Chittagong বোর্ড 2025 Biology 2nd Paper

Chittagong শিক্ষা বোর্ড 2025 সালের HSC Biology 2nd Paper বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

12

প্রশ্ন

Chittagong

বোর্ড

2025

সাল

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

প্যারাপোডিয়া ও নালিকা পদ প্রাণীদের চলন কাজে ব্যবহৃত হয়।

Chittagong · 2025

ক্লিভেজ কী?

উত্তর

যৌন জননকারী প্রাণীর জাইগোটের বহু বিভাজনই হলো ক্লিভেজ।
অঞ্চলায়ন বলতে কী বুঝ?

উত্তর

Arthropoda পর্বভুক্ত প্রাণীর দেহ বাহ্যিকভাবে খণ্ডায়িত হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে খণ্ডকগুলো স্পষ্ট নয় বরং দেহের বিভিন্ন জায়গায় কিছু খণ্ডক একত্রিত হয়ে দেহে কয়েকটি নির্দিষ্ট অঞ্চল গঠন করে। এভাবে সৃষ্ট প্রত্যেকটি অঞ্চল ট্যাগমা নামে পরিচিত। ট্যাগমা সৃষ্টির মাধ্যমে দেহের অঞ্চলীকরণকে অঞ্চলায়ন বা ট্যাগমাটাইজেশন বলে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত ১ম ধরনের চলনাঙ্গ বিশিষ্ট প্রাণীদের পর্বের শণাক্তকারী বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর।

উত্তর

চা উদ্দীপকে উল্লেখিত ১ম ধরনের চলনাঙ্গটি হলো প্যারাপোডিয়া।প্যারাপোডিয়া চলন অঙ্গটি Annelida পর্বভুক্ত প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়। নিচে Annelida পর্বের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো- ১. দেহ লম্বা, নলাকার, দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম, এপিথেলিয়াল নিঃসৃত পাতলা কিউটিকল দ্বারা আবৃত। ২. প্রকৃত সিলোমযুক্ত। ৩. প্রকৃত খণ্ডায়ন উপস্থিত এবং এদের চলন অঙ্গ কাইটিনময় সিটা অথবা প্যারাপোডিয়া। ৪. নেফ্রিডিয়া নামক প্যাঁচানো নালিকা প্রধান রেচন অঙ্গ। ৫. রক্ত সংবহনতন্ত্র বদ্ধ প্রকৃতির, রক্তের বর্ণ লাল। ৬. পৌস্টিকনালি নলাকার ও সম্পূর্ণ এবং মুখ ও পায়ুছিদ্র সমন্বিত। ৭. পরোক্ষ পরিস্ফুটনের ক্ষেত্রে মুক্ত সাঁতারু ট্রোকোফোর নামক লার্ভার বিকাশ ঘটে। ৮. অ্যানিলিড সদস্যরা মিঠা পানি, লোনা পানি বা স্থলে বাস করে। অনেকে স্বাধীনজীবী, কিছুসংখ্যক পরজীবীও বটে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত চলনাঙ্গ বিশিষ্ট প্রাণীদের মধ্যে শেষোক্ত প্রাণীটি অধিকতর উন্নত- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত চলনাঙ্গ দুইটি হলো যথাক্রমে প্যারাপোডিয়া এবং নালিকা পদ। প্যারাপোডিয়া Annelida পর্বের প্রাণীদের মধ্যে এবং নালিকাপদ Echinodermata পর্বের প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়। Echinodermata এবং Annelida-উভয়ই অমেরুদণ্ডী প্রাণীর দুইটি আলাদা পর্ব হলেও কিছু দিক থেকে Echinodermata পর্বের প্রাণীরা Annelida পর্বের প্রাণীদের তুলনায় অধিকতর উন্নত। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- ১. Echinodermata পর্বের প্রাণীদের দেহ খণ্ডিত নয়, বরং রেডিয়াল সুষমতা দেখা যায়। দেহ ক্যালসিয়ামযুক্ত অভ্যন্তরীণ অস্থিচর্ম থাকে, যা উন্নত গঠন নির্দেশ করে, Annelida প্রাণীদের দেহ খণ্ডায়িত যা অনুন্নত বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে। ২. Echinodermata প্রাণীদের জলবাহী পদ্ধতি থাকে, যা চলাচল, আহার ও শ্বাস-প্রশ্বাসে সাহায্য করে। এটি একটি উন্নত শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য। Annelida প্রাণীদের বদ্ধ রক্তসংবহন পদ্ধতি আছে, কিন্তু কোনো বিশেষ সংবহন বা চলাচল ব্যবস্থার উন্নততা নেই। এটি একটি অনুন্নত বৈশিষ্ট্য। ৩. Echinodermata-র প্রাণীদের পুনর্জনন ক্ষমতা অধিক উন্নত ও কার্যকর। কিন্তু Annelida প্রাণীদের পুনর্জননের কিছু ক্ষমতা থাকলেও সীমিত। 8. Echinodermata প্রাণীরা কার্ডেট প্রাণীদের কাছাকাছি হওয়ায় বিবর্তনগতভাবে বেশি উন্নত। এটি উন্নত প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য, যাAnnelida প্রাণীদের ক্ষেত্রে অনুপস্থিত। ৫. Echinodermata প্রাণীদের জটিল স্নায়ু বলয় ও রেডিয়াল নার্ভ থাকে, যদিও মস্তিষ্ক নেই তবুও সংবেদনশীলতা বেশি। Annelida প্রাণীদের ক্ষেত্রে সরল স্নায়ুতন্ত্র দেখা যায় যা অনুন্নত প্রাণীর বৈশিষ্ট্য। অতএব, উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বুঝায় যায় যে, Echinodermata প্রাণীরা Annelida পর্বের প্রাণী অপেক্ষা অধিকতর উন্নত প্রাণী।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

প্যারাপোডিয়া ও নালিকা পদ প্রাণীদের চলন কাজে ব্যবহৃত হয়।

Chittagong · 2025

ক্লিভেজ কী?

উত্তর

যৌন জননকারী প্রাণীর জাইগোটের বহু বিভাজনই হলো ক্লিভেজ।
অঞ্চলায়ন বলতে কী বুঝ?

উত্তর

Arthropoda পর্বভুক্ত প্রাণীর দেহ বাহ্যিকভাবে খণ্ডায়িত হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে খণ্ডকগুলো স্পষ্ট নয় বরং দেহের বিভিন্ন জায়গায় কিছু খণ্ডক একত্রিত হয়ে দেহে কয়েকটি নির্দিষ্ট অঞ্চল গঠন করে। এভাবে সৃষ্ট প্রত্যেকটি অঞ্চল ট্যাগমা নামে পরিচিত। ট্যাগমা সৃষ্টির মাধ্যমে দেহের অঞ্চলীকরণকে অঞ্চলায়ন বা ট্যাগমাটাইজেশন বলে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত ১ম ধরনের চলনাঙ্গ বিশিষ্ট প্রাণীদের পর্বের শণাক্তকারী বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর।

উত্তর

চা উদ্দীপকে উল্লেখিত ১ম ধরনের চলনাঙ্গটি হলো প্যারাপোডিয়া।প্যারাপোডিয়া চলন অঙ্গটি Annelida পর্বভুক্ত প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়। নিচে Annelida পর্বের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো- ১. দেহ লম্বা, নলাকার, দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম, এপিথেলিয়াল নিঃসৃত পাতলা কিউটিকল দ্বারা আবৃত। ২. প্রকৃত সিলোমযুক্ত। ৩. প্রকৃত খণ্ডায়ন উপস্থিত এবং এদের চলন অঙ্গ কাইটিনময় সিটা অথবা প্যারাপোডিয়া। ৪. নেফ্রিডিয়া নামক প্যাঁচানো নালিকা প্রধান রেচন অঙ্গ। ৫. রক্ত সংবহনতন্ত্র বদ্ধ প্রকৃতির, রক্তের বর্ণ লাল। ৬. পৌস্টিকনালি নলাকার ও সম্পূর্ণ এবং মুখ ও পায়ুছিদ্র সমন্বিত। ৭. পরোক্ষ পরিস্ফুটনের ক্ষেত্রে মুক্ত সাঁতারু ট্রোকোফোর নামক লার্ভার বিকাশ ঘটে। ৮. অ্যানিলিড সদস্যরা মিঠা পানি, লোনা পানি বা স্থলে বাস করে। অনেকে স্বাধীনজীবী, কিছুসংখ্যক পরজীবীও বটে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত চলনাঙ্গ বিশিষ্ট প্রাণীদের মধ্যে শেষোক্ত প্রাণীটি অধিকতর উন্নত- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত চলনাঙ্গ দুইটি হলো যথাক্রমে প্যারাপোডিয়া এবং নালিকা পদ। প্যারাপোডিয়া Annelida পর্বের প্রাণীদের মধ্যে এবং নালিকাপদ Echinodermata পর্বের প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়। Echinodermata এবং Annelida-উভয়ই অমেরুদণ্ডী প্রাণীর দুইটি আলাদা পর্ব হলেও কিছু দিক থেকে Echinodermata পর্বের প্রাণীরা Annelida পর্বের প্রাণীদের তুলনায় অধিকতর উন্নত। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- ১. Echinodermata পর্বের প্রাণীদের দেহ খণ্ডিত নয়, বরং রেডিয়াল সুষমতা দেখা যায়। দেহ ক্যালসিয়ামযুক্ত অভ্যন্তরীণ অস্থিচর্ম থাকে, যা উন্নত গঠন নির্দেশ করে, Annelida প্রাণীদের দেহ খণ্ডায়িত যা অনুন্নত বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে। ২. Echinodermata প্রাণীদের জলবাহী পদ্ধতি থাকে, যা চলাচল, আহার ও শ্বাস-প্রশ্বাসে সাহায্য করে। এটি একটি উন্নত শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য। Annelida প্রাণীদের বদ্ধ রক্তসংবহন পদ্ধতি আছে, কিন্তু কোনো বিশেষ সংবহন বা চলাচল ব্যবস্থার উন্নততা নেই। এটি একটি অনুন্নত বৈশিষ্ট্য। ৩. Echinodermata-র প্রাণীদের পুনর্জনন ক্ষমতা অধিক উন্নত ও কার্যকর। কিন্তু Annelida প্রাণীদের পুনর্জননের কিছু ক্ষমতা থাকলেও সীমিত। 8. Echinodermata প্রাণীরা কার্ডেট প্রাণীদের কাছাকাছি হওয়ায় বিবর্তনগতভাবে বেশি উন্নত। এটি উন্নত প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য, যাAnnelida প্রাণীদের ক্ষেত্রে অনুপস্থিত। ৫. Echinodermata প্রাণীদের জটিল স্নায়ু বলয় ও রেডিয়াল নার্ভ থাকে, যদিও মস্তিষ্ক নেই তবুও সংবেদনশীলতা বেশি। Annelida প্রাণীদের ক্ষেত্রে সরল স্নায়ুতন্ত্র দেখা যায় যা অনুন্নত প্রাণীর বৈশিষ্ট্য। অতএব, উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বুঝায় যায় যে, Echinodermata প্রাণীরা Annelida পর্বের প্রাণী অপেক্ষা অধিকতর উন্নত প্রাণী।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

প্যারাপোডিয়া ও নালিকা পদ প্রাণীদের চলন কাজে ব্যবহৃত হয়।

Chittagong · 2025

ক্লিভেজ কী?

