Barisal বোর্ড 2025 Economics 1st Paper

Barisal শিক্ষা বোর্ড 2025 সালের HSC Economics 1st Paper বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

12

প্রশ্ন

Barisal

বোর্ড

2025

সাল

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCEconomics 1st PaperMCQ
নিচের উদ্দীপকের আলোকে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও Q. চিত্রে AB রেখাটি হল-
  • .উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা
  • .সম উৎপাদন রেখা
  • .মোট উপযোগ রেখা
  • .মোট উৎপাদন রেখা

উত্তর: উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st PaperMCQ
নির্দেশমূলক অর্থব্যবস্থায়-
i.উপকরণের ব্যক্তি মালিকানা নেই
ii. জনগণ ভোগের ক্ষেত্রে স্বাধীন
iii. কেন্দ্রীয় পরিকল্পনানিচের কোনটি সঠিক?
  • .i ও ii
  • .i ও iii
  • .ii ও iii
  • .i, ii ও iii

উত্তর: i ও iii

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব হাসান 'XX^{\prime} দেশে বেড়াতে গেলেন। তিনি দেখলেন যে, সেখানে সবকিছুই ব্যক্তি মালিকানায় পরিচালিত হয়। তবে অনেক ক্ষেত্রেই সরকারি নিয়ন্ত্রণও আছে। অথচ ইসলামি অর্থব্যবস্থা ইসলামি শরিয়া মোতাবেক পরিচালিত হয় এবং এ অর্থব্যবস্থায় মানবকল্যাণে সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়।

Barisal · 2025

ব্যষ্টিক অর্থনীতি কী?

উত্তর

অর্থনীতির প্রতিটি এককের আচরণ ও কার্যকলাপ যখন পৃথক পৃথকভাবে বিশ্লেষণ করা হয় তখন তাকে ব্যন্টিক অর্থনীতি বলে।
পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থায় কীভাবে দ্রব্যের দাম নির্ধারিত হয়?

উত্তর

ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় বাজারে দ্রব্যের চাহিদা ও জোগানের ঘাত প্রতিঘাতে দাম নির্ধারিত হয়। ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে দ্রব্যের দাম নির্ধারিত হয়। অর্থাৎ ক্রেতা ও বিক্রেতার পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে বাজারে দাম নির্ধারিত হয়। এক্ষেত্রে শুধু বাজার চাহিদা ও বাজার জোগান পণ্যের দাম নির্ধারণে ভূমিকা রাখে।
উদ্দীপকে বর্ণিত 'XX^{\prime} দেশটিতে কোন ধরনের অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত 'XX^{\prime} দেশটিতে মিশ্র অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান।মিশ্র অর্থব্যবস্থা হলো এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের কিছু বৈশিষ্ট্যের সংমিশ্রণ দেখা যায়। এই অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তিগত ও সরকারি খাতের সহাবস্থান থাকে। এখানে উৎপাদনের উপকরণগুলো ব্যক্তি মালিকানায় পরিচালিত হলেও, সমাজের বৃহত্তর কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে। বাজার ব্যবস্থায় দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে। সরকারি হস্তক্ষেপ থাকে এবং সরকার তার বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজের দুর্বল অংশের সুরক্ষা নিশ্চিত করে।উদ্দীপকে বলা হয়েছে, 'XX^{\prime} দেশে সবকিছুই ব্যক্তি মালিকানায় পরিচালিত হয়, যা পুঁজিবাদী ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য। আবার একই সাথে অনেক ক্ষেত্রেই সরকারি নিয়ন্ত্রণও আছে, যা সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার উপাদানকে নির্দেশ করে। এ দুই ব্যবস্থার সমন্বিত রূপই প্রমাণ করে যে, 'XX^{\prime} দেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা প্রচলিত।
উদ্দীপক অনুসারে 'XX^{\prime} দেশের অর্থব্যবস্থার সাথে ইসলামি অর্থব্যবস্থার তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

