Barisal বোর্ড 2025 Civics 2nd Paper

Barisal শিক্ষা বোর্ড 2025 সালের HSC Civics 2nd Paper বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

12

প্রশ্ন

Barisal

বোর্ড

2025

সাল

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCCivics 2nd PaperMCQ
উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:Q. ছকের প্রশ্নবোধক স্থানে কোনটি বসবে?
  • .সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস
  • .সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ
  • .আওয়ামী মুসলিম লীগ
  • .কৃষক শ্রমিক পার্টি

উত্তর: সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd PaperMCQ
উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:Q. উক্ত সংগঠনটির উদ্দেশ্য ছিল-
  • .ভারতবাসীকে রাজনৈতিক সচেতন করা
  • .নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে দাবি আদায়ের
  • .বৃটিশ শাসন দীর্ঘায়িত করা
  • .হিন্দু মুসলিম ঐক্য প্রতিষ্ঠা

উত্তর: ভারতবাসীকে রাজনৈতিক সচেতন করা

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd PaperMCQ
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের অর্থ কোনটি?
  • .প্রদেশে দ্বৈতশাসন প্রতিষ্ঠা
  • .কেন্দ্রের উপর প্রদেশের নির্ভরশীলতা
  • .প্রাদেশিক আইনসভার সীমিত ক্ষমতা
  • .প্রদেশে দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা

উত্তর: প্রদেশে দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

একটি ভূখণ্ডে দুটি সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করত। তারা দীর্ঘদিন ধরে ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল। ওই ভূখণ্ডের একটি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী দলের একজন নেতা ওই ভূখণ্ডের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব করেন।

Barisal · 2025

১৯৪৬ সালে ব্রিটিশ ভারতে কোন পরিকল্পনা প্রদান করা হয়?

উত্তর

১৯৪৬ সালে ব্রিটিশ ভারতে মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনা প্রদান করা হয়।
১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অবিস্মরণীয় ঘটনা। ১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এ আইন পাসের মাধ্যমে উপমহাদেশে দীর্ঘ প্রায় দুইশ বছরের ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে। ভারত ও পাকিস্তান নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে এবং এ দুটি রাষ্ট্রের গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়। যে কারণে ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের গুরুত্ব অত্যধিক।
উদ্দীপকে তোমার পঠিত কোন ঐতিহাসিক প্রস্তাব প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে আমার পঠিত ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে।উদ্দীপকে উল্লেখ্য যে, একটি ভূখণ্ডে দুটি সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করত। তারা দীর্ঘদিন ধরে ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল। ওই ভূখন্ডের একটি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী দলের একজন নেতা ওই ভূখণ্ডের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব করেন। উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রস্তাবের সাথে ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবের সাদৃশ্য রয়েছে।ভারত উপমহাদেশে মুসলমানদের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় স্বাতন্ত্র্য রক্ষার প্রশ্নটি দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। কংগ্রেসের একচেটিয়া শাসনের প্রেক্ষিতে মুসলমানদের স্বার্থরক্ষায় বিকল্প রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা তখন প্রবলভাবে অনুভূত হয়। এমন প্রেক্ষাপটেই ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল, যা মুসলিম সম্প্রদায়ের 'ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এটি ছিল এমন একটি ঘোষণা, যার মাধ্যমে মুসলিম লীগ ভারতবর্ষে পৃথক রাষ্ট্র গঠনের দাবি তোলে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলের ভিত্তিতে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের যে প্রস্তাব শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক উত্থাপন করেন, তা ছিল মুসলিম জাতিসত্তার স্বীকৃতি আদায়ের এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। লাহোর প্রস্তাবে শুধু পৃথক রাষ্ট্র গঠনের ধারণাই নয়, বরং ওই রাষ্ট্রসমূহের স্বায়ত্তশাসন, সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা এবং শাসনতান্ত্রিক নিরাপত্তার বিষয়গুলোকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ প্রস্তাবের মাধ্যমেই পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার রাজনৈতিক ভিত্তি সুদৃঢ় হয়, যা পরবর্তীকালে উপমহাদেশ বিভাজনের ঐতিহাসিক ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
পরবর্তী রাজনীতিতে উদ্দীপকে প্রতিফলিত প্রস্তাবের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

