উদ্দীপকটি পড়ঃ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গবেষণা করে উপকূলীয় অঞ্চলে চাষযোগ্য নতুন জাতের ধান উদ্ভাবন করেছে যার ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে ধানের উৎপাদন বহুগুণে বেড়ে গেছে । উদ্দীপকের গবেষণার সহায়ক প্রযুক্তি হলো-
ক. বায়োইনফরমেটিক্স
খ. ন্যানোটেকনোলজি
গ. বায়োমেট্রিক্স
ঘ. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
উত্তর: জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
ব্যাখ্যা: উদ্দীপকে উল্লিখিত উপকূলীয় অঞ্চলে চাষযোগ্য নতুন জাতের ধান উদ্ভাবনের জন্য জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা ধানের জিনগত পরিবর্তন করে লবণাক্ততা সহনশীল বা উচ্চ ফলনশীল জাত তৈরি করতে পারেন, যা উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। বায়োইনফরমেটিক্স হলো জীববৈজ্ঞানিক তথ্য বিশ্লেষণ করার একটি পদ্ধতি, ন্যানোটেকনোলজি হলো অতি ক্ষুদ্র পরিসরে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বায়োমেট্রিক্স হলো ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করার প্রযুক্তি। এগুলি ধান গবেষণায় সহায়ক হতে পারে, তবে নতুন জাত উদ্ভাবনের মূল প্রযুক্তি হিসেবে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক।
HSC ICT Chapter 1 : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি :- বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত MCQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · ICT · Chapter 1 : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি :- বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত · MCQ
উদ্দীপকটি পড়ঃ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গবেষণা করে উপকূলীয় অঞ্চলে চাষযোগ্য নতুন জাতের ধান উদ্ভাবন করেছে যার ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে ধানের উৎপাদন বহুগুণে বেড়ে গেছে । উদ্দীপকের গবেষণার সহায়ক প্রযুক্তি হলো-
- ক.বায়োইনফরমেটিক্স
- খ.ন্যানোটেকনোলজি
- গ.বায়োমেট্রিক্স
- ঘ.জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
উত্তর