ঘউদ্দীপক অনুসারে 'XX^{\prime} দেশের মিশ্র অর্থব্যবস্থার সাথে ইসলামি অর্থব্যবস্থার মধ্যে কিছু মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান।ইসলামি অর্থব্যবস্থা হলো এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, যা ইসলামি শরিয়া মোতাবেক পরিচালিত হয়। এর মূলভিত্তি হলো কুরআন ও সুন্নাহ, যা অর্থনৈতিক কার্যক্রমের জন্য একটি নৈতিক ও ধর্মীয় কাঠামো সরবরাহ করে। ইসলামি অর্থনীতিতে সম্পদ কেবল একক ব্যক্তির নয়, বরং আল্লাহর দেওয়া আমানত হিসেবে গণ্য হয়। এ ব্যবস্থায় ব্যক্তিগত মালিকানা স্বীকৃত হলেও তা শরিয়ার আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এর প্রধান লক্ষ্য হলো মানবকল্যাণে সম্পদের সর্বোচ্চ ও ন্যায়সংগত ব্যবহার নিশ্চিত করা।অপরদিকে, উদ্দীপকে বর্ণিত 'XX^{\prime} দেশের অর্থব্যবস্থা হলো মিশ্র অর্থব্যবস্থা, যা মানব সৃষ্ট। এ ব্যবস্থা পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে তৈরি হয়েছে, যেখানে ব্যক্তিগত মুনাফা অর্জন এবং সরকারি নিয়ন্ত্রণ উভয়ই সহাবস্থান করে। এখানে সম্পদের মালিকানা ব্যক্তি ও রাষ্ট্র উভয়ের হাতে থাকলেও ইসলামি অর্থনীতির মতো শরিয়াভিত্তিক নৈতিক কাঠামো এর মূলভিত্তি নয়। যদিও মিশ্র অর্থনীতিতেও সামাজিক কল্যাণের চেষ্টা করা হয়, কিন্তু তা ইসলামি অর্থনীতির মতো ঐশী বিধানের ওপর নির্ভরশীল নয়।সুতরাং, 'XX^{\prime} দেশের অর্থব্যবস্থা (মিশ্র) এবং ইসলামি অর্থব্যবস্থার মধ্যে প্রধান পার্থক্য হলো দার্শনিক ভিত্তি ও নিয়ন্ত্রণের উৎসে। মিশ্র অর্থনীতির ভিত্তি যেখানে মানুষে রচিত আইন, সেখানে ইসলামি অর্থনীতির ভিত্তি ঐশী বিধান। এই ভিন্নতার কারণে তাদের কার্যাবলি ও লক্ষ্য অর্জনের পদ্ধতিও ভিন্ন হয়, যেখানে ইসলামি অর্থব্যবস্থা সম্পদের সর্বোচ্চ ও ন্যায়সংগত ব্যবহার নিশ্চিত করে একটি সুষম সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব হাসান 'XX^{\prime} দেশে বেড়াতে গেলেন। তিনি দেখলেন যে, সেখানে সবকিছুই ব্যক্তি মালিকানায় পরিচালিত হয়। তবে অনেক ক্ষেত্রেই সরকারি নিয়ন্ত্রণও আছে। অথচ ইসলামি অর্থব্যবস্থা ইসলামি শরিয়া মোতাবেক পরিচালিত হয় এবং এ অর্থব্যবস্থায় মানবকল্যাণে সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়।

Barisal · 2025

ব্যষ্টিক অর্থনীতি কী?

উত্তর

অর্থনীতির প্রতিটি এককের আচরণ ও কার্যকলাপ যখন পৃথক পৃথকভাবে বিশ্লেষণ করা হয় তখন তাকে ব্যন্টিক অর্থনীতি বলে।
পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থায় কীভাবে দ্রব্যের দাম নির্ধারিত হয়?

উত্তর

ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় বাজারে দ্রব্যের চাহিদা ও জোগানের ঘাত প্রতিঘাতে দাম নির্ধারিত হয়। ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে দ্রব্যের দাম নির্ধারিত হয়। অর্থাৎ ক্রেতা ও বিক্রেতার পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে বাজারে দাম নির্ধারিত হয়। এক্ষেত্রে শুধু বাজার চাহিদা ও বাজার জোগান পণ্যের দাম নির্ধারণে ভূমিকা রাখে।
উদ্দীপকে বর্ণিত 'XX^{\prime} দেশটিতে কোন ধরনের অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত 'XX^{\prime} দেশটিতে মিশ্র অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান।মিশ্র অর্থব্যবস্থা হলো এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের কিছু বৈশিষ্ট্যের সংমিশ্রণ দেখা যায়। এই অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তিগত ও সরকারি খাতের সহাবস্থান থাকে। এখানে উৎপাদনের উপকরণগুলো ব্যক্তি মালিকানায় পরিচালিত হলেও, সমাজের বৃহত্তর কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে। বাজার ব্যবস্থায় দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে। সরকারি হস্তক্ষেপ থাকে এবং সরকার তার বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজের দুর্বল অংশের সুরক্ষা নিশ্চিত করে।উদ্দীপকে বলা হয়েছে, 'XX^{\prime} দেশে সবকিছুই ব্যক্তি মালিকানায় পরিচালিত হয়, যা পুঁজিবাদী ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য। আবার একই সাথে অনেক ক্ষেত্রেই সরকারি নিয়ন্ত্রণও আছে, যা সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার উপাদানকে নির্দেশ করে। এ দুই ব্যবস্থার সমন্বিত রূপই প্রমাণ করে যে, 'XX^{\prime} দেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা প্রচলিত।
উদ্দীপক অনুসারে 'XX^{\prime} দেশের অর্থব্যবস্থার সাথে ইসলামি অর্থব্যবস্থার তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

ঘউদ্দীপক অনুসারে 'XX^{\prime} দেশের মিশ্র অর্থব্যবস্থার সাথে ইসলামি অর্থব্যবস্থার মধ্যে কিছু মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান।ইসলামি অর্থব্যবস্থা হলো এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, যা ইসলামি শরিয়া মোতাবেক পরিচালিত হয়। এর মূলভিত্তি হলো কুরআন ও সুন্নাহ, যা অর্থনৈতিক কার্যক্রমের জন্য একটি নৈতিক ও ধর্মীয় কাঠামো সরবরাহ করে। ইসলামি অর্থনীতিতে সম্পদ কেবল একক ব্যক্তির নয়, বরং আল্লাহর দেওয়া আমানত হিসেবে গণ্য হয়। এ ব্যবস্থায় ব্যক্তিগত মালিকানা স্বীকৃত হলেও তা শরিয়ার আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এর প্রধান লক্ষ্য হলো মানবকল্যাণে সম্পদের সর্বোচ্চ ও ন্যায়সংগত ব্যবহার নিশ্চিত করা।অপরদিকে, উদ্দীপকে বর্ণিত 'XX^{\prime} দেশের অর্থব্যবস্থা হলো মিশ্র অর্থব্যবস্থা, যা মানব সৃষ্ট। এ ব্যবস্থা পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে তৈরি হয়েছে, যেখানে ব্যক্তিগত মুনাফা অর্জন এবং সরকারি নিয়ন্ত্রণ উভয়ই সহাবস্থান করে। এখানে সম্পদের মালিকানা ব্যক্তি ও রাষ্ট্র উভয়ের হাতে থাকলেও ইসলামি অর্থনীতির মতো শরিয়াভিত্তিক নৈতিক কাঠামো এর মূলভিত্তি নয়। যদিও মিশ্র অর্থনীতিতেও সামাজিক কল্যাণের চেষ্টা করা হয়, কিন্তু তা ইসলামি অর্থনীতির মতো ঐশী বিধানের ওপর নির্ভরশীল নয়।সুতরাং, 'XX^{\prime} দেশের অর্থব্যবস্থা (মিশ্র) এবং ইসলামি অর্থব্যবস্থার মধ্যে প্রধান পার্থক্য হলো দার্শনিক ভিত্তি ও নিয়ন্ত্রণের উৎসে। মিশ্র অর্থনীতির ভিত্তি যেখানে মানুষে রচিত আইন, সেখানে ইসলামি অর্থনীতির ভিত্তি ঐশী বিধান। এই ভিন্নতার কারণে তাদের কার্যাবলি ও লক্ষ্য অর্জনের পদ্ধতিও ভিন্ন হয়, যেখানে ইসলামি অর্থব্যবস্থা সম্পদের সর্বোচ্চ ও ন্যায়সংগত ব্যবহার নিশ্চিত করে একটি সুষম সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো