Chittagong বোর্ড 2025 Biology 1st Paper

Chittagong শিক্ষা বোর্ড 2025 সালের HSC Biology 1st Paper বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

12

প্রশ্ন

Chittagong

বোর্ড

2025

সাল

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর: question image

Chittagong · 2025

টনোপ্লাস্ট কাকে বলে?

উত্তর

প্রোটোপ্লাজম দিয়ে গঠিত যে পাতলা পর্দা কোষগহ্বর বেষ্টন করে তাকে টনোপ্লাস্ট বলে।
পিটপেয়ার বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

কোষ প্রাচীরে গর্তের ন্যায় অনেক পাতলা এলাকা দেখা যায়, এ অংশে প্রাথমিক প্রাচীর এবং গৌণ প্রাচীর কোনোটিই বিকশিত হয় না। গর্তের ন্যায় ঐ অংশগুলোকে কূপ বলে। মধ্য পর্দার উভয় পাশে মুখোমুখি হয়ে কূপ অবস্থান করে। এদেরকে একত্রে পিট পেয়ার বলে। পিট পেয়ারের মাঝে অবস্থিত মধ্যপর্দাকে পিট মেমব্রেন বলে।
উদ্দীপকে 'PP^{\prime} চিহ্নিত অংশের সবচেয়ে গ্রহণীয় মডেলের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'PP^{\prime} চিহ্নিত আবরণটি হলো কোষঝিল্লি। আর কোষঝিল্লির সর্বজনগ্রাহ্য মডেল হলো 'ফ্লুইড মোজাইক মডেল'। নিচে এ. মডেলটির চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করা হলো- question image
উদ্দীপকে 'QQ^{\prime} এবং 'RR^{\prime} নির্দেশিত অংশের মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'QQ^{\prime} ও 'RR^{\prime} নির্দেশিত অংশ দুটি হচ্ছে যথাক্রমে ক্লোরোপ্লাস্ট ও মাইটোকন্ড্রিয়া। নিচে মাইটোকন্ড্রিয়া ও ক্লোরোপ্লাস্ট এর পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো- question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর: question image

Chittagong · 2025

টনোপ্লাস্ট কাকে বলে?

উত্তর

প্রোটোপ্লাজম দিয়ে গঠিত যে পাতলা পর্দা কোষগহ্বর বেষ্টন করে তাকে টনোপ্লাস্ট বলে।
পিটপেয়ার বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

কোষ প্রাচীরে গর্তের ন্যায় অনেক পাতলা এলাকা দেখা যায়, এ অংশে প্রাথমিক প্রাচীর এবং গৌণ প্রাচীর কোনোটিই বিকশিত হয় না। গর্তের ন্যায় ঐ অংশগুলোকে কূপ বলে। মধ্য পর্দার উভয় পাশে মুখোমুখি হয়ে কূপ অবস্থান করে। এদেরকে একত্রে পিট পেয়ার বলে। পিট পেয়ারের মাঝে অবস্থিত মধ্যপর্দাকে পিট মেমব্রেন বলে।
উদ্দীপকে 'PP^{\prime} চিহ্নিত অংশের সবচেয়ে গ্রহণীয় মডেলের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'PP^{\prime} চিহ্নিত আবরণটি হলো কোষঝিল্লি। আর কোষঝিল্লির সর্বজনগ্রাহ্য মডেল হলো 'ফ্লুইড মোজাইক মডেল'। নিচে এ. মডেলটির চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করা হলো- question image
উদ্দীপকে 'QQ^{\prime} এবং 'RR^{\prime} নির্দেশিত অংশের মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'QQ^{\prime} ও 'RR^{\prime} নির্দেশিত অংশ দুটি হচ্ছে যথাক্রমে ক্লোরোপ্লাস্ট ও মাইটোকন্ড্রিয়া। নিচে মাইটোকন্ড্রিয়া ও ক্লোরোপ্লাস্ট এর পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো- question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2025

জিন কী?

উত্তর

জিন হলো ক্রোমোসোমের লোকাসে অবস্থিত। DNA অণুর সুনির্দিষ্ট সিকুয়েন্স যা জীবের একটি নির্দিষ্ট কার্যকর সংকেত আবদ্ধ করে এবং প্রোটিন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বৈশিষ্ট্যের বিকাশ ঘটায়।
লাইসোজোমকে আত্মঘাতী থলিকা বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

যে লাইসোসোমের ভেতর বিভিন্ন ধরনের এনজাইম থাকে। অনেক সময় তীব্র খাদ্যাভাবে এর প্রাচীর ফেটে যায় এবং আবন্ধকৃত এনজাইম ভেতর থেকে বের হয়ে কোষের অন্যান্য অঙ্গাণুগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে। এ কাজকে অটোফ্যাগী বা স্বগ্রাস বলে। এভাবে সমস্ত কোষটিও পরিপাক হয়ে যেতে পারে। এরা জীবদেহের অকেজো কোষসমূহকে অটোলাইসিস প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করে বলে এদের আত্মঘাতী থলিকা বা সুইসাইডাল স্কোয়াড বলা হয়।
উদ্দীপকে 'QQ^{\prime} নির্দেশিত জৈব অণুর ভৌত গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'QQ^{\prime} নির্দেশিত জৈব অণুটি হলো DNA DNA হলো জীবের বংশগতির তথ্য বহনকারী অণু, যা জীবের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। নিচে DNA অণুর ভৌত গঠন বর্ণনা করা হলো- ১. DNA অণু দ্বিসূত্রক, লোহার সিঁড়ির মতো ডান থেকে বাম দিকে প্যাঁচানো, যাকে বলা হয় ডাবল হেলিক্স। ২. সূত্র দুটি সমদূরত্বে পরস্পর বিপরীতমুখী (একটি ৫' → ৩' মুখী, অপরটি ৩' → ৫' মুখী) হয়ে অবস্থান করে। ৩. সিঁড়ির দু'দিকের হাতল তৈরি হয় ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগার (s) ও ফসফেটের (P) পর্যায়ক্রমিক সংযুক্তির মাধ্যমে। ৪. সূত্র দুটির মাঝখানের প্রতিটি ধাপ তৈরি হয় একজোড়া নাইট্রোজেন বেস (A = T বা G = C) দিয়ে। ৫. ফসফেট যুক্ত থাকে ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগারের ৩য় ও ৫ম (3' ও 5' কার্বনের) কার্বনের সাথে এবং ক্ষারকগুলো যুক্ত থাকে ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগারের ১ম কার্বনের (1' কার্বনের) সাথে। কাজেই সূত্রকের বাইরের দিকে ফসফেট এবং ভিতরের দিকে নাইট্রোজেন ক্ষারক থাকে। ৬. DNA অণুতে চার ধরনের নাইট্রোজেন ক্ষারক (এডিনিন (A), গুয়ানিন (G), থাইমিন (A) এবং সাইটোসিন (C)) থাকে। একটি সূত্রের এডিনিন (A) অপর সূত্রের থাইমিনের সাথে দুটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা (A = T / T = A) এবং একটি সূত্রের গুয়ানিন (G) অপর সূত্রের সাইটোসিনের (৫) সাথে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা (C= G/G = C) যুক্ত থাকে। ৭. ডাবল হেলিক্সের প্রতিটি সম্পূর্ণ প্যাঁচ বা ঘূর্ণনের দূরত্ব 34°A (= 3.4 nm)। প্রতিটি সম্পূর্ণ প্যাঁচে ১০ জোড়া মনোনিউক্লিওটাইড থাকে। প্রতিটি প্যাঁচে ২৫টি হাইড্রোজেন বন্ড থাকে। ৮. সিঁড়ির এক ধাপ থেকে অপর ধাপ অর্থাৎ বেস জোড়গুলো পরস্পর থেকে 3.4Å দূরত্বে অবস্থিত। ৯. হেলিক্সের ব্যাস 20Å (= 2 nm)। তবে প্রজাতিভেদে অণুর দৈর্ঘ্য বিভিন্ন হয়। ১০. DNA-এর আনবিক ওজন 10610910^6-10^9 ডাল্টন এর মধ্যে।
উদ্দীপকের প্রক্রিয়া 'XX^{\prime} ও 'XX^{\prime} এর মধ্যকার পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রক্রিয়া 'XX^{\prime} ও 'YY^{\prime} দ্বারা যথাক্রমে ট্রান্সক্রিপশন ও ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়াকে বুঝানো হয়েছে। নিচে এদের মধ্যকার তুলনামূলক পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো- question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2025

জিন কী?

উত্তর

জিন হলো ক্রোমোসোমের লোকাসে অবস্থিত। DNA অণুর সুনির্দিষ্ট সিকুয়েন্স যা জীবের একটি নির্দিষ্ট কার্যকর সংকেত আবদ্ধ করে এবং প্রোটিন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বৈশিষ্ট্যের বিকাশ ঘটায়।
লাইসোজোমকে আত্মঘাতী থলিকা বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

