অথবা, শহরের যানজট নিরসনে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে পত্রিকায় প্রকাশের জন্য একটি আবেদন পত্র লেখ।
উত্তর: ২২.২.২২২২ সম্পাদক দৈনিক প্রথম আলো কাওরান বাজার, ঢাকা বিষয় : যানজট সমস্যা নিরসন চাই "শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশের জন্য আবেদন। জনাব, হাবিবা আক্তার ফারিয়া জনসন রোড, ঢাকা যানজট সমস্যা নিরসন চাই পুরান ঢাকার রায় সাহেব মোর এবং তাঁতীবাজার অল্প দূরত্ব বজায় রেখে অবস্থান করছে। রায় সাহেব বাজার মোড়ের পূর্ব থেকে যাত্রাবাড়িগামির যাত্রী রাস্তা, পশ্চিম থেকে তাতিবাজার, নয়াবাজার এবং গুলিস্তানে যাওয়ার রাস্তা, উত্তর দিকে নবাবপুরে হয়ে গুলিস্তান এবং দক্ষিণ দিকে সদরঘাট। আর তাকি বছর মোড়ের পূর্ব দিকে রায় সাহেব বাজার মোড়, পশ্চিমে দ্বিতীয় বুড়িগঙ্গা সেতু। শেষ সেতু দিয়ে চলাফেরা করে দক্ষিণ অঞ্চলের অধিকাংশ গাড়ি। উত্তর দিকে গুলিস্থান। দক্ষিণ দিকে তাঁতিবাজার ও শাঁখারী বাজার, কোর্ট কাচারি ইত্যাদি। যে কারণে এই অঞ্চলটি পুরান ঢাকার মধ্যে অন্যতম। অভ্যন্তরীণ গাড়ি চলার পাশাপাশি সদরঘাট হয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নদী পথে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা হচ্ছে জনশন রোড।যা তাতি বাঁচার রায় সাহেব বাজার হয়ে সদরঘাটে গিয়েছে। অন্যদিকে মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও ফরিদপুর, বরিশাল বিভাগে এবং খুলনাকামি গাড়ি তাতীবাজার মোড় হয়ে দ্বিতীয় বুড়িগঙ্গ সেতু দিয়ে চলাচল করে। সে কারণে এঅঞ্চল যথার্থই ব্যস্ত অঞ্চল। অধিকাংশ সময় যানজটের কবলে পড়তে হয় যাত্রীদের। এ অঞ্চলে রয়েছে পুরান ঢাকার অফিস আদালত সহ বেশ কয়েকটি নাম করার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ঢাকা জর্জ কোর্ট, ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সহ পুরান ঢাকার ঐতিহ্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং সেন্ট গ্রেগোরি এবং সেন্ট ফ্রন্সিস স্কুল এ অঞ্চলে।কবি নজরুল কলেজ, সোহরাওয়ার্দী কলেজ, মুসলিম হাই স্কুল ইত্যাদির অবস্থানও এখানে। তাছাড়া পূর্বে বলা হয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় নদী বন্দর সদরটিও এটি। ফলে লাখ লাখ লোকের চলাচলের জন্য প্রয়োজনে রিক্সা থেকে শুরু করে ট্রাক পর্যন্ত চলাচল করে এই অঞ্চলে। এতে লোকের জন্য কত যানবাহন প্রয়োজন তার সহজেই অনুমেয়।ফলে যানজট প্রতিনিয়তই লেগে থাকে। থেকে শুরু করে স্কুল কলেজে ছাত্রছাত্রীদের দুর্ভোগ। অনেক সময় দেখা যায় সদরঘাট থেকে যাত্রীরা লঞ্চ না পেয়ে ব্যর্থ হয়ে বাসায় ফিরে যাচ্ছে। বিশেষ করে সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত চূড়ান্ত ভোগান্তির শিকার করতে হয় মানুষকে। বরাবর স্থানীয় কমিশনার থেকে অনেকেই এই সমস্যার সমাধানের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েছে। এ সমস্যার সমাধান কেবল ট্রাফিক পুলিশই করতে পারে, কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলেও সত্য, এ দুটি মোরেই পুলিশ প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজিতে ব্যস্ত থাকে। তারা যেন রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে বিভিন্ন যানবাহন থেকে টাকা নিয়ে কোন রহস্যময় কাজ উদ্ধারের জন্য। ট্রাফিক পুলিশের এই উৎকোচ নেওয়ার ধরনটি এখন যেন প্রথা হয়ে গেছে। বর্তমানে এ অঞ্চলের অবস্থা স্মরণকালে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা। সর্বসাধারণের থেকে পরিত্রাণ কামনা করে। এ অবস্থার উন্নতি তখন যানজট থেকে পরিত্রাণ সর্বসাধারণের প্রাণের দাবি। সাধারণ এ থেকে পরিত্রাণ কামনা করে।তাই জরুরী ভিত্তিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কার্যকর হস্তক্ষেপ খুবই জরুরী। নিবেদক- সর্বসাধারণের পক্ষে হাবিবা আক্তার ফারিয়া
HSC Bangla 2nd Paper বৈদ্যুতিন চিঠি/খুদে বার্তা এবং পত্রলিখন/আবেদনপত্র CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 2nd Paper · বৈদ্যুতিন চিঠি/খুদে বার্তা এবং পত্রলিখন/আবেদনপত্র · সৃজনশীল
অথবা, শহরের যানজট নিরসনে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে পত্রিকায় প্রকাশের জন্য একটি আবেদন পত্র লেখ।
উত্তর