উদ্দীপকে উল্লেখিত চিকিৎসা যন্ত্রটি আকারে ছোটো হলেও ক্ষমতা অনেক বেশি। যন্ত্রটি তৈরির প্রযুক্তিটি হলো ন্যানোটেকনোলজি। নিচে ন্যানোটেকনোলজি প্রযুক্তিটি আলোচনা করা হলো-
উদ্দীপকে উল্লিখিত ডিভাইসটি অর্থাৎ হার্ডডিস্ক তৈরির প্রযুক্তি হলো ন্যানোটেকনোলজি। নিচে এ প্রযুক্তিটি ব্যাখ্যা করা হলো- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে 1 থেকে 100 ন্যানোমিটার আকৃতির কোনো কিছু তৈরি করা এবং ব্যবহার করার প্রযুক্তিই হলো ন্যানো প্রযুক্তি বা ন্যানোটেকনোলজি। ন্যানো প্রযুক্তি দুটি পদ্ধতিতে ব্যবহৃত হয় । ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ এবং বৃহৎ থেকে ক্ষুদ্র। ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ পদ্ধতিতে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র আণবিক উপাদান থেকে শুরু করে ধীরে বড় কোনো জিনিস তৈরি করা যায়। অন্যদিকে বৃহৎ থেকে ক্ষুদ্র পদ্ধতিতে একটু বড় আকৃতির কিছু থেকে শুরু করে তাকে ভেঙে ছোট করতে করতে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র আকৃতিতে পরিণত করা হয়। এ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বৃহৎ স্কেলে পণ্যোৎপাদন সম্ভব হচ্ছে এবং উৎপাদিত পণ্য আকারে সূক্ষ্ম ও ছোট হলেও অত্যন্ত মজবুত, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী, টেকসই ও হালকা হয়। কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের ক্ষেত্রে প্রসেসরের উচ্চগতি, দীর্ঘস্থায়িত্ব, কম শক্তি খরচ, ডিসপ্লে ও কোয়ান্টাম প্রযুক্তির উন্নয়নে ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহৃত হয়। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে আগামীতে দুরারোগ্য ব্যাধি হতে মুক্তি, প্রতিরক্ষায় ন্যানো রোবট, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, বিশ্বব্যাপী বৃহৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, কার্যকরী ও সস্তায় শক্তি উৎপাদনসহ পানি ও বায়ু দূষণ কমানো সম্ভব হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।