যে লাইসোসোমের ভেতর বিভিন্ন ধরনের এনজাইম থাকে। অনেক সময় তীব্র খাদ্যাভাবে এর প্রাচীর ফেটে যায় এবং আবন্ধকৃত এনজাইম ভেতর থেকে বের হয়ে কোষের অন্যান্য অঙ্গাণুগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে। এ কাজকে অটোফ্যাগী বা স্বগ্রাস বলে। এভাবে সমস্ত কোষটিও পরিপাক হয়ে যেতে পারে। এরা জীবদেহের অকেজো কোষসমূহকে অটোলাইসিস প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করে বলে এদের আত্মঘাতী থলিকা বা সুইসাইডাল স্কোয়াড বলা হয়।
উদ্দীপকে 'QQ^{\prime} নির্দেশিত জৈব অণুর ভৌত গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'QQ^{\prime} নির্দেশিত জৈব অণুটি হলো DNA DNA হলো জীবের বংশগতির তথ্য বহনকারী অণু, যা জীবের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। নিচে DNA অণুর ভৌত গঠন বর্ণনা করা হলো- ১. DNA অণু দ্বিসূত্রক, লোহার সিঁড়ির মতো ডান থেকে বাম দিকে প্যাঁচানো, যাকে বলা হয় ডাবল হেলিক্স। ২. সূত্র দুটি সমদূরত্বে পরস্পর বিপরীতমুখী (একটি ৫' → ৩' মুখী, অপরটি ৩' → ৫' মুখী) হয়ে অবস্থান করে। ৩. সিঁড়ির দু'দিকের হাতল তৈরি হয় ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগার (s) ও ফসফেটের (P) পর্যায়ক্রমিক সংযুক্তির মাধ্যমে। ৪. সূত্র দুটির মাঝখানের প্রতিটি ধাপ তৈরি হয় একজোড়া নাইট্রোজেন বেস (A = T বা G = C) দিয়ে। ৫. ফসফেট যুক্ত থাকে ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগারের ৩য় ও ৫ম (3' ও 5' কার্বনের) কার্বনের সাথে এবং ক্ষারকগুলো যুক্ত থাকে ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগারের ১ম কার্বনের (1' কার্বনের) সাথে। কাজেই সূত্রকের বাইরের দিকে ফসফেট এবং ভিতরের দিকে নাইট্রোজেন ক্ষারক থাকে। ৬. DNA অণুতে চার ধরনের নাইট্রোজেন ক্ষারক (এডিনিন (A), গুয়ানিন (G), থাইমিন (A) এবং সাইটোসিন (C)) থাকে। একটি সূত্রের এডিনিন (A) অপর সূত্রের থাইমিনের সাথে দুটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা (A = T / T = A) এবং একটি সূত্রের গুয়ানিন (G) অপর সূত্রের সাইটোসিনের (৫) সাথে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা (C= G/G = C) যুক্ত থাকে। ৭. ডাবল হেলিক্সের প্রতিটি সম্পূর্ণ প্যাঁচ বা ঘূর্ণনের দূরত্ব 34°A (= 3.4 nm)। প্রতিটি সম্পূর্ণ প্যাঁচে ১০ জোড়া মনোনিউক্লিওটাইড থাকে। প্রতিটি প্যাঁচে ২৫টি হাইড্রোজেন বন্ড থাকে। ৮. সিঁড়ির এক ধাপ থেকে অপর ধাপ অর্থাৎ বেস জোড়গুলো পরস্পর থেকে 3.4Å দূরত্বে অবস্থিত। ৯. হেলিক্সের ব্যাস 20Å (= 2 nm)। তবে প্রজাতিভেদে অণুর দৈর্ঘ্য বিভিন্ন হয়। ১০. DNA-এর আনবিক ওজন 10610910^6-10^9 ডাল্টন এর মধ্যে।
উদ্দীপকের প্রক্রিয়া 'XX^{\prime} ও 'XX^{\prime} এর মধ্যকার পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রক্রিয়া 'XX^{\prime} ও 'YY^{\prime} দ্বারা যথাক্রমে ট্রান্সক্রিপশন ও ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়াকে বুঝানো হয়েছে। নিচে এদের মধ্যকার তুলনামূলক পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো- question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর: question image

Chittagong · 2025

টনোপ্লাস্ট কাকে বলে?

উত্তর

প্রোটোপ্লাজম দিয়ে গঠিত যে পাতলা পর্দা কোষগহ্বর বেষ্টন করে তাকে টনোপ্লাস্ট বলে।
পিটপেয়ার বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

কোষ প্রাচীরে গর্তের ন্যায় অনেক পাতলা এলাকা দেখা যায়, এ অংশে প্রাথমিক প্রাচীর এবং গৌণ প্রাচীর কোনোটিই বিকশিত হয় না। গর্তের ন্যায় ঐ অংশগুলোকে কূপ বলে। মধ্য পর্দার উভয় পাশে মুখোমুখি হয়ে কূপ অবস্থান করে। এদেরকে একত্রে পিট পেয়ার বলে। পিট পেয়ারের মাঝে অবস্থিত মধ্যপর্দাকে পিট মেমব্রেন বলে।
উদ্দীপকে 'PP^{\prime} চিহ্নিত অংশের সবচেয়ে গ্রহণীয় মডেলের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'PP^{\prime} চিহ্নিত আবরণটি হলো কোষঝিল্লি। আর কোষঝিল্লির সর্বজনগ্রাহ্য মডেল হলো 'ফ্লুইড মোজাইক মডেল'। নিচে এ. মডেলটির চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করা হলো- question image
উদ্দীপকে 'QQ^{\prime} এবং 'RR^{\prime} নির্দেশিত অংশের মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'QQ^{\prime} ও 'RR^{\prime} নির্দেশিত অংশ দুটি হচ্ছে যথাক্রমে ক্লোরোপ্লাস্ট ও মাইটোকন্ড্রিয়া। নিচে মাইটোকন্ড্রিয়া ও ক্লোরোপ্লাস্ট এর পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো- question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর: question image

Chittagong · 2025

টনোপ্লাস্ট কাকে বলে?