উত্তর

যৌন জননকারী প্রাণীর জাইগোটের বহু বিভাজনই হলো ক্লিভেজ।
অঞ্চলায়ন বলতে কী বুঝ?

উত্তর

Arthropoda পর্বভুক্ত প্রাণীর দেহ বাহ্যিকভাবে খণ্ডায়িত হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে খণ্ডকগুলো স্পষ্ট নয় বরং দেহের বিভিন্ন জায়গায় কিছু খণ্ডক একত্রিত হয়ে দেহে কয়েকটি নির্দিষ্ট অঞ্চল গঠন করে। এভাবে সৃষ্ট প্রত্যেকটি অঞ্চল ট্যাগমা নামে পরিচিত। ট্যাগমা সৃষ্টির মাধ্যমে দেহের অঞ্চলীকরণকে অঞ্চলায়ন বা ট্যাগমাটাইজেশন বলে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত ১ম ধরনের চলনাঙ্গ বিশিষ্ট প্রাণীদের পর্বের শণাক্তকারী বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর।

উত্তর

চা উদ্দীপকে উল্লেখিত ১ম ধরনের চলনাঙ্গটি হলো প্যারাপোডিয়া।প্যারাপোডিয়া চলন অঙ্গটি Annelida পর্বভুক্ত প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়। নিচে Annelida পর্বের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো- ১. দেহ লম্বা, নলাকার, দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম, এপিথেলিয়াল নিঃসৃত পাতলা কিউটিকল দ্বারা আবৃত। ২. প্রকৃত সিলোমযুক্ত। ৩. প্রকৃত খণ্ডায়ন উপস্থিত এবং এদের চলন অঙ্গ কাইটিনময় সিটা অথবা প্যারাপোডিয়া। ৪. নেফ্রিডিয়া নামক প্যাঁচানো নালিকা প্রধান রেচন অঙ্গ। ৫. রক্ত সংবহনতন্ত্র বদ্ধ প্রকৃতির, রক্তের বর্ণ লাল। ৬. পৌস্টিকনালি নলাকার ও সম্পূর্ণ এবং মুখ ও পায়ুছিদ্র সমন্বিত। ৭. পরোক্ষ পরিস্ফুটনের ক্ষেত্রে মুক্ত সাঁতারু ট্রোকোফোর নামক লার্ভার বিকাশ ঘটে। ৮. অ্যানিলিড সদস্যরা মিঠা পানি, লোনা পানি বা স্থলে বাস করে। অনেকে স্বাধীনজীবী, কিছুসংখ্যক পরজীবীও বটে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত চলনাঙ্গ বিশিষ্ট প্রাণীদের মধ্যে শেষোক্ত প্রাণীটি অধিকতর উন্নত- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত চলনাঙ্গ দুইটি হলো যথাক্রমে প্যারাপোডিয়া এবং নালিকা পদ। প্যারাপোডিয়া Annelida পর্বের প্রাণীদের মধ্যে এবং নালিকাপদ Echinodermata পর্বের প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়। Echinodermata এবং Annelida-উভয়ই অমেরুদণ্ডী প্রাণীর দুইটি আলাদা পর্ব হলেও কিছু দিক থেকে Echinodermata পর্বের প্রাণীরা Annelida পর্বের প্রাণীদের তুলনায় অধিকতর উন্নত। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- ১. Echinodermata পর্বের প্রাণীদের দেহ খণ্ডিত নয়, বরং রেডিয়াল সুষমতা দেখা যায়। দেহ ক্যালসিয়ামযুক্ত অভ্যন্তরীণ অস্থিচর্ম থাকে, যা উন্নত গঠন নির্দেশ করে, Annelida প্রাণীদের দেহ খণ্ডায়িত যা অনুন্নত বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে। ২. Echinodermata প্রাণীদের জলবাহী পদ্ধতি থাকে, যা চলাচল, আহার ও শ্বাস-প্রশ্বাসে সাহায্য করে। এটি একটি উন্নত শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য। Annelida প্রাণীদের বদ্ধ রক্তসংবহন পদ্ধতি আছে, কিন্তু কোনো বিশেষ সংবহন বা চলাচল ব্যবস্থার উন্নততা নেই। এটি একটি অনুন্নত বৈশিষ্ট্য। ৩. Echinodermata-র প্রাণীদের পুনর্জনন ক্ষমতা অধিক উন্নত ও কার্যকর। কিন্তু Annelida প্রাণীদের পুনর্জননের কিছু ক্ষমতা থাকলেও সীমিত। 8. Echinodermata প্রাণীরা কার্ডেট প্রাণীদের কাছাকাছি হওয়ায় বিবর্তনগতভাবে বেশি উন্নত। এটি উন্নত প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য, যাAnnelida প্রাণীদের ক্ষেত্রে অনুপস্থিত। ৫. Echinodermata প্রাণীদের জটিল স্নায়ু বলয় ও রেডিয়াল নার্ভ থাকে, যদিও মস্তিষ্ক নেই তবুও সংবেদনশীলতা বেশি। Annelida প্রাণীদের ক্ষেত্রে সরল স্নায়ুতন্ত্র দেখা যায় যা অনুন্নত প্রাণীর বৈশিষ্ট্য। অতএব, উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বুঝায় যায় যে, Echinodermata প্রাণীরা Annelida পর্বের প্রাণী অপেক্ষা অধিকতর উন্নত প্রাণী।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

প্যারাপোডিয়া ও নালিকা পদ প্রাণীদের চলন কাজে ব্যবহৃত হয়।

Chittagong · 2025

ক্লিভেজ কী?

উত্তর

যৌন জননকারী প্রাণীর জাইগোটের বহু বিভাজনই হলো ক্লিভেজ।
অঞ্চলায়ন বলতে কী বুঝ?

উত্তর

Arthropoda পর্বভুক্ত প্রাণীর দেহ বাহ্যিকভাবে খণ্ডায়িত হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে খণ্ডকগুলো স্পষ্ট নয় বরং দেহের বিভিন্ন জায়গায় কিছু খণ্ডক একত্রিত হয়ে দেহে কয়েকটি নির্দিষ্ট অঞ্চল গঠন করে। এভাবে সৃষ্ট প্রত্যেকটি অঞ্চল ট্যাগমা নামে পরিচিত। ট্যাগমা সৃষ্টির মাধ্যমে দেহের অঞ্চলীকরণকে অঞ্চলায়ন বা ট্যাগমাটাইজেশন বলে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত ১ম ধরনের চলনাঙ্গ বিশিষ্ট প্রাণীদের পর্বের শণাক্তকারী বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর।

উত্তর

চা উদ্দীপকে উল্লেখিত ১ম ধরনের চলনাঙ্গটি হলো প্যারাপোডিয়া।প্যারাপোডিয়া চলন অঙ্গটি Annelida পর্বভুক্ত প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়। নিচে Annelida পর্বের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো- ১. দেহ লম্বা, নলাকার, দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম, এপিথেলিয়াল নিঃসৃত পাতলা কিউটিকল দ্বারা আবৃত। ২. প্রকৃত সিলোমযুক্ত। ৩. প্রকৃত খণ্ডায়ন উপস্থিত এবং এদের চলন অঙ্গ কাইটিনময় সিটা অথবা প্যারাপোডিয়া। ৪. নেফ্রিডিয়া নামক প্যাঁচানো নালিকা প্রধান রেচন অঙ্গ। ৫. রক্ত সংবহনতন্ত্র বদ্ধ প্রকৃতির, রক্তের বর্ণ লাল। ৬. পৌস্টিকনালি নলাকার ও সম্পূর্ণ এবং মুখ ও পায়ুছিদ্র সমন্বিত। ৭. পরোক্ষ পরিস্ফুটনের ক্ষেত্রে মুক্ত সাঁতারু ট্রোকোফোর নামক লার্ভার বিকাশ ঘটে। ৮. অ্যানিলিড সদস্যরা মিঠা পানি, লোনা পানি বা স্থলে বাস করে। অনেকে স্বাধীনজীবী, কিছুসংখ্যক পরজীবীও বটে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত চলনাঙ্গ বিশিষ্ট প্রাণীদের মধ্যে শেষোক্ত প্রাণীটি অধিকতর উন্নত- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত চলনাঙ্গ দুইটি হলো যথাক্রমে প্যারাপোডিয়া এবং নালিকা পদ। প্যারাপোডিয়া Annelida পর্বের প্রাণীদের মধ্যে এবং নালিকাপদ Echinodermata পর্বের প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়। Echinodermata এবং Annelida-উভয়ই অমেরুদণ্ডী প্রাণীর দুইটি আলাদা পর্ব হলেও কিছু দিক থেকে Echinodermata পর্বের প্রাণীরা Annelida পর্বের প্রাণীদের তুলনায় অধিকতর উন্নত। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- ১. Echinodermata পর্বের প্রাণীদের দেহ খণ্ডিত নয়, বরং রেডিয়াল সুষমতা দেখা যায়। দেহ ক্যালসিয়ামযুক্ত অভ্যন্তরীণ অস্থিচর্ম থাকে, যা উন্নত গঠন নির্দেশ করে, Annelida প্রাণীদের দেহ খণ্ডায়িত যা অনুন্নত বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে। ২. Echinodermata প্রাণীদের জলবাহী পদ্ধতি থাকে, যা চলাচল, আহার ও শ্বাস-প্রশ্বাসে সাহায্য করে। এটি একটি উন্নত শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য। Annelida প্রাণীদের বদ্ধ রক্তসংবহন পদ্ধতি আছে, কিন্তু কোনো বিশেষ সংবহন বা চলাচল ব্যবস্থার উন্নততা নেই। এটি একটি অনুন্নত বৈশিষ্ট্য। ৩. Echinodermata-র প্রাণীদের পুনর্জনন ক্ষমতা অধিক উন্নত ও কার্যকর। কিন্তু Annelida প্রাণীদের পুনর্জননের কিছু ক্ষমতা থাকলেও সীমিত। 8. Echinodermata প্রাণীরা কার্ডেট প্রাণীদের কাছাকাছি হওয়ায় বিবর্তনগতভাবে বেশি উন্নত। এটি উন্নত প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য, যাAnnelida প্রাণীদের ক্ষেত্রে অনুপস্থিত। ৫. Echinodermata প্রাণীদের জটিল স্নায়ু বলয় ও রেডিয়াল নার্ভ থাকে, যদিও মস্তিষ্ক নেই তবুও সংবেদনশীলতা বেশি। Annelida প্রাণীদের ক্ষেত্রে সরল স্নায়ুতন্ত্র দেখা যায় যা অনুন্নত প্রাণীর বৈশিষ্ট্য। অতএব, উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বুঝায় যায় যে, Echinodermata প্রাণীরা Annelida পর্বের প্রাণী অপেক্ষা অধিকতর উন্নত প্রাণী।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শ্বাসরঞ্জন না থাকায় পতঙ্গ বিশেষ ধরনের নালি দ্বারা গঠিত তন্ত্রের মাধ্যমে কোষ পর্যন্ত অক্সিজেন পৌছে দেয়।

Chittagong · 2025

হেপাটিক সিকাী কী?

উত্তর

ঘাসফড়িং এর পৌষ্টিক নালির অগ্রঅন্ত্র ও মধ্য অন্ত্রের সংযোগস্থলে ছয় জোড়া ফাঁপা, লম্বা ও মোচাকৃতির থলি থাকে তাদের গ্যাস্ট্রিকসিকা বা হেপাটিক সিকা বলে।
সিলোম ও হিমোসিলের মধ্যে পার্থক্য লেখ।

উত্তর

সিলোম ও হিমোসিলের মধ্যে পার্থক্য নিচে উল্লেখ করা হলো- question image
উদ্দীপকে উল্লেখিত নালিটির গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো ঘাসফড়িং এবং বিশেষ ধরনের নালি শ্বসনতন্ত্রকে বুঝানো হয়েছে। ঘাসফড়িং-এর শ্বসনতন্ত্রকে ট্রাকিয়ালতন্ত্র বলা হয়। ট্রাকিয়ালতন্ত্রের মাধ্যমেই ঘাসফড়িং শ্বসনকার্য সম্পন্ন করে।নিচে নালিটির অর্থাৎ ট্রাকিয়ালতন্ত্রের গঠন বর্ণনা করা হলো- ১. শ্বাসরন্দ্র: ঘাসফড়িং-এর বক্ষদেশে দুইজোড়া এবং উদর অঞ্চলে আটজোড়া অর্থাৎ মোট ১০ জোড়া শ্বাসরন্দ্র অনুদৈর্ঘ্যভাবে অবস্থান করে। রন্দ্রগুলোর মুখে সূক্ষ্ম রোমযুক্ত ছাঁকনি থাকায় ধুলাবালি, জীবাণু, পানি ইত্যাদি ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না। শ্বাসরন্দ্রগুলো পেশি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত কপাটিকার সক্রিয়তায় বদ্ধ ও উন্মুক্ত হয়। ২. শ্বাসনালি বা ট্রাকিয়া: শ্বাসরন্দ্রগুলো দেহমধ্যস্থ অ্যাট্রিয়াম গহ্বর পথে যে স্থিতিস্থাপক, সূক্ষ্মনালিতে উন্মুক্ত হয় তাদের ট্রাকিয়া বলে। ট্রাকিয়াগুলো পরবর্তীতে শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়ে সমগ্র দেহে জালিকাকারে বিন্যস্ত হয়। শাখা-প্রশাখা সৃষ্টিকারী ট্রাকিয়াকে ট্রাকিয়াল কান্ড বলা হয়ে থাকে। ঘাসফড়িং-এর দেহে তিন জোড়া ট্রাকিয়াল কাণ্ড থাকে। ৩. ট্রাকিওল: ট্রাকিয়া থেকে সৃষ্ট অতিসূক্ষ্ম শ্বাসনালিকাকে ট্রাকিওল বলে। ট্রাকিওলের বর্ণ অস্বচ্ছ, প্রাচীর পাতলা এবং অন্তঃপ্রাচীর টিনিডিয়াবিহীন। ট্রাকিওল কোষগুলো তরলে পূর্ণ থাকে। এ তরলের মাধ্যমে দেহকোষে গ্যাসীয় আদান-প্রদান ঘটে। ৪. বায়ুথলি: ঘাসফড়িং-এর কতকগুলো ট্রাকিয়া প্রসারিত হয়ে পাতলা প্রাচীর বিশিষ্ট বায়ুথলি সৃষ্টি করে। বায়ুথলিতে বাতাস সঞ্চিত থাকে, যা শ্বসনের সময় বায়ু প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত তন্ত্রের কার্যপদ্ধতি রুই মাছের তুলনায় ভিন্ন- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত পতঙ্গটি হলো ঘাসফড়িং, যা Arthropoda পর্বের প্রাণী। ঘাসফড়িং এর শ্বসন পদ্ধতি রুইমাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- ঘাসফড়িং এর রক্তে কোনো শ্বাসরঞ্জক বা হিমোগ্লোরিন না থাকায় এর রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে O2O_2 পরিবহন করতে পারে না। O2O_2 পরিবহনের এই অক্ষমতা পূরণের জন্য পরিবেশ থেকে গৃহীত O2O_2 সরাসরি দেহকোষে প্রবেশের ক্ষেত্রে ট্রাকিয়া নামক শ্বাসনালির উদ্ভব ঘটেছে। এই শ্বাসনালিগুলোর মাধ্যমে O2O_2 দেহের প্রতিটি কোষে পৌছায় এবং শ্বসন ক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন CO2CO_2 দেহের বাইরে নির্গত হয়। শ্বসনতন্ত্রের বিভিন্ন অঙ্গাণুর মাধ্যমে শ্বাসগ্রহণ ও শ্বাসত্যাগ প্রক্রিয়ায় উল্লিখিত ঘটনাটি সূচারুরূপে ঘটে থাকে। শ্বাস গ্রহণে ট্রাকিয়ার আয়তন বৃদ্ধি পায় ফলে O2O_2 যুক্ত বায়ু শ্বাসরন্দ্রের মাধ্যমে অ্যাট্রিয়ামে ও পরে ট্রাকিয়ার মধ্য দিয়ে তা ট্রাকিওল হয়ে প্রান্তীয় থলিতে পৌছায়। সেখানে ট্রাকিওল রসে বায়ুস্থ O2O_2 দ্রবীভূত হয়ে দেহ কোষে প্রবেশ করে। অপরদিকে, রুই মাছের প্রধান শ্বসন অঙ্গ হলো ফুলকা। এ অঙ্গটি দ্বারা রুই মাছ শ্বসন কার্য সম্পন্ন করে থাকে। প্রশ্বাসের সময় রুই মাছের মুখের পেশি প্রসারিত হয় বলে গলবিল ও মুখ গহ্বরের প্রসারণ ঘটে। এ সময় ফুলকা আর্চ বাইরের দিকে প্রসারিত হয় এবং মুখের সম্মুখে অবস্থিত কপাটিকা খুলে যায়। মুখ গহ্বরের প্রকোষ্ঠের আয়তন বৃদ্ধি ঘটায়, O2O_2 সমৃদ্ধ পানি বাইরের পরিবেশ থেকে মুখছিদ্রের মধ্য দিয়ে মুখবিবর ও গলবিলে প্রবেশ করে এবং অন্তঃফুলকা ছিদ্রের মাধ্যমে পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠের ফুলকার সংস্পর্শে আসে। ফুলকা সূত্রের উপর দিয়ে পানি প্রবাহের সময় ফুলকাতে অবস্থিত কৈশিক জালিকার রক্তের সাথে পানির গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে ফলে পানি থেকে রক্তে O2O_2 প্রবেশ করে এবং রক্ত থেকে 'পানিতে CO2CO_2 মুক্ত হয়। O2O_2 এবং CO2CO_2 গ্যাসের বিনিময় সম্পাদনের পর পেশি সংকোচনের ফলে মুখবিবর ও ফুলকা প্রকোষ্ঠ সংকুচিত হতে থাকে। ফলে CO2CO_2 'যুক্ত পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠ থেকে বেরিয়ে মুখবিবরে যায়। এ সময় মুখছিদ্রের কপাটিকা দুটি বন্ধ থাকে এবং মুখবি বরের আয়তন হ্রাস পায়। ফলে অপারকুলাম এবং ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা খুলে যায় এবং বহিঃফুলকা ছিদ্র পথে CO2CO_2 যুক্ত পানি দেহের বাইরে বের হয়ে আসে। উপরের আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে, ঘাসফড়িং এর শ্বসন পদ্ধতি রুই মাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শ্বাসরঞ্জন না থাকায় পতঙ্গ বিশেষ ধরনের নালি দ্বারা গঠিত তন্ত্রের মাধ্যমে কোষ পর্যন্ত অক্সিজেন পৌছে দেয়।

Chittagong · 2025

হেপাটিক সিকাী কী?