পরবর্তী রাজনীতিতে উদ্দীপকে প্রতিফলিত প্রস্তাব অর্থাৎ ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের গুরুত্ব ছিল অভূতপূর্ব।একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব সংবলিত লাহোর প্রস্তাব ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তনের সূচনা করে। এই প্রস্তাব পরবর্তীতে শুধু পাকিস্তান সৃষ্টির পথ প্রশস্ত করেনি, বরং স্বাধীন বাংলাদেশের সম্ভাবনাও তাতে সুস্পষ্টভাবে নিহিত ছিল। এই প্রস্তাবে ভারতীয় মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ আধিপত্য থেকে মুক্তির স্পষ্ট ইচ্ছা প্রকাশ পায়। যদিও ১৯৪৬ সালে মুসলিম লীগ এক রাষ্ট্র গঠনের দিকে অগ্রসর হয়, তবুও লাহোর প্রস্তাবে পূর্বাঞ্চলের মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের জন্য আলাদা রাষ্ট্রের ভিত্তি রচিত হয়েছিল। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর যখন পূর্ব বাংলার বাঙালিরা বৈষম্যের শিকার হয়, তখন তাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন ক্রমেই তীব্র হতে থাকে। ১৯৫২ থেকে শুরু করে ১৯৭০ সালের নির্বাচন পর্যন্ত সব আন্দোলনের ভিত্তিতে ছিল লাহোর প্রস্তাবে ঘোষিত স্বায়ত্তশাসনের দাবি। এভাবেই প্রস্তাবটির ভিতরকার রাষ্ট্রভাগের ধারণা সময়ের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক আন্দোলনের রূপ নেয় এবং তা পরিণামে বাংলাদেশ সৃষ্টির পথ সুগম করে।সুতরাং বলা যায়, ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব শুধু পাকিস্তান নয়, বরং বাংলাদেশের জন্মের বীজতলা হিসেবে কাজ করেছে- এ কথা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

একটি ভূখণ্ডে দুটি সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করত। তারা দীর্ঘদিন ধরে ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল। ওই ভূখণ্ডের একটি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী দলের একজন নেতা ওই ভূখণ্ডের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব করেন।

Barisal · 2025

১৯৪৬ সালে ব্রিটিশ ভারতে কোন পরিকল্পনা প্রদান করা হয়?

উত্তর

১৯৪৬ সালে ব্রিটিশ ভারতে মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনা প্রদান করা হয়।
১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অবিস্মরণীয় ঘটনা। ১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এ আইন পাসের মাধ্যমে উপমহাদেশে দীর্ঘ প্রায় দুইশ বছরের ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে। ভারত ও পাকিস্তান নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে এবং এ দুটি রাষ্ট্রের গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়। যে কারণে ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের গুরুত্ব অত্যধিক।
উদ্দীপকে তোমার পঠিত কোন ঐতিহাসিক প্রস্তাব প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে আমার পঠিত ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে।উদ্দীপকে উল্লেখ্য যে, একটি ভূখণ্ডে দুটি সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করত। তারা দীর্ঘদিন ধরে ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল। ওই ভূখন্ডের একটি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী দলের একজন নেতা ওই ভূখণ্ডের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব করেন। উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রস্তাবের সাথে ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবের সাদৃশ্য রয়েছে।ভারত উপমহাদেশে মুসলমানদের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় স্বাতন্ত্র্য রক্ষার প্রশ্নটি দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। কংগ্রেসের একচেটিয়া শাসনের প্রেক্ষিতে মুসলমানদের স্বার্থরক্ষায় বিকল্প রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা তখন প্রবলভাবে অনুভূত হয়। এমন প্রেক্ষাপটেই ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল, যা মুসলিম সম্প্রদায়ের 'ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এটি ছিল এমন একটি ঘোষণা, যার মাধ্যমে মুসলিম লীগ ভারতবর্ষে পৃথক রাষ্ট্র গঠনের দাবি তোলে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলের ভিত্তিতে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের যে প্রস্তাব শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক উত্থাপন করেন, তা ছিল মুসলিম জাতিসত্তার স্বীকৃতি আদায়ের এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। লাহোর প্রস্তাবে শুধু পৃথক রাষ্ট্র গঠনের ধারণাই নয়, বরং ওই রাষ্ট্রসমূহের স্বায়ত্তশাসন, সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা এবং শাসনতান্ত্রিক নিরাপত্তার বিষয়গুলোকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ প্রস্তাবের মাধ্যমেই পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার রাজনৈতিক ভিত্তি সুদৃঢ় হয়, যা পরবর্তীকালে উপমহাদেশ বিভাজনের ঐতিহাসিক ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
পরবর্তী রাজনীতিতে উদ্দীপকে প্রতিফলিত প্রস্তাবের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

