নিউক্লিওফিলিক সংযোজন বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে A, B ও C যৌগের সক্রিয়তার কম বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উদ্দীপকের বিক্রিয়াটি আংশিক পূর্ণ করে পাই- [চিত্র] [গণিত] হলো প্রোপানোন [গণিত] , যা টলেন বিকারকের সাথে বিক্রিয়া করে না। [গণিত] ও [গণিত] যৌগ দুটি মিথান্যাল [গণিত] [গ থেকে] ও ইথান্যাল [গণিত] । নিচে নিউক্লিওফিলিক বা কেন্দ্রাকর্ষী সংযোজন বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে [গণিত] ও [গণিত] এর সক্রিয়তার ক্রম বিশ্লেষণ করা হলো- কার্বনিল যৌগগুলোর বৈশিষ্ট্যপূর্ণ বিক্রিয়া হচ্ছে কেন্দ্রাকর্ষী যুত বিক্রিয়া। যুত বিক্রিয়ার মূল কারণ হলো কার্বন পরমাণুতে ধনাত্মক আধানের সৃষ্টি। কার্বন পরমাণুতে ধনাত্মক আধানের পরিমাণ যত হ্রাস বা বৃদ্ধি পায়, কেন্দ্রাকর্ষী সংযোজন বিক্রিয়ার সক্রিয়তা যথাক্রমে ততই কমে বা বাড়ে। তাই কার্বনাইল মূলক এর সাথে [গণিত] ইত্যাদি মূলক যুক্ত হলে তখন কার্বনাইল মূলকের সক্রিতায় হ্রাস পায়। এজন্য মিথান্যাল অপেক্ষা ইথান্যাল এবং ইথান্যাল অপেক্ষা প্রোপানোন কম সক্রিয়। সক্রিয়তা হ্রাসের কারণ হল ২টি। যথা : ইলেকট্রনীয় প্রভাব : মিথাইল মূলক (- [গণিত] ) হলো ধনাত্মক আবেশধর্মী অর্থাৎ ইলেকট্রন ঘনত্ব যোগানকারী । তাই - [গণিত] মূলক কার্বনাইল কার্বনের ধনাত্মক চার্জ হ্রাস করে। ফলে নিউক্লিওফাইলের আক্রমণের ক্ষেত্র হ্রাস পায়। একে সংযুক্ত মূলকের ইলেকট্রনীয় প্রভাব বলে। স্টেরিক বাধা : কার্বনাইল কার্বনে যুক্ত মূলকের আকার যত বড় হয়, নিউক্লিওফাইলের আক্রমণের পথ ততই সংকুচিত হয়। এরূপ বড় মূলক দ্বারা কোনো আক্রমণকারী মূলকের প্রতি ত্রিমাত্রিক স্থানিক বাধা সৃষ্টি করাকে স্টেরিক বাধা বলা হয়। মিথান্যালে কার্বনাইল মূলকে 2 টি H পরমাণু থাকায় কোনো - [গণিত] মূলক নেই। ইথান্যালে [গণিত] টি [গণিত] মূলক থাকে কিন্তু প্রোপানোনে ২টি [গণিত] মূলক যুক্ত থাকায় এতে স্টেরিক বাধা বেশি হয়। উপরোক্ত ইলেকট্রনীয় প্রভাব ও স্টেরিক বাধার কারণে নিউক্লিওফিলিক যুত বিক্রিয়ায় প্রোপানোন [গণিত] , ইথান্যাল [গণিত] ও মিথান্যাল [গণিত] অপেক্ষা কম সক্রিয়। এজন্য [গণিত] এর সক্রিয়তা সবচেয়ে বেশি এবং [গণিত] এর সক্রিয়তা সবচেয়ে কম। [গণিত] এর সক্রিযতা [গণিত] এর চেযে কম ও [গণিত] অপেক্ষা বেশি।
HSC Chemistry 2nd Paper Chapter 2: জৈব রসায়ন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Chemistry 2nd Paper · Chapter 2: জৈব রসায়ন · সৃজনশীল
নিউক্লিওফিলিক সংযোজন বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে A, B ও C যৌগের সক্রিয়তার কম…
উদ্দীপক
Barisal · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর

উত্তর
হলো প্রোপানোন , যা টলেন বিকারকের সাথে বিক্রিয়া করে না। ও যৌগ দুটি মিথান্যাল [গ থেকে] ও ইথান্যাল । নিচে নিউক্লিওফিলিক বা কেন্দ্রাকর্ষী সংযোজন বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে ও এর সক্রিয়তার ক্রম বিশ্লেষণ করা হলো-
কার্বনিল যৌগগুলোর বৈশিষ্ট্যপূর্ণ বিক্রিয়া হচ্ছে কেন্দ্রাকর্ষী যুত বিক্রিয়া। যুত বিক্রিয়ার মূল কারণ হলো কার্বন পরমাণুতে ধনাত্মক আধানের সৃষ্টি। কার্বন পরমাণুতে ধনাত্মক আধানের পরিমাণ যত হ্রাস বা বৃদ্ধি পায়, কেন্দ্রাকর্ষী সংযোজন বিক্রিয়ার সক্রিয়তা যথাক্রমে ততই কমে বা বাড়ে। তাই কার্বনাইল মূলক এর সাথে ইত্যাদি মূলক যুক্ত হলে তখন কার্বনাইল মূলকের সক্রিতায় হ্রাস পায়। এজন্য মিথান্যাল অপেক্ষা ইথান্যাল এবং ইথান্যাল অপেক্ষা প্রোপানোন কম সক্রিয়।
সক্রিয়তা হ্রাসের কারণ হল ২টি। যথা :
ইলেকট্রনীয় প্রভাব : মিথাইল মূলক (- ) হলো ধনাত্মক আবেশধর্মী অর্থাৎ ইলেকট্রন ঘনত্ব যোগানকারী । তাই - মূলক কার্বনাইল কার্বনের ধনাত্মক চার্জ হ্রাস করে। ফলে নিউক্লিওফাইলের আক্রমণের ক্ষেত্র হ্রাস পায়। একে সংযুক্ত মূলকের ইলেকট্রনীয় প্রভাব বলে।
স্টেরিক বাধা : কার্বনাইল কার্বনে যুক্ত মূলকের আকার যত বড় হয়, নিউক্লিওফাইলের আক্রমণের পথ ততই সংকুচিত হয়। এরূপ বড় মূলক দ্বারা কোনো আক্রমণকারী মূলকের প্রতি ত্রিমাত্রিক স্থানিক বাধা সৃষ্টি করাকে স্টেরিক বাধা বলা হয়। মিথান্যালে কার্বনাইল মূলকে 2 টি H পরমাণু থাকায় কোনো - মূলক নেই। ইথান্যালে টি মূলক থাকে কিন্তু প্রোপানোনে ২টি মূলক যুক্ত থাকায় এতে স্টেরিক বাধা বেশি হয়।
উপরোক্ত ইলেকট্রনীয় প্রভাব ও স্টেরিক বাধার কারণে নিউক্লিওফিলিক যুত বিক্রিয়ায় প্রোপানোন , ইথান্যাল ও মিথান্যাল অপেক্ষা কম সক্রিয়।
এজন্য এর সক্রিয়তা সবচেয়ে বেশি এবং এর সক্রিয়তা সবচেয়ে কম। এর সক্রিযতা এর চেযে কম ও অপেক্ষা বেশি।