উত্তর

ঘাসফড়িং এর পৌষ্টিক নালির অগ্রঅন্ত্র ও মধ্য অন্ত্রের সংযোগস্থলে ছয় জোড়া ফাঁপা, লম্বা ও মোচাকৃতির থলি থাকে তাদের গ্যাস্ট্রিকসিকা বা হেপাটিক সিকা বলে।
সিলোম ও হিমোসিলের মধ্যে পার্থক্য লেখ।

উত্তর

সিলোম ও হিমোসিলের মধ্যে পার্থক্য নিচে উল্লেখ করা হলো- question image
উদ্দীপকে উল্লেখিত নালিটির গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো ঘাসফড়িং এবং বিশেষ ধরনের নালি শ্বসনতন্ত্রকে বুঝানো হয়েছে। ঘাসফড়িং-এর শ্বসনতন্ত্রকে ট্রাকিয়ালতন্ত্র বলা হয়। ট্রাকিয়ালতন্ত্রের মাধ্যমেই ঘাসফড়িং শ্বসনকার্য সম্পন্ন করে।নিচে নালিটির অর্থাৎ ট্রাকিয়ালতন্ত্রের গঠন বর্ণনা করা হলো- ১. শ্বাসরন্দ্র: ঘাসফড়িং-এর বক্ষদেশে দুইজোড়া এবং উদর অঞ্চলে আটজোড়া অর্থাৎ মোট ১০ জোড়া শ্বাসরন্দ্র অনুদৈর্ঘ্যভাবে অবস্থান করে। রন্দ্রগুলোর মুখে সূক্ষ্ম রোমযুক্ত ছাঁকনি থাকায় ধুলাবালি, জীবাণু, পানি ইত্যাদি ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না। শ্বাসরন্দ্রগুলো পেশি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত কপাটিকার সক্রিয়তায় বদ্ধ ও উন্মুক্ত হয়। ২. শ্বাসনালি বা ট্রাকিয়া: শ্বাসরন্দ্রগুলো দেহমধ্যস্থ অ্যাট্রিয়াম গহ্বর পথে যে স্থিতিস্থাপক, সূক্ষ্মনালিতে উন্মুক্ত হয় তাদের ট্রাকিয়া বলে। ট্রাকিয়াগুলো পরবর্তীতে শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়ে সমগ্র দেহে জালিকাকারে বিন্যস্ত হয়। শাখা-প্রশাখা সৃষ্টিকারী ট্রাকিয়াকে ট্রাকিয়াল কান্ড বলা হয়ে থাকে। ঘাসফড়িং-এর দেহে তিন জোড়া ট্রাকিয়াল কাণ্ড থাকে। ৩. ট্রাকিওল: ট্রাকিয়া থেকে সৃষ্ট অতিসূক্ষ্ম শ্বাসনালিকাকে ট্রাকিওল বলে। ট্রাকিওলের বর্ণ অস্বচ্ছ, প্রাচীর পাতলা এবং অন্তঃপ্রাচীর টিনিডিয়াবিহীন। ট্রাকিওল কোষগুলো তরলে পূর্ণ থাকে। এ তরলের মাধ্যমে দেহকোষে গ্যাসীয় আদান-প্রদান ঘটে। ৪. বায়ুথলি: ঘাসফড়িং-এর কতকগুলো ট্রাকিয়া প্রসারিত হয়ে পাতলা প্রাচীর বিশিষ্ট বায়ুথলি সৃষ্টি করে। বায়ুথলিতে বাতাস সঞ্চিত থাকে, যা শ্বসনের সময় বায়ু প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত তন্ত্রের কার্যপদ্ধতি রুই মাছের তুলনায় ভিন্ন- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত পতঙ্গটি হলো ঘাসফড়িং, যা Arthropoda পর্বের প্রাণী। ঘাসফড়িং এর শ্বসন পদ্ধতি রুইমাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- ঘাসফড়িং এর রক্তে কোনো শ্বাসরঞ্জক বা হিমোগ্লোরিন না থাকায় এর রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে O2O_2 পরিবহন করতে পারে না। O2O_2 পরিবহনের এই অক্ষমতা পূরণের জন্য পরিবেশ থেকে গৃহীত O2O_2 সরাসরি দেহকোষে প্রবেশের ক্ষেত্রে ট্রাকিয়া নামক শ্বাসনালির উদ্ভব ঘটেছে। এই শ্বাসনালিগুলোর মাধ্যমে O2O_2 দেহের প্রতিটি কোষে পৌছায় এবং শ্বসন ক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন CO2CO_2 দেহের বাইরে নির্গত হয়। শ্বসনতন্ত্রের বিভিন্ন অঙ্গাণুর মাধ্যমে শ্বাসগ্রহণ ও শ্বাসত্যাগ প্রক্রিয়ায় উল্লিখিত ঘটনাটি সূচারুরূপে ঘটে থাকে। শ্বাস গ্রহণে ট্রাকিয়ার আয়তন বৃদ্ধি পায় ফলে O2O_2 যুক্ত বায়ু শ্বাসরন্দ্রের মাধ্যমে অ্যাট্রিয়ামে ও পরে ট্রাকিয়ার মধ্য দিয়ে তা ট্রাকিওল হয়ে প্রান্তীয় থলিতে পৌছায়। সেখানে ট্রাকিওল রসে বায়ুস্থ O2O_2 দ্রবীভূত হয়ে দেহ কোষে প্রবেশ করে। অপরদিকে, রুই মাছের প্রধান শ্বসন অঙ্গ হলো ফুলকা। এ অঙ্গটি দ্বারা রুই মাছ শ্বসন কার্য সম্পন্ন করে থাকে। প্রশ্বাসের সময় রুই মাছের মুখের পেশি প্রসারিত হয় বলে গলবিল ও মুখ গহ্বরের প্রসারণ ঘটে। এ সময় ফুলকা আর্চ বাইরের দিকে প্রসারিত হয় এবং মুখের সম্মুখে অবস্থিত কপাটিকা খুলে যায়। মুখ গহ্বরের প্রকোষ্ঠের আয়তন বৃদ্ধি ঘটায়, O2O_2 সমৃদ্ধ পানি বাইরের পরিবেশ থেকে মুখছিদ্রের মধ্য দিয়ে মুখবিবর ও গলবিলে প্রবেশ করে এবং অন্তঃফুলকা ছিদ্রের মাধ্যমে পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠের ফুলকার সংস্পর্শে আসে। ফুলকা সূত্রের উপর দিয়ে পানি প্রবাহের সময় ফুলকাতে অবস্থিত কৈশিক জালিকার রক্তের সাথে পানির গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে ফলে পানি থেকে রক্তে O2O_2 প্রবেশ করে এবং রক্ত থেকে 'পানিতে CO2CO_2 মুক্ত হয়। O2O_2 এবং CO2CO_2 গ্যাসের বিনিময় সম্পাদনের পর পেশি সংকোচনের ফলে মুখবিবর ও ফুলকা প্রকোষ্ঠ সংকুচিত হতে থাকে। ফলে CO2CO_2 'যুক্ত পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠ থেকে বেরিয়ে মুখবিবরে যায়। এ সময় মুখছিদ্রের কপাটিকা দুটি বন্ধ থাকে এবং মুখবি বরের আয়তন হ্রাস পায়। ফলে অপারকুলাম এবং ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা খুলে যায় এবং বহিঃফুলকা ছিদ্র পথে CO2CO_2 যুক্ত পানি দেহের বাইরে বের হয়ে আসে। উপরের আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে, ঘাসফড়িং এর শ্বসন পদ্ধতি রুই মাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর- question image

Chittagong · 2025

আঁইশ কী?

উত্তর

মাছের দেহত্বক যেসব পাত-সদৃশ পাতলা অস্থিময় গঠনে আবৃত যা মাছের দেহকে রক্ষা করে এবং পানিতে চলাচল সহজ করে, তাদেরকে আঁইশ বলে।
একচক্রী রক্ত সংবহন বলতে কী বুঝ?

উত্তর

যে সংবহনে রক্ত একবার মাত্র হৃৎপিণ্ডে প্রবেশ করে একটি মাত্র চক্র সম্পন্ন করে তাকে একচক্রী রক্ত সংবহন বলে। যেমন- মাছের ক্ষেত্রে হৃৎপিণ্ড থেকে CO2CO_2 যুক্ত রক্ত অন্তর্বাহী বা অ্যাফারেন্ট ব্রাঙ্কিয়াল ধমনির মাধ্যমে ফুলকায় যায়, যেখানে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় গ্যাসের বিনিময় হয় এবং O2O_2 যুক্ত রক্ত বহির্বাহী বা ইফারেন্ট ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি দিয়ে দেহ কোষে পৌছে। দেহে বিপাকীয় কাজের পর উৎপন্ন CO2CO_2 যুক্ত রক্ত শিরাতন্ত্রের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে। এক্ষেত্রে রক্ত একটি চক্রে আবর্তিত হয়। হৃৎপিণ্ড শুধু CO2CO_2 যুক্ত রক্ত বহন করে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গটির গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীটি হলো রুই মাছ এবং প্রথম অঙ্গটি হলো হৃৎপিণ্ড। নিচে রুই মাছের হৃৎপিণ্ডের গঠন বর্ণনা করা হলো- গঠন: ১. সাইনাস ভেনোসাস: এটি পাতলা প্রাচীর বিশিষ্ট উপপ্রকোষ্ঠ যা হৃৎপিণ্ডের পৃষ্ঠদেশে অবস্থিত। ২. অ্যাট্রিয়াম: এটি পেরিকার্ডিয়াল গহ্বরের সম্মুখ পৃষ্ঠভাগে অবস্থিত পাতলা প্রাচীরবিশিষ্ট বৃহত্তম প্রকোষ্ঠ। ৩. ভেন্ট্রিকল: এটি হৃৎপিন্ডের সর্বশেষ প্রকোষ্ঠ। পেরিকার্ডিয়াল গহ্বরের অঙ্কীয় দেশে অবস্থিত। ৪. বাম্বাস আর্টারিওসাস: বুই মাছের হৃৎপিণ্ডে কোনাস আর্টারিওসাস নেই। তার পরিবর্তে বাল্বাস আর্টারিওসাস নামক একটি গঠন দেখা অ্যাওর্টার স্ফীত হওয়া যায় যা মূলত ভেন্ট্রাল গোড়া বা মূল। এটি হৃৎপিণ্ড থেকে ভেন্ট্রাল অ্যাওর্টায় রক্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। রুইমাছের উপপ্রকোষ্ঠ ও প্রকোষ্ঠগুলোর সংযোগ ছিদ্রে কপাটিকা থাকে। কপাটিকাগুলো হলো- question image ১. সাইনো-অ্যাট্রিয়াল কপাটিকা: সাইনাস ভেনোসাস ও অ্যাট্রিয়ামের মাঝে অবস্থিত ছিদ্রপথে এ কপাটিকা থাকে। ২. অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার কপাটিকা: অ্যাট্রিয়াম ও ভেন্ট্রিকলের মাঝে অবস্থিত অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার ছিদ্রপথে এ কপাটিকা অবস্থান করে। ৩. ভেন্ট্রিকুলো-বাশ্বাস কপাটিকা: এটি ভেন্ট্রিকল ও বাল্বাস অ্যাওর্টার মাঝে অবস্থিত কপাটিকা।
উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গটি যে প্রাণীর তাদের প্রাকৃতিক পরিবেশে সংরক্ষণে তোমার মতামত দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গটি হলো রুই মাছের হৃৎপিণ্ড। রুই মাছ বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দেশীয় মাছ। তাই প্রাকৃতিক পরিবেশে রুই মাছ সংরক্ষণে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পর্যয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। নিচে প্রাকৃতিক পরিবেশে রুই মাছ সংরক্ষণ পদ্ধতি বর্ণনা করা হলো- রুই মাছ বাংলাদেশের অতি পরিচিত, সুস্বাদু এবং জনপ্রিয় মাছ। এক সময় আমাদের দেশের প্রাকৃতিক জলাশয়সহ পুকুর, দীঘিতে প্রচুর রুই মাছ পাওয়া গেলেও এখন আর তা পাওয়া যায় না। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, কৃষি জমির প্রসার, জলাভূমি কেটে ভরাট, বাঁধ নির্মাণ, যত্রতত্র কীটনাশক ওষুধের ব্যবহার, পোনা ও ডিমওয়ালা মাছ আহরণ ইত্যাদি 'নানাবিধ কারণে রুইজাতীয় মাছের প্রাকৃতিক জলজ পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসব কারণে বর্তমানে প্রাকৃতিক পরিবেশের রুই মাছ খুব একটা পাওয়া যায় না। হ্যাচারিতে কৃত্রিমভাবে বুই মাছ উৎপাদন করা হলেও তা প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন নয়। হ্যাচারিতে সীমিত ও নির্দিষ্ট মাছের মধ্যে আন্তঃপ্রজনন ঘটানোর ফলে রুই মাছের ভালো গুণাবলি হারিয়ে যাচ্ছে। জিনগত বৈচিত্র্য - বিনষ্ট হচ্ছে, রোগাক্রান্ত মাছের আধিক্য দেখা দিচ্ছে এবং স্বাদবিহীন মাছের প্রাচুর্যে বাজার সয়লাব হয়ে গেছে। হ্যাচারির মাছ কখনোই প্রাকৃতিক মাছের প্রতিনিধিত্ব করে না। এ অবস্থায় মাছের প্রাকৃতিক গুণাবলি, জিনগত বৈশিষ্ট্য বজায় রাখার জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশে রুই মাছকে 'বড় হওয়ার সুযোগ দিতে হবে। পরিবেশগত, প্রজাতিগত ও জিনগত বৈচিত্র্যের দিকে লক্ষ রেখে মাছের প্রজাতি বৈচিত্র্য রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। উপরের আলোচনার আলোকে সুস্পষ্টভাবে বলা যায়, রুই মাছ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া অতীব জরুরী। যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে রুই মাছ সংরক্ষণে সবাইকে সচেতন করে তুলতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর- question image

Chittagong · 2025

আঁইশ কী?

উত্তর

মাছের দেহত্বক যেসব পাত-সদৃশ পাতলা অস্থিময় গঠনে আবৃত যা মাছের দেহকে রক্ষা করে এবং পানিতে চলাচল সহজ করে, তাদেরকে আঁইশ বলে।
একচক্রী রক্ত সংবহন বলতে কী বুঝ?

উত্তর

যে সংবহনে রক্ত একবার মাত্র হৃৎপিণ্ডে প্রবেশ করে একটি মাত্র চক্র সম্পন্ন করে তাকে একচক্রী রক্ত সংবহন বলে। যেমন- মাছের ক্ষেত্রে হৃৎপিণ্ড থেকে CO2CO_2 যুক্ত রক্ত অন্তর্বাহী বা অ্যাফারেন্ট ব্রাঙ্কিয়াল ধমনির মাধ্যমে ফুলকায় যায়, যেখানে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় গ্যাসের বিনিময় হয় এবং O2O_2 যুক্ত রক্ত বহির্বাহী বা ইফারেন্ট ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি দিয়ে দেহ কোষে পৌছে। দেহে বিপাকীয় কাজের পর উৎপন্ন CO2CO_2 যুক্ত রক্ত শিরাতন্ত্রের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে। এক্ষেত্রে রক্ত একটি চক্রে আবর্তিত হয়। হৃৎপিণ্ড শুধু CO2CO_2 যুক্ত রক্ত বহন করে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গটির গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীটি হলো রুই মাছ এবং প্রথম অঙ্গটি হলো হৃৎপিণ্ড। নিচে রুই মাছের হৃৎপিণ্ডের গঠন বর্ণনা করা হলো- গঠন: ১. সাইনাস ভেনোসাস: এটি পাতলা প্রাচীর বিশিষ্ট উপপ্রকোষ্ঠ যা হৃৎপিণ্ডের পৃষ্ঠদেশে অবস্থিত। ২. অ্যাট্রিয়াম: এটি পেরিকার্ডিয়াল গহ্বরের সম্মুখ পৃষ্ঠভাগে অবস্থিত পাতলা প্রাচীরবিশিষ্ট বৃহত্তম প্রকোষ্ঠ। ৩. ভেন্ট্রিকল: এটি হৃৎপিন্ডের সর্বশেষ প্রকোষ্ঠ। পেরিকার্ডিয়াল গহ্বরের অঙ্কীয় দেশে অবস্থিত। ৪. বাম্বাস আর্টারিওসাস: বুই মাছের হৃৎপিণ্ডে কোনাস আর্টারিওসাস নেই। তার পরিবর্তে বাল্বাস আর্টারিওসাস নামক একটি গঠন দেখা অ্যাওর্টার স্ফীত হওয়া যায় যা মূলত ভেন্ট্রাল গোড়া বা মূল। এটি হৃৎপিণ্ড থেকে ভেন্ট্রাল অ্যাওর্টায় রক্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। রুইমাছের উপপ্রকোষ্ঠ ও প্রকোষ্ঠগুলোর সংযোগ ছিদ্রে কপাটিকা থাকে। কপাটিকাগুলো হলো- question image ১. সাইনো-অ্যাট্রিয়াল কপাটিকা: সাইনাস ভেনোসাস ও অ্যাট্রিয়ামের মাঝে অবস্থিত ছিদ্রপথে এ কপাটিকা থাকে। ২. অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার কপাটিকা: অ্যাট্রিয়াম ও ভেন্ট্রিকলের মাঝে অবস্থিত অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার ছিদ্রপথে এ কপাটিকা অবস্থান করে। ৩. ভেন্ট্রিকুলো-বাশ্বাস কপাটিকা: এটি ভেন্ট্রিকল ও বাল্বাস অ্যাওর্টার মাঝে অবস্থিত কপাটিকা।
উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গটি যে প্রাণীর তাদের প্রাকৃতিক পরিবেশে সংরক্ষণে তোমার মতামত দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গটি হলো রুই মাছের হৃৎপিণ্ড। রুই মাছ বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দেশীয় মাছ। তাই প্রাকৃতিক পরিবেশে রুই মাছ সংরক্ষণে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পর্যয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। নিচে প্রাকৃতিক পরিবেশে রুই মাছ সংরক্ষণ পদ্ধতি বর্ণনা করা হলো- রুই মাছ বাংলাদেশের অতি পরিচিত, সুস্বাদু এবং জনপ্রিয় মাছ। এক সময় আমাদের দেশের প্রাকৃতিক জলাশয়সহ পুকুর, দীঘিতে প্রচুর রুই মাছ পাওয়া গেলেও এখন আর তা পাওয়া যায় না। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, কৃষি জমির প্রসার, জলাভূমি কেটে ভরাট, বাঁধ নির্মাণ, যত্রতত্র কীটনাশক ওষুধের ব্যবহার, পোনা ও ডিমওয়ালা মাছ আহরণ ইত্যাদি 'নানাবিধ কারণে রুইজাতীয় মাছের প্রাকৃতিক জলজ পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসব কারণে বর্তমানে প্রাকৃতিক পরিবেশের রুই মাছ খুব একটা পাওয়া যায় না। হ্যাচারিতে কৃত্রিমভাবে বুই মাছ উৎপাদন করা হলেও তা প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন নয়। হ্যাচারিতে সীমিত ও নির্দিষ্ট মাছের মধ্যে আন্তঃপ্রজনন ঘটানোর ফলে রুই মাছের ভালো গুণাবলি হারিয়ে যাচ্ছে। জিনগত বৈচিত্র্য - বিনষ্ট হচ্ছে, রোগাক্রান্ত মাছের আধিক্য দেখা দিচ্ছে এবং স্বাদবিহীন মাছের প্রাচুর্যে বাজার সয়লাব হয়ে গেছে। হ্যাচারির মাছ কখনোই প্রাকৃতিক মাছের প্রতিনিধিত্ব করে না। এ অবস্থায় মাছের প্রাকৃতিক গুণাবলি, জিনগত বৈশিষ্ট্য বজায় রাখার জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশে রুই মাছকে 'বড় হওয়ার সুযোগ দিতে হবে। পরিবেশগত, প্রজাতিগত ও জিনগত বৈচিত্র্যের দিকে লক্ষ রেখে মাছের প্রজাতি বৈচিত্র্য রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। উপরের আলোচনার আলোকে সুস্পষ্টভাবে বলা যায়, রুই মাছ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া অতীব জরুরী। যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে রুই মাছ সংরক্ষণে সবাইকে সচেতন করে তুলতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শ্বাসরঞ্জন না থাকায় পতঙ্গ বিশেষ ধরনের নালি দ্বারা গঠিত তন্ত্রের মাধ্যমে কোষ পর্যন্ত অক্সিজেন পৌছে দেয়।

Chittagong · 2025

হেপাটিক সিকাী কী?

উত্তর

ঘাসফড়িং এর পৌষ্টিক নালির অগ্রঅন্ত্র ও মধ্য অন্ত্রের সংযোগস্থলে ছয় জোড়া ফাঁপা, লম্বা ও মোচাকৃতির থলি থাকে তাদের গ্যাস্ট্রিকসিকা বা হেপাটিক সিকা বলে।
সিলোম ও হিমোসিলের মধ্যে পার্থক্য লেখ।

উত্তর

সিলোম ও হিমোসিলের মধ্যে পার্থক্য নিচে উল্লেখ করা হলো- question image
উদ্দীপকে উল্লেখিত নালিটির গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো ঘাসফড়িং এবং বিশেষ ধরনের নালি শ্বসনতন্ত্রকে বুঝানো হয়েছে। ঘাসফড়িং-এর শ্বসনতন্ত্রকে ট্রাকিয়ালতন্ত্র বলা হয়। ট্রাকিয়ালতন্ত্রের মাধ্যমেই ঘাসফড়িং শ্বসনকার্য সম্পন্ন করে।নিচে নালিটির অর্থাৎ ট্রাকিয়ালতন্ত্রের গঠন বর্ণনা করা হলো- ১. শ্বাসরন্দ্র: ঘাসফড়িং-এর বক্ষদেশে দুইজোড়া এবং উদর অঞ্চলে আটজোড়া অর্থাৎ মোট ১০ জোড়া শ্বাসরন্দ্র অনুদৈর্ঘ্যভাবে অবস্থান করে। রন্দ্রগুলোর মুখে সূক্ষ্ম রোমযুক্ত ছাঁকনি থাকায় ধুলাবালি, জীবাণু, পানি ইত্যাদি ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না। শ্বাসরন্দ্রগুলো পেশি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত কপাটিকার সক্রিয়তায় বদ্ধ ও উন্মুক্ত হয়। ২. শ্বাসনালি বা ট্রাকিয়া: শ্বাসরন্দ্রগুলো দেহমধ্যস্থ অ্যাট্রিয়াম গহ্বর পথে যে স্থিতিস্থাপক, সূক্ষ্মনালিতে উন্মুক্ত হয় তাদের ট্রাকিয়া বলে। ট্রাকিয়াগুলো পরবর্তীতে শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়ে সমগ্র দেহে জালিকাকারে বিন্যস্ত হয়। শাখা-প্রশাখা সৃষ্টিকারী ট্রাকিয়াকে ট্রাকিয়াল কান্ড বলা হয়ে থাকে। ঘাসফড়িং-এর দেহে তিন জোড়া ট্রাকিয়াল কাণ্ড থাকে। ৩. ট্রাকিওল: ট্রাকিয়া থেকে সৃষ্ট অতিসূক্ষ্ম শ্বাসনালিকাকে ট্রাকিওল বলে। ট্রাকিওলের বর্ণ অস্বচ্ছ, প্রাচীর পাতলা এবং অন্তঃপ্রাচীর টিনিডিয়াবিহীন। ট্রাকিওল কোষগুলো তরলে পূর্ণ থাকে। এ তরলের মাধ্যমে দেহকোষে গ্যাসীয় আদান-প্রদান ঘটে। ৪. বায়ুথলি: ঘাসফড়িং-এর কতকগুলো ট্রাকিয়া প্রসারিত হয়ে পাতলা প্রাচীর বিশিষ্ট বায়ুথলি সৃষ্টি করে। বায়ুথলিতে বাতাস সঞ্চিত থাকে, যা শ্বসনের সময় বায়ু প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত তন্ত্রের কার্যপদ্ধতি রুই মাছের তুলনায় ভিন্ন- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত পতঙ্গটি হলো ঘাসফড়িং, যা Arthropoda পর্বের প্রাণী। ঘাসফড়িং এর শ্বসন পদ্ধতি রুইমাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- ঘাসফড়িং এর রক্তে কোনো শ্বাসরঞ্জক বা হিমোগ্লোরিন না থাকায় এর রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে O2O_2 পরিবহন করতে পারে না। O2O_2 পরিবহনের এই অক্ষমতা পূরণের জন্য পরিবেশ থেকে গৃহীত O2O_2 সরাসরি দেহকোষে প্রবেশের ক্ষেত্রে ট্রাকিয়া নামক শ্বাসনালির উদ্ভব ঘটেছে। এই শ্বাসনালিগুলোর মাধ্যমে O2O_2 দেহের প্রতিটি কোষে পৌছায় এবং শ্বসন ক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন CO2CO_2 দেহের বাইরে নির্গত হয়। শ্বসনতন্ত্রের বিভিন্ন অঙ্গাণুর মাধ্যমে শ্বাসগ্রহণ ও শ্বাসত্যাগ প্রক্রিয়ায় উল্লিখিত ঘটনাটি সূচারুরূপে ঘটে থাকে। শ্বাস গ্রহণে ট্রাকিয়ার আয়তন বৃদ্ধি পায় ফলে O2O_2 যুক্ত বায়ু শ্বাসরন্দ্রের মাধ্যমে অ্যাট্রিয়ামে ও পরে ট্রাকিয়ার মধ্য দিয়ে তা ট্রাকিওল হয়ে প্রান্তীয় থলিতে পৌছায়। সেখানে ট্রাকিওল রসে বায়ুস্থ O2O_2 দ্রবীভূত হয়ে দেহ কোষে প্রবেশ করে। অপরদিকে, রুই মাছের প্রধান শ্বসন অঙ্গ হলো ফুলকা। এ অঙ্গটি দ্বারা রুই মাছ শ্বসন কার্য সম্পন্ন করে থাকে। প্রশ্বাসের সময় রুই মাছের মুখের পেশি প্রসারিত হয় বলে গলবিল ও মুখ গহ্বরের প্রসারণ ঘটে। এ সময় ফুলকা আর্চ বাইরের দিকে প্রসারিত হয় এবং মুখের সম্মুখে অবস্থিত কপাটিকা খুলে যায়। মুখ গহ্বরের প্রকোষ্ঠের আয়তন বৃদ্ধি ঘটায়, O2O_2 সমৃদ্ধ পানি বাইরের পরিবেশ থেকে মুখছিদ্রের মধ্য দিয়ে মুখবিবর ও গলবিলে প্রবেশ করে এবং অন্তঃফুলকা ছিদ্রের মাধ্যমে পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠের ফুলকার সংস্পর্শে আসে। ফুলকা সূত্রের উপর দিয়ে পানি প্রবাহের সময় ফুলকাতে অবস্থিত কৈশিক জালিকার রক্তের সাথে পানির গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে ফলে পানি থেকে রক্তে O2O_2 প্রবেশ করে এবং রক্ত থেকে 'পানিতে CO2CO_2 মুক্ত হয়। O2O_2 এবং CO2CO_2 গ্যাসের বিনিময় সম্পাদনের পর পেশি সংকোচনের ফলে মুখবিবর ও ফুলকা প্রকোষ্ঠ সংকুচিত হতে থাকে। ফলে CO2CO_2 'যুক্ত পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠ থেকে বেরিয়ে মুখবিবরে যায়। এ সময় মুখছিদ্রের কপাটিকা দুটি বন্ধ থাকে এবং মুখবি বরের আয়তন হ্রাস পায়। ফলে অপারকুলাম এবং ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা খুলে যায় এবং বহিঃফুলকা ছিদ্র পথে CO2CO_2 যুক্ত পানি দেহের বাইরে বের হয়ে আসে। উপরের আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে, ঘাসফড়িং এর শ্বসন পদ্ধতি রুই মাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শ্বাসরঞ্জন না থাকায় পতঙ্গ বিশেষ ধরনের নালি দ্বারা গঠিত তন্ত্রের মাধ্যমে কোষ পর্যন্ত অক্সিজেন পৌছে দেয়।

Chittagong · 2025

হেপাটিক সিকাী কী?

উত্তর

ঘাসফড়িং এর পৌষ্টিক নালির অগ্রঅন্ত্র ও মধ্য অন্ত্রের সংযোগস্থলে ছয় জোড়া ফাঁপা, লম্বা ও মোচাকৃতির থলি থাকে তাদের গ্যাস্ট্রিকসিকা বা হেপাটিক সিকা বলে।
সিলোম ও হিমোসিলের মধ্যে পার্থক্য লেখ।

উত্তর

সিলোম ও হিমোসিলের মধ্যে পার্থক্য নিচে উল্লেখ করা হলো- question image
উদ্দীপকে উল্লেখিত নালিটির গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো ঘাসফড়িং এবং বিশেষ ধরনের নালি শ্বসনতন্ত্রকে বুঝানো হয়েছে। ঘাসফড়িং-এর শ্বসনতন্ত্রকে ট্রাকিয়ালতন্ত্র বলা হয়। ট্রাকিয়ালতন্ত্রের মাধ্যমেই ঘাসফড়িং শ্বসনকার্য সম্পন্ন করে।নিচে নালিটির অর্থাৎ ট্রাকিয়ালতন্ত্রের গঠন বর্ণনা করা হলো- ১. শ্বাসরন্দ্র: ঘাসফড়িং-এর বক্ষদেশে দুইজোড়া এবং উদর অঞ্চলে আটজোড়া অর্থাৎ মোট ১০ জোড়া শ্বাসরন্দ্র অনুদৈর্ঘ্যভাবে অবস্থান করে। রন্দ্রগুলোর মুখে সূক্ষ্ম রোমযুক্ত ছাঁকনি থাকায় ধুলাবালি, জীবাণু, পানি ইত্যাদি ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না। শ্বাসরন্দ্রগুলো পেশি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত কপাটিকার সক্রিয়তায় বদ্ধ ও উন্মুক্ত হয়। ২. শ্বাসনালি বা ট্রাকিয়া: শ্বাসরন্দ্রগুলো দেহমধ্যস্থ অ্যাট্রিয়াম গহ্বর পথে যে স্থিতিস্থাপক, সূক্ষ্মনালিতে উন্মুক্ত হয় তাদের ট্রাকিয়া বলে। ট্রাকিয়াগুলো পরবর্তীতে শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়ে সমগ্র দেহে জালিকাকারে বিন্যস্ত হয়। শাখা-প্রশাখা সৃষ্টিকারী ট্রাকিয়াকে ট্রাকিয়াল কান্ড বলা হয়ে থাকে। ঘাসফড়িং-এর দেহে তিন জোড়া ট্রাকিয়াল কাণ্ড থাকে। ৩. ট্রাকিওল: ট্রাকিয়া থেকে সৃষ্ট অতিসূক্ষ্ম শ্বাসনালিকাকে ট্রাকিওল বলে। ট্রাকিওলের বর্ণ অস্বচ্ছ, প্রাচীর পাতলা এবং অন্তঃপ্রাচীর টিনিডিয়াবিহীন। ট্রাকিওল কোষগুলো তরলে পূর্ণ থাকে। এ তরলের মাধ্যমে দেহকোষে গ্যাসীয় আদান-প্রদান ঘটে। ৪. বায়ুথলি: ঘাসফড়িং-এর কতকগুলো ট্রাকিয়া প্রসারিত হয়ে পাতলা প্রাচীর বিশিষ্ট বায়ুথলি সৃষ্টি করে। বায়ুথলিতে বাতাস সঞ্চিত থাকে, যা শ্বসনের সময় বায়ু প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত তন্ত্রের কার্যপদ্ধতি রুই মাছের তুলনায় ভিন্ন- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত পতঙ্গটি হলো ঘাসফড়িং, যা Arthropoda পর্বের প্রাণী। ঘাসফড়িং এর শ্বসন পদ্ধতি রুইমাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- ঘাসফড়িং এর রক্তে কোনো শ্বাসরঞ্জক বা হিমোগ্লোরিন না থাকায় এর রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে O2O_2 পরিবহন করতে পারে না। O2O_2 পরিবহনের এই অক্ষমতা পূরণের জন্য পরিবেশ থেকে গৃহীত O2O_2 সরাসরি দেহকোষে প্রবেশের ক্ষেত্রে ট্রাকিয়া নামক শ্বাসনালির উদ্ভব ঘটেছে। এই শ্বাসনালিগুলোর মাধ্যমে O2O_2 দেহের প্রতিটি কোষে পৌছায় এবং শ্বসন ক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন CO2CO_2 দেহের বাইরে নির্গত হয়। শ্বসনতন্ত্রের বিভিন্ন অঙ্গাণুর মাধ্যমে শ্বাসগ্রহণ ও শ্বাসত্যাগ প্রক্রিয়ায় উল্লিখিত ঘটনাটি সূচারুরূপে ঘটে থাকে। শ্বাস গ্রহণে ট্রাকিয়ার আয়তন বৃদ্ধি পায় ফলে O2O_2 যুক্ত বায়ু শ্বাসরন্দ্রের মাধ্যমে অ্যাট্রিয়ামে ও পরে ট্রাকিয়ার মধ্য দিয়ে তা ট্রাকিওল হয়ে প্রান্তীয় থলিতে পৌছায়। সেখানে ট্রাকিওল রসে বায়ুস্থ O2O_2 দ্রবীভূত হয়ে দেহ কোষে প্রবেশ করে। অপরদিকে, রুই মাছের প্রধান শ্বসন অঙ্গ হলো ফুলকা। এ অঙ্গটি দ্বারা রুই মাছ শ্বসন কার্য সম্পন্ন করে থাকে। প্রশ্বাসের সময় রুই মাছের মুখের পেশি প্রসারিত হয় বলে গলবিল ও মুখ গহ্বরের প্রসারণ ঘটে। এ সময় ফুলকা আর্চ বাইরের দিকে প্রসারিত হয় এবং মুখের সম্মুখে অবস্থিত কপাটিকা খুলে যায়। মুখ গহ্বরের প্রকোষ্ঠের আয়তন বৃদ্ধি ঘটায়, O2O_2 সমৃদ্ধ পানি বাইরের পরিবেশ থেকে মুখছিদ্রের মধ্য দিয়ে মুখবিবর ও গলবিলে প্রবেশ করে এবং অন্তঃফুলকা ছিদ্রের মাধ্যমে পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠের ফুলকার সংস্পর্শে আসে। ফুলকা সূত্রের উপর দিয়ে পানি প্রবাহের সময় ফুলকাতে অবস্থিত কৈশিক জালিকার রক্তের সাথে পানির গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে ফলে পানি থেকে রক্তে O2O_2 প্রবেশ করে এবং রক্ত থেকে 'পানিতে CO2CO_2 মুক্ত হয়। O2O_2 এবং CO2CO_2 গ্যাসের বিনিময় সম্পাদনের পর পেশি সংকোচনের ফলে মুখবিবর ও ফুলকা প্রকোষ্ঠ সংকুচিত হতে থাকে। ফলে CO2CO_2 'যুক্ত পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠ থেকে বেরিয়ে মুখবিবরে যায়। এ সময় মুখছিদ্রের কপাটিকা দুটি বন্ধ থাকে এবং মুখবি বরের আয়তন হ্রাস পায়। ফলে অপারকুলাম এবং ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা খুলে যায় এবং বহিঃফুলকা ছিদ্র পথে CO2CO_2 যুক্ত পানি দেহের বাইরে বের হয়ে আসে। উপরের আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে, ঘাসফড়িং এর শ্বসন পদ্ধতি রুই মাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর- question image

Chittagong · 2025

আঁইশ কী?

উত্তর

মাছের দেহত্বক যেসব পাত-সদৃশ পাতলা অস্থিময় গঠনে আবৃত যা মাছের দেহকে রক্ষা করে এবং পানিতে চলাচল সহজ করে, তাদেরকে আঁইশ বলে।
একচক্রী রক্ত সংবহন বলতে কী বুঝ?