পরবর্তী রাজনীতিতে উদ্দীপকে প্রতিফলিত প্রস্তাব অর্থাৎ ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের গুরুত্ব ছিল অভূতপূর্ব।একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব সংবলিত লাহোর প্রস্তাব ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তনের সূচনা করে। এই প্রস্তাব পরবর্তীতে শুধু পাকিস্তান সৃষ্টির পথ প্রশস্ত করেনি, বরং স্বাধীন বাংলাদেশের সম্ভাবনাও তাতে সুস্পষ্টভাবে নিহিত ছিল। এই প্রস্তাবে ভারতীয় মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ আধিপত্য থেকে মুক্তির স্পষ্ট ইচ্ছা প্রকাশ পায়। যদিও ১৯৪৬ সালে মুসলিম লীগ এক রাষ্ট্র গঠনের দিকে অগ্রসর হয়, তবুও লাহোর প্রস্তাবে পূর্বাঞ্চলের মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের জন্য আলাদা রাষ্ট্রের ভিত্তি রচিত হয়েছিল। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর যখন পূর্ব বাংলার বাঙালিরা বৈষম্যের শিকার হয়, তখন তাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন ক্রমেই তীব্র হতে থাকে। ১৯৫২ থেকে শুরু করে ১৯৭০ সালের নির্বাচন পর্যন্ত সব আন্দোলনের ভিত্তিতে ছিল লাহোর প্রস্তাবে ঘোষিত স্বায়ত্তশাসনের দাবি। এভাবেই প্রস্তাবটির ভিতরকার রাষ্ট্রভাগের ধারণা সময়ের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক আন্দোলনের রূপ নেয় এবং তা পরিণামে বাংলাদেশ সৃষ্টির পথ সুগম করে।সুতরাং বলা যায়, ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব শুধু পাকিস্তান নয়, বরং বাংলাদেশের জন্মের বীজতলা হিসেবে কাজ করেছে- এ কথা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

একটি রাষ্ট্রের ঔপনিবেশিক শাসকগোষ্ঠী প্রশাসনের সুবিধার জন্য একটি প্রদেশ ভেঙে দুই ভাগ করে। প্রশাসনিক সুবিধার কথা বললেও রাজনৈতিক কারণও এর পিছনে কাজ করেছিল। এ কার্যক্রমকে প্রদেশটির পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায় সমর্থন করেছিল।

Barisal · 2025

কোন আইনের মাধ্যমে কেন্দ্রে দ্বৈতশাসন প্রবর্তন করা হয়?

উত্তর

১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের মাধ্যমে কেন্দ্রে দ্বৈত শাসন প্রবর্তন করা হয়।
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলতে প্রদেশের নিজস্ব শাসনব্যবস্থাকে বোঝায়। এটি যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার একটি অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য। প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের মূলকথা হলো প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার প্রাদেশিক আইনসভার কাছে জবাবদিহিতা থাকবে এবং আইনসভা হবে সর্বময় কর্তৃত্বের অধিকারী। এর মাধ্যমে মূলত দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালানো হয়। তবে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনে দেশরক্ষাসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর কর্তৃত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে।
উদ্দীপকটি তোমার পঠিত বইয়ের কোন ঘটনাকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনার সাথে আমার পঠিত বঙ্গভঙ্গের মিল আছে। উদ্দীপকে 'XX^{\prime} রাষ্ট্রের বৃহৎ একটি প্রদেশকে প্রশাসনিক দুর্বলতা ও উন্নয়নে বৈষম্যের কারণে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়। পূর্বাঞ্চলের জনগণ এতে খুশি হলেও পশ্চিমাঞ্চল বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানায় এবং পরে পুনরায় একত্রীকরণ করা হয়। এ ঘটনাটি ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের সঙ্গে মিল রাখে। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ ছিল ব্রিটিশ শাসকদের একটি বিতর্কিত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, যার মাধ্যমে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে পূর্ববঙ্গ ও আসাম এবং। পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নামে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়। প্রশাসনিক সুবিধার কথা বলা হলেও এর পেছনে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক নানা কারণ ছিল, যার মধ্যে 'ভাগ কর ও। শাসন কর' নীতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ব্রিটিশ সরকার প্রশাসনিক জটিলতা দূর করার অজুহাতে বাংলাকে দুই ভাগে ভাগ করলেও। প্রকৃতপক্ষে এটি ছিল রাজনৈতিক কৌশল। হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে। বিভেদ সৃষ্টির মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন দমনই ছিল প্রকৃত লক্ষ্য। তবে পূর্ববঙ্গের মুসলমান কৃষিজীবী জনগণ এই বিভক্তিকে। স্বাগত জানায়, কারণ এতে তারা নতুন প্রশাসনিক রাজধানী ঢাকা থেকে সুবিধা পাবে বলে আশা করেছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু সমাজ এর বিরোধিতা করে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তোলে। পরিণতিতে ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ প্রত্যাহার করা হয়।
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ তোমার পঠিত ঘটনার ফলাফল মূল্যায়ন কর।

উত্তর

উল্লিখিত ঘটনা তথা বঙ্গভঙ্গের ফলে উভয় অঞ্চলের জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ একটি ঐতিহাসিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ, যা ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলাকে পূর্ব ও পশ্চিম-দুটি প্রদেশে বিভক্ত করে। এই বিভাজনের ফলে সমাজের দুই ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, যা দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব ফেলে।উদ্দীপকে আবহে ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের প্রতিচ্ছবি প্রকাশ পায়। তৎকালীন এই বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ববঙ্গের জনগণ খুশি হলেও পশ্চিমাঞ্চলের জনগণ ক্ষুব্ধ হয়। কারণ, পূর্বাঞ্চলের মুসলমানগণ নতুন রাজধানী ঢাকাকে ঘিরে শিক্ষা, প্রশাসন ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে। ঢাকায় নবাব স্যার সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে মুসলমান সম্প্রদায় বঙ্গভঙ্গকে নিজেদের পুনরুত্থানের সুযোগ হিসেবে দেখেছিল। অন্যদিকে, পশ্চিমাঞ্চলের শিক্ষিত হিন্দু সমাজ ও পেশাজীবীরা এ বিভাজনকে নিজেদের প্রভাব হ্রাসের ষড়যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করে তীব্র প্রতিবাদ করে। তাদের আশঙ্কা ছিল, পূর্বাঞ্চলে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রতিষ্ঠা পেলে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে এবং রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা হবে। এভাবে বিভক্তির ফলে উভয় অঞ্চলের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সন্দেহ, অসন্তোষ এবং দ্বন্দ্বের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তবে মুসলমান সমাজে আত্মবিশ্বাস ও অগ্রগতির নতুন দ্বার উন্মোচিত হলেও হিন্দু সমাজে শঙ্কা ও ক্ষোভ তীব্র হয়।সুতরাং বলা যায়, বঙ্গভঙ্গ দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ভিন্নমুখী প্রভাব ফেলেছিল-একপক্ষ লাভবান হলেও অন্যপক্ষ নিজেকে বঞ্চিত ও শঙ্কিত মনে করেছিল, যা পরবর্তীকালে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধির পথও প্রশস্ত করেছিল।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

একটি রাষ্ট্রের ঔপনিবেশিক শাসকগোষ্ঠী প্রশাসনের সুবিধার জন্য একটি প্রদেশ ভেঙে দুই ভাগ করে। প্রশাসনিক সুবিধার কথা বললেও রাজনৈতিক কারণও এর পিছনে কাজ করেছিল। এ কার্যক্রমকে প্রদেশটির পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায় সমর্থন করেছিল।

Barisal · 2025

কোন আইনের মাধ্যমে কেন্দ্রে দ্বৈতশাসন প্রবর্তন করা হয়?

উত্তর

১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের মাধ্যমে কেন্দ্রে দ্বৈত শাসন প্রবর্তন করা হয়।
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলতে প্রদেশের নিজস্ব শাসনব্যবস্থাকে বোঝায়। এটি যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার একটি অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য। প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের মূলকথা হলো প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার প্রাদেশিক আইনসভার কাছে জবাবদিহিতা থাকবে এবং আইনসভা হবে সর্বময় কর্তৃত্বের অধিকারী। এর মাধ্যমে মূলত দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালানো হয়। তবে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনে দেশরক্ষাসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর কর্তৃত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে।
উদ্দীপকটি তোমার পঠিত বইয়ের কোন ঘটনাকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনার সাথে আমার পঠিত বঙ্গভঙ্গের মিল আছে। উদ্দীপকে 'XX^{\prime} রাষ্ট্রের বৃহৎ একটি প্রদেশকে প্রশাসনিক দুর্বলতা ও উন্নয়নে বৈষম্যের কারণে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়। পূর্বাঞ্চলের জনগণ এতে খুশি হলেও পশ্চিমাঞ্চল বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানায় এবং পরে পুনরায় একত্রীকরণ করা হয়। এ ঘটনাটি ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের সঙ্গে মিল রাখে। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ ছিল ব্রিটিশ শাসকদের একটি বিতর্কিত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, যার মাধ্যমে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে পূর্ববঙ্গ ও আসাম এবং। পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নামে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়। প্রশাসনিক সুবিধার কথা বলা হলেও এর পেছনে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক নানা কারণ ছিল, যার মধ্যে 'ভাগ কর ও। শাসন কর' নীতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ব্রিটিশ সরকার প্রশাসনিক জটিলতা দূর করার অজুহাতে বাংলাকে দুই ভাগে ভাগ করলেও। প্রকৃতপক্ষে এটি ছিল রাজনৈতিক কৌশল। হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে। বিভেদ সৃষ্টির মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন দমনই ছিল প্রকৃত লক্ষ্য। তবে পূর্ববঙ্গের মুসলমান কৃষিজীবী জনগণ এই বিভক্তিকে। স্বাগত জানায়, কারণ এতে তারা নতুন প্রশাসনিক রাজধানী ঢাকা থেকে সুবিধা পাবে বলে আশা করেছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু সমাজ এর বিরোধিতা করে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তোলে। পরিণতিতে ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ প্রত্যাহার করা হয়।
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ তোমার পঠিত ঘটনার ফলাফল মূল্যায়ন কর।

উত্তর

উল্লিখিত ঘটনা তথা বঙ্গভঙ্গের ফলে উভয় অঞ্চলের জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ একটি ঐতিহাসিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ, যা ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলাকে পূর্ব ও পশ্চিম-দুটি প্রদেশে বিভক্ত করে। এই বিভাজনের ফলে সমাজের দুই ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, যা দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব ফেলে।উদ্দীপকে আবহে ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের প্রতিচ্ছবি প্রকাশ পায়। তৎকালীন এই বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ববঙ্গের জনগণ খুশি হলেও পশ্চিমাঞ্চলের জনগণ ক্ষুব্ধ হয়। কারণ, পূর্বাঞ্চলের মুসলমানগণ নতুন রাজধানী ঢাকাকে ঘিরে শিক্ষা, প্রশাসন ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে। ঢাকায় নবাব স্যার সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে মুসলমান সম্প্রদায় বঙ্গভঙ্গকে নিজেদের পুনরুত্থানের সুযোগ হিসেবে দেখেছিল। অন্যদিকে, পশ্চিমাঞ্চলের শিক্ষিত হিন্দু সমাজ ও পেশাজীবীরা এ বিভাজনকে নিজেদের প্রভাব হ্রাসের ষড়যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করে তীব্র প্রতিবাদ করে। তাদের আশঙ্কা ছিল, পূর্বাঞ্চলে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রতিষ্ঠা পেলে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে এবং রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা হবে। এভাবে বিভক্তির ফলে উভয় অঞ্চলের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সন্দেহ, অসন্তোষ এবং দ্বন্দ্বের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তবে মুসলমান সমাজে আত্মবিশ্বাস ও অগ্রগতির নতুন দ্বার উন্মোচিত হলেও হিন্দু সমাজে শঙ্কা ও ক্ষোভ তীব্র হয়।সুতরাং বলা যায়, বঙ্গভঙ্গ দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ভিন্নমুখী প্রভাব ফেলেছিল-একপক্ষ লাভবান হলেও অন্যপক্ষ নিজেকে বঞ্চিত ও শঙ্কিত মনে করেছিল, যা পরবর্তীকালে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধির পথও প্রশস্ত করেছিল।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

একটি রাষ্ট্রে 'ক' আইনে প্রথমবারের মতো দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা গঠন করার ব্যবস্থা করা হয়। এ আইনে প্রদেশে দ্বৈতশাসন প্রবর্তন করা হয়। অন্যদিকে, 'খ' আইনে এ রাষ্ট্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। এ আইনে কেন্দ্রে দ্বৈতশাসন চালু করা হয়।

Barisal · 2025

কোন আইনে ব্রিটিশ ভারতে স্বতন্ত্র নির্বাচন পদ্ধতি চালু করা হয়?

উত্তর

১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনে ব্রিটিশ ভারতে স্বতন্ত্র নির্বাচন পদ্ধতি চালু করা হয়।
দ্বিজাতি তত্ত্বের ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর

রাজনৈতিক ইতিহাসে দ্বিজাতি তত্ত্ব মুসলমানদের ভাগ্য উন্নয়নের এক যুগান্তকারী মাইলফলক। এ তত্ত্বের মূলকথা ছিল ভারতে মুসলমানরা যেকোনো বিচারে একটি স্বতন্ত্র জাতি এবং তাদের পৃথক জাতিসত্তা রয়েছে। এ পৃথক জাতিসত্তার স্বার্থরক্ষার জন্য ভারতে মুসলমানদের জন্য আলাদা আবাসভূমি প্রয়োজন। দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতেই রচিত হয় ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব, যার মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল বলে মনে করা হয়।
উদ্দীপকের 'ক' আইন তোমার পঠিত কোন আইনকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'ক' আইন এ ১৯১৯ সালে ভারত শাসন আইনের কথা বলা হয়েছে।প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ভারতবাসীর সাহায্যের বিনিময়ে ব্রিটিশ সরকার স্বায়ত্তশাসনের প্রতিশ্রুতি দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় মন্টেগু-চেমসফোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী ১৯১৯ সালে ভারত শাসন আইন -প্রণয়ন করা হয়। এ আইন ভারতীয় শাসনতন্ত্রের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।উদ্দীপকের ছক-১ এ সংরক্ষিত ও হস্তান্তরিত বিষয়ের যে বণ্টন দেখানো হয়েছে, তা ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এ আইনের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ভারতে দ্বৈত শাসনব্যবস্থা চালু হয়। এতে প্রাদেশিক সরকারের কার্যাবলি দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়- সংরক্ষিত ও হস্তান্তরিত। উদ্দীপকে যেমন দেখা যায়, 'পররাষ্ট্র' ও 'দেশরক্ষা' ছিল সংরক্ষিত বিষয়; যা গভর্নর এককভাবে শাসন করতেন এবং তার ওপর মন্ত্রিপরিষদের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকত না। অন্যদিকে, 'শিক্ষা' ও 'স্বাস্থ্য' ছিল হস্তান্তরিত বিষয়; যেগুলোর শাসনব্যবস্থায় গভর্নর মন্ত্রিপরিষদের পরামর্শ গ্রহণ করতেন। এতে কিছু স্বাধীনতা থাকলেও চূড়ান্ত কর্তৃত্ব ব্রিটিশ প্রশাসনের কাছেই ছিল। এ ধারা ভারতের প্রশাসনিক বিকাশের পথে একটি নতুন দিক উন্মোচন করে।
উদ্দীপকের 'খ' দ্বারা নির্দেশিত আইনের মাধ্যমে প্রবর্তিত প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কার্যকারিতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'খ' এ ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের কথা বলা হয়েছে। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কার্যকারিতা ছিল সীমিত।উদ্দীপকের ছক-২ এ উল্লেখ রয়েছে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন, পৃথক নির্বাচন এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত, যা ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের বৈশিষ্ট্যকেই নির্দেশ করছে।১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের আওতায় প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের লক্ষ্য ছিল প্রদেশগুলোকে স্বাধীনভাবে শাসনের সুযোগ দেওয়া। এর মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার ভারতীয়দের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা অর্জনের পথ তৈরি করতে চেয়েছিল। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ও কেন্দ্রীয় দ্বৈতশাসনের প্রেক্ষাপটে 'প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন তত্ত্বগতভাবে প্রতিষ্ঠা পেলেও বাস্তবে তা পুরাপুরি কার্যকর হয়নি। ১৯৩৭ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রদেশে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ ক্ষমতায় আসে এবং কিছু ক্ষেত্রে কোয়ালিশন মন্ত্রিসভা গঠন করে। তবে কংগ্রেস মুসলিম লীগকে উপেক্ষা করে এককভাবে মন্ত্রিসভা গঠন করে, যা দ্বন্দ্ব বাড়ায়। যদিও | ব্রিটিশ সরকার গভর্নরের অনুপ্রবেশ না করার প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু বিহার ও যুক্ত প্রদেশে রাজবন্দিদের মুক্তি ইস্যুতে মতানৈক্য স্পষ্ট হয়। ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ভারতকে জড়িয়ে নেওয়ার ঘটনায় কংগ্রেস পদত্যাগ করে, যা স্বায়ত্তশাসন বাস্তবায়নে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে, মুসলিম লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন ও মুসলমানদের প্রতিনিধিত্ব প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় থাকলেও তাদের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের দাবি স্বীকৃতি পায়নি। সর্বোপরি, গভর্নর জেনারেল, গভর্নর ও ভারত সচিবের অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের বাস্তব রূপ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।সুতরাং বলা যায়, ১৯৩৫ সালের আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রবর্তিত হলেও রাজনৈতিক, প্রতিযোগিতা, একচেটিয়া মনোভাব ও ব্রিটিশ শাসকদের নিয়ন্ত্রণে এর কার্যকারিতা সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়নি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

একটি রাষ্ট্রে 'ক' আইনে প্রথমবারের মতো দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা গঠন করার ব্যবস্থা করা হয়। এ আইনে প্রদেশে দ্বৈতশাসন প্রবর্তন করা হয়। অন্যদিকে, 'খ' আইনে এ রাষ্ট্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। এ আইনে কেন্দ্রে দ্বৈতশাসন চালু করা হয়।

Barisal · 2025

কোন আইনে ব্রিটিশ ভারতে স্বতন্ত্র নির্বাচন পদ্ধতি চালু করা হয়?

উত্তর

১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনে ব্রিটিশ ভারতে স্বতন্ত্র নির্বাচন পদ্ধতি চালু করা হয়।
দ্বিজাতি তত্ত্বের ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর

রাজনৈতিক ইতিহাসে দ্বিজাতি তত্ত্ব মুসলমানদের ভাগ্য উন্নয়নের এক যুগান্তকারী মাইলফলক। এ তত্ত্বের মূলকথা ছিল ভারতে মুসলমানরা যেকোনো বিচারে একটি স্বতন্ত্র জাতি এবং তাদের পৃথক জাতিসত্তা রয়েছে। এ পৃথক জাতিসত্তার স্বার্থরক্ষার জন্য ভারতে মুসলমানদের জন্য আলাদা আবাসভূমি প্রয়োজন। দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতেই রচিত হয় ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব, যার মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল বলে মনে করা হয়।
উদ্দীপকের 'ক' আইন তোমার পঠিত কোন আইনকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'ক' আইন এ ১৯১৯ সালে ভারত শাসন আইনের কথা বলা হয়েছে।প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ভারতবাসীর সাহায্যের বিনিময়ে ব্রিটিশ সরকার স্বায়ত্তশাসনের প্রতিশ্রুতি দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় মন্টেগু-চেমসফোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী ১৯১৯ সালে ভারত শাসন আইন -প্রণয়ন করা হয়। এ আইন ভারতীয় শাসনতন্ত্রের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।উদ্দীপকের ছক-১ এ সংরক্ষিত ও হস্তান্তরিত বিষয়ের যে বণ্টন দেখানো হয়েছে, তা ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এ আইনের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ভারতে দ্বৈত শাসনব্যবস্থা চালু হয়। এতে প্রাদেশিক সরকারের কার্যাবলি দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়- সংরক্ষিত ও হস্তান্তরিত। উদ্দীপকে যেমন দেখা যায়, 'পররাষ্ট্র' ও 'দেশরক্ষা' ছিল সংরক্ষিত বিষয়; যা গভর্নর এককভাবে শাসন করতেন এবং তার ওপর মন্ত্রিপরিষদের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকত না। অন্যদিকে, 'শিক্ষা' ও 'স্বাস্থ্য' ছিল হস্তান্তরিত বিষয়; যেগুলোর শাসনব্যবস্থায় গভর্নর মন্ত্রিপরিষদের পরামর্শ গ্রহণ করতেন। এতে কিছু স্বাধীনতা থাকলেও চূড়ান্ত কর্তৃত্ব ব্রিটিশ প্রশাসনের কাছেই ছিল। এ ধারা ভারতের প্রশাসনিক বিকাশের পথে একটি নতুন দিক উন্মোচন করে।
উদ্দীপকের 'খ' দ্বারা নির্দেশিত আইনের মাধ্যমে প্রবর্তিত প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কার্যকারিতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'খ' এ ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের কথা বলা হয়েছে। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কার্যকারিতা ছিল সীমিত।উদ্দীপকের ছক-২ এ উল্লেখ রয়েছে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন, পৃথক নির্বাচন এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত, যা ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের বৈশিষ্ট্যকেই নির্দেশ করছে।১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের আওতায় প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের লক্ষ্য ছিল প্রদেশগুলোকে স্বাধীনভাবে শাসনের সুযোগ দেওয়া। এর মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার ভারতীয়দের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা অর্জনের পথ তৈরি করতে চেয়েছিল। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ও কেন্দ্রীয় দ্বৈতশাসনের প্রেক্ষাপটে 'প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন তত্ত্বগতভাবে প্রতিষ্ঠা পেলেও বাস্তবে তা পুরাপুরি কার্যকর হয়নি। ১৯৩৭ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রদেশে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ ক্ষমতায় আসে এবং কিছু ক্ষেত্রে কোয়ালিশন মন্ত্রিসভা গঠন করে। তবে কংগ্রেস মুসলিম লীগকে উপেক্ষা করে এককভাবে মন্ত্রিসভা গঠন করে, যা দ্বন্দ্ব বাড়ায়। যদিও | ব্রিটিশ সরকার গভর্নরের অনুপ্রবেশ না করার প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু বিহার ও যুক্ত প্রদেশে রাজবন্দিদের মুক্তি ইস্যুতে মতানৈক্য স্পষ্ট হয়। ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ভারতকে জড়িয়ে নেওয়ার ঘটনায় কংগ্রেস পদত্যাগ করে, যা স্বায়ত্তশাসন বাস্তবায়নে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে, মুসলিম লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন ও মুসলমানদের প্রতিনিধিত্ব প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় থাকলেও তাদের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের দাবি স্বীকৃতি পায়নি। সর্বোপরি, গভর্নর জেনারেল, গভর্নর ও ভারত সচিবের অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের বাস্তব রূপ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।সুতরাং বলা যায়, ১৯৩৫ সালের আইনে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রবর্তিত হলেও রাজনৈতিক, প্রতিযোগিতা, একচেটিয়া মনোভাব ও ব্রিটিশ শাসকদের নিয়ন্ত্রণে এর কার্যকারিতা সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়নি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

একটি ভূখণ্ডে দুটি সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করত। তারা দীর্ঘদিন ধরে ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল। ওই ভূখণ্ডের একটি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী দলের একজন নেতা ওই ভূখণ্ডের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব করেন।

Barisal · 2025

১৯৪৬ সালে ব্রিটিশ ভারতে কোন পরিকল্পনা প্রদান করা হয়?

উত্তর

১৯৪৬ সালে ব্রিটিশ ভারতে মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনা প্রদান করা হয়।
১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অবিস্মরণীয় ঘটনা। ১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এ আইন পাসের মাধ্যমে উপমহাদেশে দীর্ঘ প্রায় দুইশ বছরের ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে। ভারত ও পাকিস্তান নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে এবং এ দুটি রাষ্ট্রের গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়। যে কারণে ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের গুরুত্ব অত্যধিক।
উদ্দীপকে তোমার পঠিত কোন ঐতিহাসিক প্রস্তাব প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে আমার পঠিত ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে।উদ্দীপকে উল্লেখ্য যে, একটি ভূখণ্ডে দুটি সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করত। তারা দীর্ঘদিন ধরে ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল। ওই ভূখন্ডের একটি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী দলের একজন নেতা ওই ভূখণ্ডের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব করেন। উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রস্তাবের সাথে ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবের সাদৃশ্য রয়েছে।ভারত উপমহাদেশে মুসলমানদের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় স্বাতন্ত্র্য রক্ষার প্রশ্নটি দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। কংগ্রেসের একচেটিয়া শাসনের প্রেক্ষিতে মুসলমানদের স্বার্থরক্ষায় বিকল্প রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা তখন প্রবলভাবে অনুভূত হয়। এমন প্রেক্ষাপটেই ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল, যা মুসলিম সম্প্রদায়ের 'ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এটি ছিল এমন একটি ঘোষণা, যার মাধ্যমে মুসলিম লীগ ভারতবর্ষে পৃথক রাষ্ট্র গঠনের দাবি তোলে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলের ভিত্তিতে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের যে প্রস্তাব শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক উত্থাপন করেন, তা ছিল মুসলিম জাতিসত্তার স্বীকৃতি আদায়ের এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। লাহোর প্রস্তাবে শুধু পৃথক রাষ্ট্র গঠনের ধারণাই নয়, বরং ওই রাষ্ট্রসমূহের স্বায়ত্তশাসন, সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা এবং শাসনতান্ত্রিক নিরাপত্তার বিষয়গুলোকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ প্রস্তাবের মাধ্যমেই পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার রাজনৈতিক ভিত্তি সুদৃঢ় হয়, যা পরবর্তীকালে উপমহাদেশ বিভাজনের ঐতিহাসিক ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
পরবর্তী রাজনীতিতে উদ্দীপকে প্রতিফলিত প্রস্তাবের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

পরবর্তী রাজনীতিতে উদ্দীপকে প্রতিফলিত প্রস্তাব অর্থাৎ ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের গুরুত্ব ছিল অভূতপূর্ব।একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব সংবলিত লাহোর প্রস্তাব ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তনের সূচনা করে। এই প্রস্তাব পরবর্তীতে শুধু পাকিস্তান সৃষ্টির পথ প্রশস্ত করেনি, বরং স্বাধীন বাংলাদেশের সম্ভাবনাও তাতে সুস্পষ্টভাবে নিহিত ছিল। এই প্রস্তাবে ভারতীয় মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ আধিপত্য থেকে মুক্তির স্পষ্ট ইচ্ছা প্রকাশ পায়। যদিও ১৯৪৬ সালে মুসলিম লীগ এক রাষ্ট্র গঠনের দিকে অগ্রসর হয়, তবুও লাহোর প্রস্তাবে পূর্বাঞ্চলের মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের জন্য আলাদা রাষ্ট্রের ভিত্তি রচিত হয়েছিল। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর যখন পূর্ব বাংলার বাঙালিরা বৈষম্যের শিকার হয়, তখন তাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন ক্রমেই তীব্র হতে থাকে। ১৯৫২ থেকে শুরু করে ১৯৭০ সালের নির্বাচন পর্যন্ত সব আন্দোলনের ভিত্তিতে ছিল লাহোর প্রস্তাবে ঘোষিত স্বায়ত্তশাসনের দাবি। এভাবেই প্রস্তাবটির ভিতরকার রাষ্ট্রভাগের ধারণা সময়ের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক আন্দোলনের রূপ নেয় এবং তা পরিণামে বাংলাদেশ সৃষ্টির পথ সুগম করে।সুতরাং বলা যায়, ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব শুধু পাকিস্তান নয়, বরং বাংলাদেশের জন্মের বীজতলা হিসেবে কাজ করেছে- এ কথা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো