উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র-১ এর ফসলটি হলো মাঠ ফসল। মাঠ ফসলের অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনেক বিস্তৃত ও বহুমাত্রিক। সংক্ষেপে বললে, মাঠ ফসল (যেমন ধান, গম, ভুট্টা, ডাল, পাট, তেলবীজ ইত্যাদি) শুধু খাদ্যের জোগানই দেয় না, বরং জাতীয় অর্থনীতি, শিল্প, রপ্তানি এবং কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। নিচে এর প্রধান দিকগুলো দেওয়া হলো-
১. খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ: ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি মানুষের প্রধান খাদ্যশস্য। ডাল ও তেলবীজ পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে।
২. শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহ: পাট থেকে জুট পণ্য, তুলা থেকে বস্ত্র, আখ থেকে চিনি তৈরি হয়। তেলবীজ থেকে ভোজ্যতেল ও অন্যান্য শিল্পজাত পণ্য উৎপাদিত হয়।
৩. রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন: পাট, চা, তিল, চীনাবাদাম ইত্যাদি বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হয়।
৪. কর্মসংস্থান সৃষ্টি: মাঠ ফসল চাষ, ফসল তোলা, প্রক্রিয়াকরণ ও বাজারজাতকরণের মাধ্যমে লাখ লাখ মানুষের কাজের সুযোগ হয়।
৫. পশু খাদ্যের উৎস: ভুসি, খড়, খৈল ইত্যাদি গবাদি পশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৬. গ্রামীণ অর্থনীতির চালিকা শক্তি: কৃষিপণ্য বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা উন্নত করে।