উদ্দীপকে আফজাল সাহেব পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনে জমি নির্বাচন, পৃথকীকরণ দূরত্ব ও রোগিং এর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেন। নিচে তার উক্ত কার্যক্রমসমূহ ব্যাখ্যা করা হলো-
জমি নির্বাচন: জমি সমতল, খোলামেলা, সেচ ও নিকাশ সুবিধাযুক্ত, বন্যামুক্ত, উর্বর ও উৎপাদনশীল হতে হবে। শস্যভেদে দোআঁশ, এঁটেল দোআঁশ, বেলে বা পলি দোআঁশ এবং মাটির pH মান ৬.৫-৭.৫ এর মধ্যে থাকা ভালো।
পৃথকীকরণ দূরত্ব: একই ফসলের বিভিন্ন জাতের মধ্যে পরাগায়ন হয়ে জাতের বিশুদ্ধতা যাতে নষ্ট না হয় সেজন্য বীজ ফসলের জমি নিরাপদ দূরত্বে রাখা প্রয়োজন। অর্থাৎ বীজ ফসলের জমি থেকে একই জাতের ফসলের জমি নির্দিষ্ট দূরত্বে চাষ করতে হবে। এটা সম্ভব না হলে জমির চারদিকে পাহারা হিসেবে ভিন্ন ফসলের চাষ করা যায়। তবে বীজ বপনের সময় পরিবর্তন করেও নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা যায়।
রোগিং: বীজ ফসলের জমি থেকে নির্বাচিত ফসলের জাত ছাড়া অন্য জাতের ফসলের গাছ অর্থাৎ একই ফসলের অন্য জাতের গাছ তুলে ফেলাকে রোগিং বলে। জমিতে ফসল থাকা অবস্থায় সাধারণত তিন পর্যায়ে রোগিং করা হয়। যথা- শারীরিক বৃদ্ধি পর্যায়, মূল উৎপাদন পর্যায় এবং পরিপক্ক পর্যায়। জাতের বিশুদ্ধতা রক্ষার জন্য রোগিং করা একটি উত্তম পদ্ধতি।