উদ্দীপকে প্রদর্শিত 'ক' চিত্রটি হলো মাশরুম। বর্তমান প্রেক্ষাপটে মাশরুম চাষাবাদের অর্থনৈতিক উপযোগিতা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
মাশরুম চাষ একটি উচ্চ আয়ের উৎস। স্বল্প সময়ে ও স্বল্প মূলধনে মাশরুম চাষ করে ভালো লাভ হয়। প্রতি কেজি মাশরুমের বাজারমূল্য অন্যান্য সবজি বা ফসলের তুলনায় বেশি। ঘরে বসেই ছোট পরিসরে মাশরুম চাষ শুরু করা যায়, তাই এটি অনেক বেকার যুবক-যুবতিদের জন্য আয়ের সুযোগ তৈরি করে। উন্নত দেশগুলোতে মাশরুমের চাহিদা বেশি, ফলে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব। মাশরুম প্রোটিন, খনিজ ও ভিটামিনের সমৃদ্ধ, যা মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য উন্নয়নে অবদান রাখে। খুব অল্প জায়গা ও ঘরের ভেতরে চাষ করা যায় বলে জমির উপর চাপ কমায়। গ্রামে ছোট আকারের মাশরুম খামার স্থানীয় অর্থনীতি চাঙ্গা করে এবং নারীদের কর্মসংস্থান বাড়ায়। মাশরুম চাষে শ্রমিক কম লাগে। এছাড়াও, মাশরুম চাষে ঝুঁকি কম কারণ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রোগবালাই দ্বারা ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। আবার, চাষ শেষে প্যাকেট জৈব সার হিসেবে জমিতে ব্যবহার ও বিক্রি করা যায়।
উপরের বর্ণনার আলোকে বলা যায়, বর্তমান প্রেক্ষাপটে মাশরুম চাষের উপযোগিতা অপরিসীম।