উত্তর

প্রোটোপ্লাজম দিয়ে গঠিত যে পাতলা পর্দা কোষগহ্বর বেষ্টন করে তাকে টনোপ্লাস্ট বলে।
পিটপেয়ার বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

কোষ প্রাচীরে গর্তের ন্যায় অনেক পাতলা এলাকা দেখা যায়, এ অংশে প্রাথমিক প্রাচীর এবং গৌণ প্রাচীর কোনোটিই বিকশিত হয় না। গর্তের ন্যায় ঐ অংশগুলোকে কূপ বলে। মধ্য পর্দার উভয় পাশে মুখোমুখি হয়ে কূপ অবস্থান করে। এদেরকে একত্রে পিট পেয়ার বলে। পিট পেয়ারের মাঝে অবস্থিত মধ্যপর্দাকে পিট মেমব্রেন বলে।
উদ্দীপকে 'PP^{\prime} চিহ্নিত অংশের সবচেয়ে গ্রহণীয় মডেলের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'PP^{\prime} চিহ্নিত আবরণটি হলো কোষঝিল্লি। আর কোষঝিল্লির সর্বজনগ্রাহ্য মডেল হলো 'ফ্লুইড মোজাইক মডেল'। নিচে এ. মডেলটির চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করা হলো- question image
উদ্দীপকে 'QQ^{\prime} এবং 'RR^{\prime} নির্দেশিত অংশের মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'QQ^{\prime} ও 'RR^{\prime} নির্দেশিত অংশ দুটি হচ্ছে যথাক্রমে ক্লোরোপ্লাস্ট ও মাইটোকন্ড্রিয়া। নিচে মাইটোকন্ড্রিয়া ও ক্লোরোপ্লাস্ট এর পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো- question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2025

জিন কী?

উত্তর

জিন হলো ক্রোমোসোমের লোকাসে অবস্থিত। DNA অণুর সুনির্দিষ্ট সিকুয়েন্স যা জীবের একটি নির্দিষ্ট কার্যকর সংকেত আবদ্ধ করে এবং প্রোটিন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বৈশিষ্ট্যের বিকাশ ঘটায়।
লাইসোজোমকে আত্মঘাতী থলিকা বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

যে লাইসোসোমের ভেতর বিভিন্ন ধরনের এনজাইম থাকে। অনেক সময় তীব্র খাদ্যাভাবে এর প্রাচীর ফেটে যায় এবং আবন্ধকৃত এনজাইম ভেতর থেকে বের হয়ে কোষের অন্যান্য অঙ্গাণুগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে। এ কাজকে অটোফ্যাগী বা স্বগ্রাস বলে। এভাবে সমস্ত কোষটিও পরিপাক হয়ে যেতে পারে। এরা জীবদেহের অকেজো কোষসমূহকে অটোলাইসিস প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করে বলে এদের আত্মঘাতী থলিকা বা সুইসাইডাল স্কোয়াড বলা হয়।
উদ্দীপকে 'QQ^{\prime} নির্দেশিত জৈব অণুর ভৌত গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'QQ^{\prime} নির্দেশিত জৈব অণুটি হলো DNA DNA হলো জীবের বংশগতির তথ্য বহনকারী অণু, যা জীবের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। নিচে DNA অণুর ভৌত গঠন বর্ণনা করা হলো- ১. DNA অণু দ্বিসূত্রক, লোহার সিঁড়ির মতো ডান থেকে বাম দিকে প্যাঁচানো, যাকে বলা হয় ডাবল হেলিক্স। ২. সূত্র দুটি সমদূরত্বে পরস্পর বিপরীতমুখী (একটি ৫' → ৩' মুখী, অপরটি ৩' → ৫' মুখী) হয়ে অবস্থান করে। ৩. সিঁড়ির দু'দিকের হাতল তৈরি হয় ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগার (s) ও ফসফেটের (P) পর্যায়ক্রমিক সংযুক্তির মাধ্যমে। ৪. সূত্র দুটির মাঝখানের প্রতিটি ধাপ তৈরি হয় একজোড়া নাইট্রোজেন বেস (A = T বা G = C) দিয়ে। ৫. ফসফেট যুক্ত থাকে ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগারের ৩য় ও ৫ম (3' ও 5' কার্বনের) কার্বনের সাথে এবং ক্ষারকগুলো যুক্ত থাকে ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগারের ১ম কার্বনের (1' কার্বনের) সাথে। কাজেই সূত্রকের বাইরের দিকে ফসফেট এবং ভিতরের দিকে নাইট্রোজেন ক্ষারক থাকে। ৬. DNA অণুতে চার ধরনের নাইট্রোজেন ক্ষারক (এডিনিন (A), গুয়ানিন (G), থাইমিন (A) এবং সাইটোসিন (C)) থাকে। একটি সূত্রের এডিনিন (A) অপর সূত্রের থাইমিনের সাথে দুটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা (A = T / T = A) এবং একটি সূত্রের গুয়ানিন (G) অপর সূত্রের সাইটোসিনের (৫) সাথে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা (C= G/G = C) যুক্ত থাকে। ৭. ডাবল হেলিক্সের প্রতিটি সম্পূর্ণ প্যাঁচ বা ঘূর্ণনের দূরত্ব 34°A (= 3.4 nm)। প্রতিটি সম্পূর্ণ প্যাঁচে ১০ জোড়া মনোনিউক্লিওটাইড থাকে। প্রতিটি প্যাঁচে ২৫টি হাইড্রোজেন বন্ড থাকে। ৮. সিঁড়ির এক ধাপ থেকে অপর ধাপ অর্থাৎ বেস জোড়গুলো পরস্পর থেকে 3.4Å দূরত্বে অবস্থিত। ৯. হেলিক্সের ব্যাস 20Å (= 2 nm)। তবে প্রজাতিভেদে অণুর দৈর্ঘ্য বিভিন্ন হয়। ১০. DNA-এর আনবিক ওজন 10610910^6-10^9 ডাল্টন এর মধ্যে।
উদ্দীপকের প্রক্রিয়া 'XX^{\prime} ও 'XX^{\prime} এর মধ্যকার পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রক্রিয়া 'XX^{\prime} ও 'YY^{\prime} দ্বারা যথাক্রমে ট্রান্সক্রিপশন ও ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়াকে বুঝানো হয়েছে। নিচে এদের মধ্যকার তুলনামূলক পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো- question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2025

জিন কী?

উত্তর

জিন হলো ক্রোমোসোমের লোকাসে অবস্থিত। DNA অণুর সুনির্দিষ্ট সিকুয়েন্স যা জীবের একটি নির্দিষ্ট কার্যকর সংকেত আবদ্ধ করে এবং প্রোটিন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বৈশিষ্ট্যের বিকাশ ঘটায়।
লাইসোজোমকে আত্মঘাতী থলিকা বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

যে লাইসোসোমের ভেতর বিভিন্ন ধরনের এনজাইম থাকে। অনেক সময় তীব্র খাদ্যাভাবে এর প্রাচীর ফেটে যায় এবং আবন্ধকৃত এনজাইম ভেতর থেকে বের হয়ে কোষের অন্যান্য অঙ্গাণুগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে। এ কাজকে অটোফ্যাগী বা স্বগ্রাস বলে। এভাবে সমস্ত কোষটিও পরিপাক হয়ে যেতে পারে। এরা জীবদেহের অকেজো কোষসমূহকে অটোলাইসিস প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করে বলে এদের আত্মঘাতী থলিকা বা সুইসাইডাল স্কোয়াড বলা হয়।
উদ্দীপকে 'QQ^{\prime} নির্দেশিত জৈব অণুর ভৌত গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'QQ^{\prime} নির্দেশিত জৈব অণুটি হলো DNA DNA হলো জীবের বংশগতির তথ্য বহনকারী অণু, যা জীবের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। নিচে DNA অণুর ভৌত গঠন বর্ণনা করা হলো- ১. DNA অণু দ্বিসূত্রক, লোহার সিঁড়ির মতো ডান থেকে বাম দিকে প্যাঁচানো, যাকে বলা হয় ডাবল হেলিক্স। ২. সূত্র দুটি সমদূরত্বে পরস্পর বিপরীতমুখী (একটি ৫' → ৩' মুখী, অপরটি ৩' → ৫' মুখী) হয়ে অবস্থান করে। ৩. সিঁড়ির দু'দিকের হাতল তৈরি হয় ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগার (s) ও ফসফেটের (P) পর্যায়ক্রমিক সংযুক্তির মাধ্যমে। ৪. সূত্র দুটির মাঝখানের প্রতিটি ধাপ তৈরি হয় একজোড়া নাইট্রোজেন বেস (A = T বা G = C) দিয়ে। ৫. ফসফেট যুক্ত থাকে ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগারের ৩য় ও ৫ম (3' ও 5' কার্বনের) কার্বনের সাথে এবং ক্ষারকগুলো যুক্ত থাকে ডিঅক্সিরাইবোজ স্যুগারের ১ম কার্বনের (1' কার্বনের) সাথে। কাজেই সূত্রকের বাইরের দিকে ফসফেট এবং ভিতরের দিকে নাইট্রোজেন ক্ষারক থাকে। ৬. DNA অণুতে চার ধরনের নাইট্রোজেন ক্ষারক (এডিনিন (A), গুয়ানিন (G), থাইমিন (A) এবং সাইটোসিন (C)) থাকে। একটি সূত্রের এডিনিন (A) অপর সূত্রের থাইমিনের সাথে দুটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা (A = T / T = A) এবং একটি সূত্রের গুয়ানিন (G) অপর সূত্রের সাইটোসিনের (৫) সাথে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা (C= G/G = C) যুক্ত থাকে। ৭. ডাবল হেলিক্সের প্রতিটি সম্পূর্ণ প্যাঁচ বা ঘূর্ণনের দূরত্ব 34°A (= 3.4 nm)। প্রতিটি সম্পূর্ণ প্যাঁচে ১০ জোড়া মনোনিউক্লিওটাইড থাকে। প্রতিটি প্যাঁচে ২৫টি হাইড্রোজেন বন্ড থাকে। ৮. সিঁড়ির এক ধাপ থেকে অপর ধাপ অর্থাৎ বেস জোড়গুলো পরস্পর থেকে 3.4Å দূরত্বে অবস্থিত। ৯. হেলিক্সের ব্যাস 20Å (= 2 nm)। তবে প্রজাতিভেদে অণুর দৈর্ঘ্য বিভিন্ন হয়। ১০. DNA-এর আনবিক ওজন 10610910^6-10^9 ডাল্টন এর মধ্যে।
উদ্দীপকের প্রক্রিয়া 'XX^{\prime} ও 'XX^{\prime} এর মধ্যকার পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রক্রিয়া 'XX^{\prime} ও 'YY^{\prime} দ্বারা যথাক্রমে ট্রান্সক্রিপশন ও ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়াকে বুঝানো হয়েছে। নিচে এদের মধ্যকার তুলনামূলক পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো- question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর: 'AA^{\prime} কোষ বিভাজন: মাতৃকোষ (2n) → অপত্য কোষ (2n) 'BB^{\prime} কোষ বিভাজন: মাতৃকোষ (2n) → অপত্য কোষ (n)

Chittagong · 2025

ক্যারিওকাইনেসিস কাকে বলে?

উত্তর

কোষ বিভাজনের সময় নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ক্যারিওকাইনেসিস বলা হয়।
হোমোলোগাস ক্রোমোসোম বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

হোমোলোগাস ক্রোমোসোম হলো ডিপ্লয়েড জীবের ক্রোমোসোমের একজোড়া সদৃশ ক্রোমোসোম, যেখানে একটি ক্রোমোসোম পিতা থেকে এবং অন্যটি মাতা থেকে আসে। এই দুটি ক্রোমোসোম আকার,আকৃতি এবং সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থানে একই রকম হয়। মিয়োসিস কোষ বিভাজনের সময় এই হোমোলোগাস ক্রোমোসোমগুলো জোড় গঠন করে, যা জেনেটিক তথ্যের আদান-প্রদান বা ক্রসিং ওভার এর জন্য অপরিহার্য।
উদ্দীপকে 'AA^{\prime} দ্বারা নির্দেশিত কোষ বিভাজনের যে ধাপে ক্রোমোসোম মেরুমুখী হয় তার চিত্র অঙ্কন কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'AA^{\prime} দ্বারা নির্দেশিত কোষ বিভাজনটি হলো মাইটোসিস, যেখানে একটি ডিপ্লয়েড (2n) মাতৃকোষ থেকে দুটি ডিপ্লয়েড (2n) অপত্য কোষ তৈরি হয়। যে ধাপে ক্রোমোসোমগুলো মেরুমুখী হয়, তা হলো অ্যানাফেজ। অ্যানাফেজ দশার চিত্র নিচে অঙ্কন করা হলো-
জীবের নতুন প্রকরণ সৃষ্টিতে উদ্দীপকে 'BB^{\prime} দ্বারা নির্দেশিত কোষ বিভাজনের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'BB^{\prime} কোষ বিভাজনটি হলো মিয়োসিস কোষ বিভাজন।জীবের নতুন প্রকরণ সৃষ্টিতে মিয়োসিস কোষ বিভাজনের গুরুত্ব অপরিসীম। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- মিয়োসিস কোষ বিভাজন জীবের প্রজনন এবং নতুন প্রকরণ সৃষ্টিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। জীবের যৌন প্রজননের জন্য প্রথমেই পুং ও স্ত্রী গ্যামেট সৃষ্টির প্রয়োজন হয়। পুং ও স্ত্রী জনন মাতৃকোষ মিয়োসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে যথাক্রমে হ্যাপ্লয়েড পুংগ্যামেট এবং স্ত্রী গ্যামেট বা ডিম্বাণু তৈরি করে। পুং ও স্ত্রী গ্যামেটের যৌন মিলন এর মাধ্যমে জীব তার যৌন জনন সম্পন্ন করে। পুং ও স্ত্রী গ্যামেট তৈরি না হলে জীব তার যৌন জনন সম্পন্ন করতে পারত না। আবার এ দু'ধরনের জননকোষ মিয়োসিস বিভাজনের মাধ্যমেই তৈরি হয়ে থাকে। মিয়োসিস কোষ বিভাজনে দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে অংশের বিনিময়ের মাধ্যমে বংশগতীয় বৈশিষ্ট্যের পুনর্বিন্যাস ঘটে।ফলে নতুন বংশধরে আসে বৈচিত্র্য এবং সৃষ্টি হয় নতুন প্রকরণ। সুতরাং, নতুন প্রকরণ সৃষ্টিতে মিয়োসিস কোষ বিভাজনের গুরুত্ব অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর: 'AA^{\prime} কোষ বিভাজন: মাতৃকোষ (2n) → অপত্য কোষ (2n) 'BB^{\prime} কোষ বিভাজন: মাতৃকোষ (2n) → অপত্য কোষ (n)

Chittagong · 2025

ক্যারিওকাইনেসিস কাকে বলে?

উত্তর

কোষ বিভাজনের সময় নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ক্যারিওকাইনেসিস বলা হয়।
হোমোলোগাস ক্রোমোসোম বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

হোমোলোগাস ক্রোমোসোম হলো ডিপ্লয়েড জীবের ক্রোমোসোমের একজোড়া সদৃশ ক্রোমোসোম, যেখানে একটি ক্রোমোসোম পিতা থেকে এবং অন্যটি মাতা থেকে আসে। এই দুটি ক্রোমোসোম আকার,আকৃতি এবং সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থানে একই রকম হয়। মিয়োসিস কোষ বিভাজনের সময় এই হোমোলোগাস ক্রোমোসোমগুলো জোড় গঠন করে, যা জেনেটিক তথ্যের আদান-প্রদান বা ক্রসিং ওভার এর জন্য অপরিহার্য।
উদ্দীপকে 'AA^{\prime} দ্বারা নির্দেশিত কোষ বিভাজনের যে ধাপে ক্রোমোসোম মেরুমুখী হয় তার চিত্র অঙ্কন কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'AA^{\prime} দ্বারা নির্দেশিত কোষ বিভাজনটি হলো মাইটোসিস, যেখানে একটি ডিপ্লয়েড (2n) মাতৃকোষ থেকে দুটি ডিপ্লয়েড (2n) অপত্য কোষ তৈরি হয়। যে ধাপে ক্রোমোসোমগুলো মেরুমুখী হয়, তা হলো অ্যানাফেজ। অ্যানাফেজ দশার চিত্র নিচে অঙ্কন করা হলো-
জীবের নতুন প্রকরণ সৃষ্টিতে উদ্দীপকে 'BB^{\prime} দ্বারা নির্দেশিত কোষ বিভাজনের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'BB^{\prime} কোষ বিভাজনটি হলো মিয়োসিস কোষ বিভাজন।জীবের নতুন প্রকরণ সৃষ্টিতে মিয়োসিস কোষ বিভাজনের গুরুত্ব অপরিসীম। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- মিয়োসিস কোষ বিভাজন জীবের প্রজনন এবং নতুন প্রকরণ সৃষ্টিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। জীবের যৌন প্রজননের জন্য প্রথমেই পুং ও স্ত্রী গ্যামেট সৃষ্টির প্রয়োজন হয়। পুং ও স্ত্রী জনন মাতৃকোষ মিয়োসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে যথাক্রমে হ্যাপ্লয়েড পুংগ্যামেট এবং স্ত্রী গ্যামেট বা ডিম্বাণু তৈরি করে। পুং ও স্ত্রী গ্যামেটের যৌন মিলন এর মাধ্যমে জীব তার যৌন জনন সম্পন্ন করে। পুং ও স্ত্রী গ্যামেট তৈরি না হলে জীব তার যৌন জনন সম্পন্ন করতে পারত না। আবার এ দু'ধরনের জননকোষ মিয়োসিস বিভাজনের মাধ্যমেই তৈরি হয়ে থাকে। মিয়োসিস কোষ বিভাজনে দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে অংশের বিনিময়ের মাধ্যমে বংশগতীয় বৈশিষ্ট্যের পুনর্বিন্যাস ঘটে।ফলে নতুন বংশধরে আসে বৈচিত্র্য এবং সৃষ্টি হয় নতুন প্রকরণ। সুতরাং, নতুন প্রকরণ সৃষ্টিতে মিয়োসিস কোষ বিভাজনের গুরুত্ব অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর: 'AA^{\prime} কোষ বিভাজন: মাতৃকোষ (2n) → অপত্য কোষ (2n) 'BB^{\prime} কোষ বিভাজন: মাতৃকোষ (2n) → অপত্য কোষ (n)

Chittagong · 2025

ক্যারিওকাইনেসিস কাকে বলে?

উত্তর

কোষ বিভাজনের সময় নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ক্যারিওকাইনেসিস বলা হয়।
হোমোলোগাস ক্রোমোসোম বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

হোমোলোগাস ক্রোমোসোম হলো ডিপ্লয়েড জীবের ক্রোমোসোমের একজোড়া সদৃশ ক্রোমোসোম, যেখানে একটি ক্রোমোসোম পিতা থেকে এবং অন্যটি মাতা থেকে আসে। এই দুটি ক্রোমোসোম আকার,আকৃতি এবং সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থানে একই রকম হয়। মিয়োসিস কোষ বিভাজনের সময় এই হোমোলোগাস ক্রোমোসোমগুলো জোড় গঠন করে, যা জেনেটিক তথ্যের আদান-প্রদান বা ক্রসিং ওভার এর জন্য অপরিহার্য।
উদ্দীপকে 'AA^{\prime} দ্বারা নির্দেশিত কোষ বিভাজনের যে ধাপে ক্রোমোসোম মেরুমুখী হয় তার চিত্র অঙ্কন কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'AA^{\prime} দ্বারা নির্দেশিত কোষ বিভাজনটি হলো মাইটোসিস, যেখানে একটি ডিপ্লয়েড (2n) মাতৃকোষ থেকে দুটি ডিপ্লয়েড (2n) অপত্য কোষ তৈরি হয়। যে ধাপে ক্রোমোসোমগুলো মেরুমুখী হয়, তা হলো অ্যানাফেজ। অ্যানাফেজ দশার চিত্র নিচে অঙ্কন করা হলো-
জীবের নতুন প্রকরণ সৃষ্টিতে উদ্দীপকে 'BB^{\prime} দ্বারা নির্দেশিত কোষ বিভাজনের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'BB^{\prime} কোষ বিভাজনটি হলো মিয়োসিস কোষ বিভাজন।জীবের নতুন প্রকরণ সৃষ্টিতে মিয়োসিস কোষ বিভাজনের গুরুত্ব অপরিসীম। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- মিয়োসিস কোষ বিভাজন জীবের প্রজনন এবং নতুন প্রকরণ সৃষ্টিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। জীবের যৌন প্রজননের জন্য প্রথমেই পুং ও স্ত্রী গ্যামেট সৃষ্টির প্রয়োজন হয়। পুং ও স্ত্রী জনন মাতৃকোষ মিয়োসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে যথাক্রমে হ্যাপ্লয়েড পুংগ্যামেট এবং স্ত্রী গ্যামেট বা ডিম্বাণু তৈরি করে। পুং ও স্ত্রী গ্যামেটের যৌন মিলন এর মাধ্যমে জীব তার যৌন জনন সম্পন্ন করে। পুং ও স্ত্রী গ্যামেট তৈরি না হলে জীব তার যৌন জনন সম্পন্ন করতে পারত না। আবার এ দু'ধরনের জননকোষ মিয়োসিস বিভাজনের মাধ্যমেই তৈরি হয়ে থাকে। মিয়োসিস কোষ বিভাজনে দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে অংশের বিনিময়ের মাধ্যমে বংশগতীয় বৈশিষ্ট্যের পুনর্বিন্যাস ঘটে।ফলে নতুন বংশধরে আসে বৈচিত্র্য এবং সৃষ্টি হয় নতুন প্রকরণ। সুতরাং, নতুন প্রকরণ সৃষ্টিতে মিয়োসিস কোষ বিভাজনের গুরুত্ব অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর: 'AA^{\prime} কোষ বিভাজন: মাতৃকোষ (2n) → অপত্য কোষ (2n) 'BB^{\prime} কোষ বিভাজন: মাতৃকোষ (2n) → অপত্য কোষ (n)

Chittagong · 2025

ক্যারিওকাইনেসিস কাকে বলে?

উত্তর

কোষ বিভাজনের সময় নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ক্যারিওকাইনেসিস বলা হয়।
হোমোলোগাস ক্রোমোসোম বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

হোমোলোগাস ক্রোমোসোম হলো ডিপ্লয়েড জীবের ক্রোমোসোমের একজোড়া সদৃশ ক্রোমোসোম, যেখানে একটি ক্রোমোসোম পিতা থেকে এবং অন্যটি মাতা থেকে আসে। এই দুটি ক্রোমোসোম আকার,আকৃতি এবং সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থানে একই রকম হয়। মিয়োসিস কোষ বিভাজনের সময় এই হোমোলোগাস ক্রোমোসোমগুলো জোড় গঠন করে, যা জেনেটিক তথ্যের আদান-প্রদান বা ক্রসিং ওভার এর জন্য অপরিহার্য।
উদ্দীপকে 'AA^{\prime} দ্বারা নির্দেশিত কোষ বিভাজনের যে ধাপে ক্রোমোসোম মেরুমুখী হয় তার চিত্র অঙ্কন কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'AA^{\prime} দ্বারা নির্দেশিত কোষ বিভাজনটি হলো মাইটোসিস, যেখানে একটি ডিপ্লয়েড (2n) মাতৃকোষ থেকে দুটি ডিপ্লয়েড (2n) অপত্য কোষ তৈরি হয়। যে ধাপে ক্রোমোসোমগুলো মেরুমুখী হয়, তা হলো অ্যানাফেজ। অ্যানাফেজ দশার চিত্র নিচে অঙ্কন করা হলো-
জীবের নতুন প্রকরণ সৃষ্টিতে উদ্দীপকে 'BB^{\prime} দ্বারা নির্দেশিত কোষ বিভাজনের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'BB^{\prime} কোষ বিভাজনটি হলো মিয়োসিস কোষ বিভাজন।জীবের নতুন প্রকরণ সৃষ্টিতে মিয়োসিস কোষ বিভাজনের গুরুত্ব অপরিসীম। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- মিয়োসিস কোষ বিভাজন জীবের প্রজনন এবং নতুন প্রকরণ সৃষ্টিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। জীবের যৌন প্রজননের জন্য প্রথমেই পুং ও স্ত্রী গ্যামেট সৃষ্টির প্রয়োজন হয়। পুং ও স্ত্রী জনন মাতৃকোষ মিয়োসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে যথাক্রমে হ্যাপ্লয়েড পুংগ্যামেট এবং স্ত্রী গ্যামেট বা ডিম্বাণু তৈরি করে। পুং ও স্ত্রী গ্যামেটের যৌন মিলন এর মাধ্যমে জীব তার যৌন জনন সম্পন্ন করে। পুং ও স্ত্রী গ্যামেট তৈরি না হলে জীব তার যৌন জনন সম্পন্ন করতে পারত না। আবার এ দু'ধরনের জননকোষ মিয়োসিস বিভাজনের মাধ্যমেই তৈরি হয়ে থাকে। মিয়োসিস কোষ বিভাজনে দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে অংশের বিনিময়ের মাধ্যমে বংশগতীয় বৈশিষ্ট্যের পুনর্বিন্যাস ঘটে।ফলে নতুন বংশধরে আসে বৈচিত্র্য এবং সৃষ্টি হয় নতুন প্রকরণ। সুতরাং, নতুন প্রকরণ সৃষ্টিতে মিয়োসিস কোষ বিভাজনের গুরুত্ব অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো