উচ্চারণ রীতি কাকে বলে? উদাহরণসহ বাংলা উচ্চারণের চারটি নিয়ম লেখো।
উত্তর: উত্তর: উচ্চারণ একটি বাচনিক প্রক্রিয়া। অঞ্চল, সময়, ব্যক্তি, ভৌগোলিক সীমার ভিন্নতার কারণে উচ্চারণের ভিন্নতা হতে পারে। তবে প্রমিত বাংলা উচ্চারণে চলিত বাংলার কথ্য বাচনভঙ্গির বিভিন্ন বৈচিত্র্যের একটি সমন্বিত উচ্চারণমান রয়েছে। আর শব্দের যথাযথ উচ্চারণের জন্য এই উচ্চারণমান তথা নিয়ম বা সূত্রের সমষ্টিকে উচ্চারণরীতি বলে। বাংলা উচ্চারণের চারটি নিয়ম নিম্নরূপ: ক. শব্দের শুরুতে যদি অ থাকে এবং তারপর যদি ই, ঈ, উ, ঊ, ক্ষ, জ্ঞ, য-ফলা বা ঋ-কার যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ থাকে, তাহলে অ-এর উচ্চারণ ও- কারের মতো হয়। যেমন: অতি, (ওতি), নদী (নোদি), তবু (তোরু), ময়ূর (মোয়ুর্), পক্ষ (পোক্ খো), যজ্ঞ (জোগ্ গোঁ), বন্য (বো ন্না), মসৃণ (মোসৃন্)। খ. শব্দের আদ্য ব্যঞ্জনবর্ণে ব-ফলা সংযুক্ত হলে সে ব-এর কোনো উচ্চারণ হয় না। যেমন: ত্বক (তক্), স্বাধিকার, (শাধিকার্), ধ্বনি (ধোনি), স্বাগত (শাগতো) ইত্যাদি। গ. শব্দের মধ্যে কিংবা শেষে ব-ফলা থাকলে সংযুক্ত বর্ণের উচ্চারণ দ্বিত্ব ঘটে থাকে। যেমন: বিশ্ব (বি শ্শো), বিদ্বান (বিদ্ দান্), পক্ক (পক্ কো) ইত্যাদি। ঘ. শব্দের আদ্য ব্যঞ্জনবর্ণে ম-ফলা যুক্ত হলে সাধারণত তার কোনো উচ্চারণ হয় না। তবে ম-ফলা আশ্রয়ী ব্যঞ্জনের স্বরধ্বনিকে সানুনাসিক করে। যেমন: স্মরণ, (শঁরোন্), শ্মাশান, (শঁশান্), স্মারক (শাঁরোক্) ইত্যাদি।
HSC Bangla 2nd Paper বাংলা উচ্চারণের নিয়ম CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 2nd Paper · বাংলা উচ্চারণের নিয়ম · সৃজনশীল
উচ্চারণ রীতি কাকে বলে? উদাহরণসহ বাংলা উচ্চারণের চারটি নিয়ম লেখো।
উত্তর