উত্তর

যে সংবহনে রক্ত একবার মাত্র হৃৎপিণ্ডে প্রবেশ করে একটি মাত্র চক্র সম্পন্ন করে তাকে একচক্রী রক্ত সংবহন বলে। যেমন- মাছের ক্ষেত্রে হৃৎপিণ্ড থেকে CO2CO_2 যুক্ত রক্ত অন্তর্বাহী বা অ্যাফারেন্ট ব্রাঙ্কিয়াল ধমনির মাধ্যমে ফুলকায় যায়, যেখানে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় গ্যাসের বিনিময় হয় এবং O2O_2 যুক্ত রক্ত বহির্বাহী বা ইফারেন্ট ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি দিয়ে দেহ কোষে পৌছে। দেহে বিপাকীয় কাজের পর উৎপন্ন CO2CO_2 যুক্ত রক্ত শিরাতন্ত্রের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে। এক্ষেত্রে রক্ত একটি চক্রে আবর্তিত হয়। হৃৎপিণ্ড শুধু CO2CO_2 যুক্ত রক্ত বহন করে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গটির গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীটি হলো রুই মাছ এবং প্রথম অঙ্গটি হলো হৃৎপিণ্ড। নিচে রুই মাছের হৃৎপিণ্ডের গঠন বর্ণনা করা হলো- গঠন: ১. সাইনাস ভেনোসাস: এটি পাতলা প্রাচীর বিশিষ্ট উপপ্রকোষ্ঠ যা হৃৎপিণ্ডের পৃষ্ঠদেশে অবস্থিত। ২. অ্যাট্রিয়াম: এটি পেরিকার্ডিয়াল গহ্বরের সম্মুখ পৃষ্ঠভাগে অবস্থিত পাতলা প্রাচীরবিশিষ্ট বৃহত্তম প্রকোষ্ঠ। ৩. ভেন্ট্রিকল: এটি হৃৎপিন্ডের সর্বশেষ প্রকোষ্ঠ। পেরিকার্ডিয়াল গহ্বরের অঙ্কীয় দেশে অবস্থিত। ৪. বাম্বাস আর্টারিওসাস: বুই মাছের হৃৎপিণ্ডে কোনাস আর্টারিওসাস নেই। তার পরিবর্তে বাল্বাস আর্টারিওসাস নামক একটি গঠন দেখা অ্যাওর্টার স্ফীত হওয়া যায় যা মূলত ভেন্ট্রাল গোড়া বা মূল। এটি হৃৎপিণ্ড থেকে ভেন্ট্রাল অ্যাওর্টায় রক্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। রুইমাছের উপপ্রকোষ্ঠ ও প্রকোষ্ঠগুলোর সংযোগ ছিদ্রে কপাটিকা থাকে। কপাটিকাগুলো হলো- question image ১. সাইনো-অ্যাট্রিয়াল কপাটিকা: সাইনাস ভেনোসাস ও অ্যাট্রিয়ামের মাঝে অবস্থিত ছিদ্রপথে এ কপাটিকা থাকে। ২. অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার কপাটিকা: অ্যাট্রিয়াম ও ভেন্ট্রিকলের মাঝে অবস্থিত অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার ছিদ্রপথে এ কপাটিকা অবস্থান করে। ৩. ভেন্ট্রিকুলো-বাশ্বাস কপাটিকা: এটি ভেন্ট্রিকল ও বাল্বাস অ্যাওর্টার মাঝে অবস্থিত কপাটিকা।
উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গটি যে প্রাণীর তাদের প্রাকৃতিক পরিবেশে সংরক্ষণে তোমার মতামত দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গটি হলো রুই মাছের হৃৎপিণ্ড। রুই মাছ বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দেশীয় মাছ। তাই প্রাকৃতিক পরিবেশে রুই মাছ সংরক্ষণে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পর্যয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। নিচে প্রাকৃতিক পরিবেশে রুই মাছ সংরক্ষণ পদ্ধতি বর্ণনা করা হলো- রুই মাছ বাংলাদেশের অতি পরিচিত, সুস্বাদু এবং জনপ্রিয় মাছ। এক সময় আমাদের দেশের প্রাকৃতিক জলাশয়সহ পুকুর, দীঘিতে প্রচুর রুই মাছ পাওয়া গেলেও এখন আর তা পাওয়া যায় না। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, কৃষি জমির প্রসার, জলাভূমি কেটে ভরাট, বাঁধ নির্মাণ, যত্রতত্র কীটনাশক ওষুধের ব্যবহার, পোনা ও ডিমওয়ালা মাছ আহরণ ইত্যাদি 'নানাবিধ কারণে রুইজাতীয় মাছের প্রাকৃতিক জলজ পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসব কারণে বর্তমানে প্রাকৃতিক পরিবেশের রুই মাছ খুব একটা পাওয়া যায় না। হ্যাচারিতে কৃত্রিমভাবে বুই মাছ উৎপাদন করা হলেও তা প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন নয়। হ্যাচারিতে সীমিত ও নির্দিষ্ট মাছের মধ্যে আন্তঃপ্রজনন ঘটানোর ফলে রুই মাছের ভালো গুণাবলি হারিয়ে যাচ্ছে। জিনগত বৈচিত্র্য - বিনষ্ট হচ্ছে, রোগাক্রান্ত মাছের আধিক্য দেখা দিচ্ছে এবং স্বাদবিহীন মাছের প্রাচুর্যে বাজার সয়লাব হয়ে গেছে। হ্যাচারির মাছ কখনোই প্রাকৃতিক মাছের প্রতিনিধিত্ব করে না। এ অবস্থায় মাছের প্রাকৃতিক গুণাবলি, জিনগত বৈশিষ্ট্য বজায় রাখার জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশে রুই মাছকে 'বড় হওয়ার সুযোগ দিতে হবে। পরিবেশগত, প্রজাতিগত ও জিনগত বৈচিত্র্যের দিকে লক্ষ রেখে মাছের প্রজাতি বৈচিত্র্য রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। উপরের আলোচনার আলোকে সুস্পষ্টভাবে বলা যায়, রুই মাছ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া অতীব জরুরী। যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে রুই মাছ সংরক্ষণে সবাইকে সচেতন করে তুলতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর- question image

Chittagong · 2025

আঁইশ কী?

উত্তর

মাছের দেহত্বক যেসব পাত-সদৃশ পাতলা অস্থিময় গঠনে আবৃত যা মাছের দেহকে রক্ষা করে এবং পানিতে চলাচল সহজ করে, তাদেরকে আঁইশ বলে।
একচক্রী রক্ত সংবহন বলতে কী বুঝ?

উত্তর

যে সংবহনে রক্ত একবার মাত্র হৃৎপিণ্ডে প্রবেশ করে একটি মাত্র চক্র সম্পন্ন করে তাকে একচক্রী রক্ত সংবহন বলে। যেমন- মাছের ক্ষেত্রে হৃৎপিণ্ড থেকে CO2CO_2 যুক্ত রক্ত অন্তর্বাহী বা অ্যাফারেন্ট ব্রাঙ্কিয়াল ধমনির মাধ্যমে ফুলকায় যায়, যেখানে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় গ্যাসের বিনিময় হয় এবং O2O_2 যুক্ত রক্ত বহির্বাহী বা ইফারেন্ট ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি দিয়ে দেহ কোষে পৌছে। দেহে বিপাকীয় কাজের পর উৎপন্ন CO2CO_2 যুক্ত রক্ত শিরাতন্ত্রের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে। এক্ষেত্রে রক্ত একটি চক্রে আবর্তিত হয়। হৃৎপিণ্ড শুধু CO2CO_2 যুক্ত রক্ত বহন করে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গটির গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীটি হলো রুই মাছ এবং প্রথম অঙ্গটি হলো হৃৎপিণ্ড। নিচে রুই মাছের হৃৎপিণ্ডের গঠন বর্ণনা করা হলো- গঠন: ১. সাইনাস ভেনোসাস: এটি পাতলা প্রাচীর বিশিষ্ট উপপ্রকোষ্ঠ যা হৃৎপিণ্ডের পৃষ্ঠদেশে অবস্থিত। ২. অ্যাট্রিয়াম: এটি পেরিকার্ডিয়াল গহ্বরের সম্মুখ পৃষ্ঠভাগে অবস্থিত পাতলা প্রাচীরবিশিষ্ট বৃহত্তম প্রকোষ্ঠ। ৩. ভেন্ট্রিকল: এটি হৃৎপিন্ডের সর্বশেষ প্রকোষ্ঠ। পেরিকার্ডিয়াল গহ্বরের অঙ্কীয় দেশে অবস্থিত। ৪. বাম্বাস আর্টারিওসাস: বুই মাছের হৃৎপিণ্ডে কোনাস আর্টারিওসাস নেই। তার পরিবর্তে বাল্বাস আর্টারিওসাস নামক একটি গঠন দেখা অ্যাওর্টার স্ফীত হওয়া যায় যা মূলত ভেন্ট্রাল গোড়া বা মূল। এটি হৃৎপিণ্ড থেকে ভেন্ট্রাল অ্যাওর্টায় রক্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। রুইমাছের উপপ্রকোষ্ঠ ও প্রকোষ্ঠগুলোর সংযোগ ছিদ্রে কপাটিকা থাকে। কপাটিকাগুলো হলো- question image ১. সাইনো-অ্যাট্রিয়াল কপাটিকা: সাইনাস ভেনোসাস ও অ্যাট্রিয়ামের মাঝে অবস্থিত ছিদ্রপথে এ কপাটিকা থাকে। ২. অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার কপাটিকা: অ্যাট্রিয়াম ও ভেন্ট্রিকলের মাঝে অবস্থিত অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার ছিদ্রপথে এ কপাটিকা অবস্থান করে। ৩. ভেন্ট্রিকুলো-বাশ্বাস কপাটিকা: এটি ভেন্ট্রিকল ও বাল্বাস অ্যাওর্টার মাঝে অবস্থিত কপাটিকা।
উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গটি যে প্রাণীর তাদের প্রাকৃতিক পরিবেশে সংরক্ষণে তোমার মতামত দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গটি হলো রুই মাছের হৃৎপিণ্ড। রুই মাছ বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দেশীয় মাছ। তাই প্রাকৃতিক পরিবেশে রুই মাছ সংরক্ষণে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পর্যয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। নিচে প্রাকৃতিক পরিবেশে রুই মাছ সংরক্ষণ পদ্ধতি বর্ণনা করা হলো- রুই মাছ বাংলাদেশের অতি পরিচিত, সুস্বাদু এবং জনপ্রিয় মাছ। এক সময় আমাদের দেশের প্রাকৃতিক জলাশয়সহ পুকুর, দীঘিতে প্রচুর রুই মাছ পাওয়া গেলেও এখন আর তা পাওয়া যায় না। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, কৃষি জমির প্রসার, জলাভূমি কেটে ভরাট, বাঁধ নির্মাণ, যত্রতত্র কীটনাশক ওষুধের ব্যবহার, পোনা ও ডিমওয়ালা মাছ আহরণ ইত্যাদি 'নানাবিধ কারণে রুইজাতীয় মাছের প্রাকৃতিক জলজ পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসব কারণে বর্তমানে প্রাকৃতিক পরিবেশের রুই মাছ খুব একটা পাওয়া যায় না। হ্যাচারিতে কৃত্রিমভাবে বুই মাছ উৎপাদন করা হলেও তা প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন নয়। হ্যাচারিতে সীমিত ও নির্দিষ্ট মাছের মধ্যে আন্তঃপ্রজনন ঘটানোর ফলে রুই মাছের ভালো গুণাবলি হারিয়ে যাচ্ছে। জিনগত বৈচিত্র্য - বিনষ্ট হচ্ছে, রোগাক্রান্ত মাছের আধিক্য দেখা দিচ্ছে এবং স্বাদবিহীন মাছের প্রাচুর্যে বাজার সয়লাব হয়ে গেছে। হ্যাচারির মাছ কখনোই প্রাকৃতিক মাছের প্রতিনিধিত্ব করে না। এ অবস্থায় মাছের প্রাকৃতিক গুণাবলি, জিনগত বৈশিষ্ট্য বজায় রাখার জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশে রুই মাছকে 'বড় হওয়ার সুযোগ দিতে হবে। পরিবেশগত, প্রজাতিগত ও জিনগত বৈচিত্র্যের দিকে লক্ষ রেখে মাছের প্রজাতি বৈচিত্র্য রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। উপরের আলোচনার আলোকে সুস্পষ্টভাবে বলা যায়, রুই মাছ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া অতীব জরুরী। যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে রুই মাছ সংরক্ষণে সবাইকে সচেতন করে তুলতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো