আরোহণের পশ্চাতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন ফুয়াদ পাশা। পরবর্তীতে ফুয়াদ পাশার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা সুলতানের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়। অবশেষে তিনি কৌশলে ফুয়াদ পাশাকে হত্যা করেন।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত ফুয়াদ পাশার সাথে হত্যাকান্ডের শিকার কোন চরিত্রের মিল রয়েছে?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'কুব্বাতুস সাখরা' কে নির্মাণ করেন?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী কোথায় ছিল?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.আরব দেশকে 'জাজিরাতুল আরব' বলার কারণ কী?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.কত খ্রিষ্টাব্দে স্পেনে উমাইয়া খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?

Dhaka · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মদিনায় হিজরত মুসলমানদের জীবনে যে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছিল তা হলো-
i. মর্যাদা প্রতিষ্ঠা
ii. উম্মাহ গঠন
iii. রাষ্ট্রগঠননিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কোন উমাইয়া খলিফাকে 'সাধুপুরুষ' বলা হয়?

Dhaka · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.উমাইয়া শাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল-
i. সাম্রাজ্য বিস্তার
ii. জ্ঞান-বিজ্ঞানের সম্প্রসারণ
iii. স্থাপত্য শিল্পের বিকাশনিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.জুমাতুল জন্দলের সালিস বৈঠকের ফলে-
i. মুসলিম ঐক্য বিনষ্ট হয়
ii. খলিফার মর্যাদা ক্ষুণœ হয়
iii. খারিজিদের উৎপত্তি হয়নিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উদ্দীপকটি পড়ে উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি ভালো আচরণ করা হয়েছিল এবং মুক্তিপণের মাধ্যমে তাদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।Q.বন্দিদের প্রতি উক্ত যুদ্ধের শিক্ষা হচ্ছে-
i. মানবিক আচরণ করা
ii. সহজশর্তে মুক্তি দেওয়া
iii. সারা জীবন বন্দি রাখানিচের কোনটি সঠিক?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি ভালো আচরণ করা হয়েছিল এবং মুক্তিপণের মাধ্যমে তাদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনাটির ইসলামের ইতিহাসের কোন যুদ্ধের মিল আছে?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:অটোমান সুলতান আব্দুল হামিদের ক্ষমতা 'কুব্বাতুস সাখরা' কে নির্মাণ করেন?উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী কোথায় ছিল?আরব দেশকে 'জাজিরাতুল আরব' বলার কারণ কী?কত খ্রিষ্টাব্দে স্পেনে উমাইয়া খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মদিনায় হিজরত মুসলমানদের জীবনে যে ইতিবাচক পরিবর্তন কোন উমাইয়া খলিফাকে 'সাধুপুরুষ' বলা হয়?উমাইয়া শাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল-i. সাম্রাজ্য বিস্তারii. জ্ঞান-বিজ্ঞানের সম্প্জুমাতুল জন্দলের সালিস বৈঠকের ফলে-i. মুসলিম ঐক্য বিনষ্ট হয়ii. খলিফার মর্যাদা ক্ষউদ্দীপকটি পড়ে উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখানে বন্দিদের প্রতি উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :সালমা একটি যুদ্ধের ঘটনা শুনছিল। যেখ

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।