"উপসর্গের অর্থ বাচকতা নেই, কিন্তু অর্থদৌত্যকতা আছে। আলোচনা কর।
উত্তর: যেসব অব্যয়সূচক শব্দাংশ বা বর্ণ সমষ্টি ধাতু বা ক্রিয়ামূল কিংবা নাম শব্দের পূর্বে বসে ধাতুটির শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটায় বা নতুন অর্থ সৃষ্টি করে অথচ নিজে কোন বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে না তাকে উপসর্গ বলে।উপসর্গ অন্য নাম বা কৃদন্ত শব্দের সাথে যুক্ত না হয়ে যখন স্বাধীন থাকে তখন তারা কোন অর্থ প্রকাশ করে না। কিন্তু অন্য নাম বা ক্রিতন্ত্র শব্দের সঙ্গে যুক্ত হওয়া মাত্রই আশ্রিত শব্দকে অবলম্বন করে বিশেষ বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। তাই বলা হয়- "উপসর্গের অর্থ বাচকতা নেই, কিন্তু অর্থদত্বকতা রয়েছে। উদাহরণ: প্র,অনা, আ এসব উপসর্গের কোন অর্থ নেই। কিন্তু এরা যথাক্রমে হার, আরো আবাদ প্রবৃদ্ধি ধাতু শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবাচক শব্দ গঠন করে। যেমন- : প্র+ হার= প্রহার অপ+মান= অপমান আ+মরণ= আমরণ সুতরাং দেখা যায় উপসর্গগুলোর নিজস্ব কোন অর্থ না থাকলেও অর্থদোত্যকতা বিদ্যমান অর্থাৎ নতুন অর্থ সৃষ্টির ক্ষমতা রয়েছে।
HSC Bangla 2nd Paper বাংলা ভাষার ব্যকরণিক শব্দশ্রেণি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 2nd Paper · বাংলা ভাষার ব্যকরণিক শব্দশ্রেণি · সৃজনশীল
"উপসর্গের অর্থ বাচকতা নেই, কিন্তু অর্থদৌত্যকতা আছে। আলোচনা কর।
উত্তর